গুগল সার্চ ইঞ্জিন কি? গুগল কিভাবে কাজ করে বিস্তারিত জানুন

বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সার্চ ইঞ্জিন হল গুগল সার্চ ইঞ্জিন। হাতে স্মার্ট ডিভাইস আছে, ইন্টারনেট সংযোগ আছে আর গুগল সম্পর্কে জানে না, এমন লোক খুঁজে পাওয়া মুশকিল। তবে গুগল সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে আমরা ঠিক কতটুকু জানি? আপনি কি জানেন গুগল কিভাবে কাজ করে? কেনই বা গুগলের এত জনপ্রিয়তা! কি হত আজকের ডিজিটাল নেটওয়ার্কের অবস্থান যদি গুগল না থাকতো! আজকের এই যুগে এসে শুধু গুগল নাম টা জানাই যথেষ্ট নয়। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে গুগল সম্পর্কে জানতে হবে অনেক কিছু।

গুগল সার্চ ইঞ্জিন কি? গুগল কিভাবে কাজ করে বিস্তারিত জানুন

গুগলের কর্মকাণ্ড নিয়ে মানুষের মনে কৌতুহলের শেষ নেই। তবে গুগলের পরিসর ছোট্ট কোনো গন্ডি নিয়ে নয়। এর পরিসর অনেক বড় যা অল্প কথায় তুলে ধরা সম্ভব হবে না। কিন্তু গুগল সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে আপনার মনে নিশ্চয়ই নানা প্রশ্ন আছে। তাই তো আপনি এখানে! চলুন তাহলে গুগল সার্চ ইঞ্জিন কি এবং কিভাবে কাজ করে সেসবি নিয়ে জেনে আসি জানা অজানা অনেক তথ্য।  

সার্চ ইঞ্জিন কি

গুগল সার্চ ইঞ্জিন নিয়ে জানার আগে সার্চ ইঞ্জিন আসলে কি সেসম্পর্কে জেনে নেওয়া দরকার।  সার্চ ইঞ্জিন হল একটি সফ্টওয়্যার সিস্টেম যা ওয়েব রিসার্চ চালানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। সার্চ ইঞ্জিন সাধারণত এমন  একটি ওয়েব অনুসন্ধান সফটওয়্যার প্রোগ্রাম যেটি ইনফরমেশন সংগ্রহ করে এই ইনফরমেশন নিজস্ব সার্ভারে জমা রাখে। আর যখন কেউ সেই নির্দিষ্ট তথ্য অনুসন্ধান করে তখন সেগুলো অনুসন্ধাকারীর সামনে তুলে ধরে। সার্চ ইঞ্জিন মূলত  একটি নির্দিষ্ট  প্রোগ্রাম এর সাহায্য  রান করানো হয়, আর আপনার অনুসন্ধান করা ইনফরমেশন  খুঁজে বেড় করে।


আরো জানুন:


গুগল একাউন্ট খুলবেন কিভাবে?


ইউটিউব চ্যালেন খুলবেন কিভাবে? চ্যালেন থেকে আয় করার উপায় কি?


ইউটিউবের ভিডিও ডাউনলোড করবেন কিভাবে?


 

সার্চ ইঞ্জিন কে তুলনা করা হয় স্পাইডার ওয়েব এর সাথে। কারণ, এটি পুরো অনলাইন নেটওয়ার্কে জাল বিছিয়ে রেখে সকল তথ্য জমা করে রাখে। তাই যখনই আপনি একটি ইনফরমেশন জানার জন্য সার্চ করেন,  তখনই সার্চ ইঞ্জিন তার মেমোরি তে সংগ্রহ করে রাখা অসংখ্য তথ্য থেকে নির্দিষ্ট তথ্য খুঁজে আনে। মূলত বিভিন্ন ওয়েব পেজে এসব তথ্য পাওয়া যায়। সার্চ ইঞ্জিনের মা্ধ্যমেই পৃথিবীর এক প্রান্তে বসে লেখা কোন ইনফরমেশন অন্য প্রান্তের মানুষ প্রয়োজনে জানতে পারছে। 


গুগল গোপনে আপনার অডিও কল রেকর্ড করছে ঠেকাবেন কিভাবে?

গুগল সার্চ ইঞ্জিন কি?

Google Search সহজভাবে Google নামেও পরিচিত। এটি হল Google এর তৈরি একটি সার্চ ইঞ্জিন। যা প্রতিদিন 3.5 বিলিয়নেরও বেশি অনুসন্ধান পরিচালনা করে থাকে।

 

Google অনুসন্ধানের মূল উদ্দেশ্য হল ওয়েব সার্ভারের দ্বারা সর্বজনীনভাবে বিভিন্ন তথ্য কে নথিবদ্ধ করা। এবং এগুলো টেক্সট বা চিত্র  ডাটা হিসেবে সংগ্রহ করা। আপনি যখনই গুগলে আপনার নিদিষ্ট তথ্য সার্চ করবেন।  এটি তখন আপনার সামনে সংগ্রহ করা তথ্য গুলো তুলে ধরবে। 

১৯৯৭ সালে এটি তৈরি করেন মূলত ল্যারি পেজ, সের্গেই ব্রিন এবং স্কট হাসান। কালের পরিরর্তনে  Google টাইপ করা শব্দের পরিবর্তে কথ্য অনুসন্ধানের জন্য "Google ভয়েস অনুসন্ধান" ও চালু করা হয়। 

 

২০১২ সালের মে মাসে, Google মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই নলেজ গ্রাফ সিম্যান্টিক সার্চ বৈশিষ্ট্য চালু করেছিল। আর আরো আশ্চর্যের বিষয় হল, বর্তমানে গুগল স্ক্যানার দিয়ে আপনি আপনার সামনে থাকা যেকোনো জিনিস স্ক্যান করেই অনেক তথ্য পেয়ে যাবেন। 

 

আপনি জানলে অবাক হবেন যে, পুরো বিশ্বব্যাপী সার্চ ইঞ্জিন বাজারের 92% শেয়ার রয়েছে গুগলের। আরো মজার বিষয় হল এটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভিজিট করা ওয়েবসাইট। গুগল ছাড়াও অনেক সার্চ ইঞ্জিন থাকলেও গুগলের জনপ্রিয়তা সব থেকে বেশি। 


গুগল এডসেন্স কি? কিভাবে গুগল এডসেন্স থেকে আয় করবেন?

গুগল সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে 

আপনি গুগলে যখন কিছু সার্চ করেন, তখন দেখবেন সেই বিষয় সম্পর্কে অনেকগুলো ওয়েবসাইটের লিঙ্ক সামনে চলে আসছে। এসব রেজাল্ট কিন্তু আপনি সার্চ করার পর গুগল তৈরি করেনি। প্রতিনিয়ত বিলিয়ন বিলিয়ন ওয়েবসাইট ও ব্লগ নতুন তথ্য অনলাইনে প্রকাশ করছে। প্রকাশিত তথ্য ও আর্টিকেল গুগল খুঁজে বের করে পড়া শুরু করে। এরপর সেগুলোকে নির্দিষ্ট ফাইলে জমা রাখে। আপনার সার্চ করার পর শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ফাইল খুলে আপনার সামনে তুলে ধরে।

 

এই পদ্ধতিটি শুনতে সহজ মনে হলেও এটি অনেক সময় সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। তাই গুগল এই কাজ আগে থেকেই করে রাখে। এরপর শুধু আপনার সার্চ করার সাথে সাথেই উত্তর টি আপনাকে দেখিয়ে দেয়।   

 

গুগলের কাজের ধরন একটি সিস্টেম্যাটিক পদ্ধতিতে চলে। প্রতিটি কাজের জন্য একটি অ্যালগরিদম থাকে। এই অ্যালগরিদম হল এমন একটি পদ্ধতি যেখানে সার্চ ইঞ্জিনে ওয়েবসাইট এবং কিওয়ার্ড রেঙ্ক করানো হয়। গুগল যেকোনো ইনফরমেশন দেয়ার জন্য যে পদ্ধতি টি ফলো করে তা হল- 

 

  • ওয়েব ক্রলিং (Web Crawling)  
  • ইনডেক্সিং (Indexing) 
  • রেঙ্কিং (ranking) 

ওয়েব ক্রলিং (Web Crawling):  

গুগলের কাজ করার ধাপ গুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রথম হচ্ছে গুগল ক্রলিং। চলুন ক্রলিং বেপারটির সাথে পরিচিত হয়ে আসি। আপনি যখনই গুগলে কিছু সার্চ করছেন, সাথে সাথেই গুগল আপনাকে রেজাল্ট  দেখাচ্ছে। কিন্তু এই রেজাল্ট শো করার আগে থেকেই গুগলকে এই রেজাল্ট গুলো বের করে রাখতে হয়। এরপর শুধু আপনার সার্চ করার অপেক্ষা। 

 

একটু সহজ করে যদি বলি, একটি অফিসের ভাইভা দেওয়ার জন্য কে কে উপস্থিত হয়েছে, সেটা চেক করে লিস্ট তৈরি করাই হলো ক্রলিং। গুগল সর্বদা চেক করে দেখে যে নতুন কোন টপিক এড হলো কি না।

 

 

গুগলের ওয়েব ক্রলিং কাজ গুলো করে গুগলবট৷ এটি মূলত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের মাধ্যমে পুরো পৃথিবীর প্রতিটি ওয়েবসাইট অনুসন্ধান করে তথ্য জোগাড় করার পদ্ধতি। গুগলবট যখনই একটি ওয়েবপেজ  অনুসন্ধান করে তখনই সেই সাইটের সকল লিংক গুগলের ক্রলিং লিস্টে এড হয়ে যায়। এই প্রসেসে আবার  একটি লিংকই  বার বার চলে আসে। কিন্তু গুগলবট সেগুলেকে আলাদা করে ফেলে এবং নতুন তালিকা তৈরি করে। ফলে অনেক অল্প সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ ওয়েবসাইটকে একসাথে ক্রল করে ফলে। এটাই হল গুগলের ওয়েব ক্রলিং। ক্রলিং সম্পর্কে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন। এবার আসি গুগলের কেন ক্রলিং করা দরকার।

 

আসলে আমাদের ওয়েবপেজ গুলোর ইনফরমেশন যদি আগে থেকেই গুগলের কাছে না থাকে। তাহলে কিভাবে গুগল আপনাকে আমাকে যথা সময়ে তথ্য জোগাড় করে দিবে? হাজার হাজার তথ্যের মধ্যে থেকে নির্ধারিত তথ্য খুঁজে বের করা খুবই সময়সাপেক্ষ ব্যপার। 


গুগল ম্যাপের সাহায্যে অপরিচিত জায়গায় বন্ধু সাথে যোগাযোগ করবেন কিভাবে?  

 

ইনডেক্সিং (Indexing): 

এরপরের ধাপ হচ্ছে ইনডেক্সিং। সারা বিশ্বে প্রতিদিম অসংখ্য ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে। আর সেগুলোতে প্রতিদিন এড হচ্ছে একাধিক ওয়েব পেজ। প্রচুর তথ্য জমা হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডে। এই কারণে  গুগলের নেটওয়ার্ক ও মাকড়শার মত বিস্তৃত হতে থাকে এবং  ক্রলিং করতে থাকে প্রতি মুহুর্তে ।

 

তবে একটি পৃষ্ঠা সম্পূর্ণ ক্রলিং করা হলেই সেটি ডাটা সেন্টারে ইনডেক্স এর জন্য নেয়া হয়। ইনডেক্স এ থাকে ওয়ার্ড এবং URL এর একটি লিস্ট। গুগলবট যখম মাকড়সার মত একটি পৃষ্ঠা কে ক্রল করে,  ওই সময়েই সে ওই পেজের  প্রতিটি ওয়ার্ডকে আয়ত্ত করে ফেলে। এমনকি একটি শব্দ কয়বার ইউজ করা হয়েছে এই সব বিষয়ও সে  সংগ্রহ করে রাখে। এই পদ্ধতিতে গুগলের সব তথ্য নিয়ে একটি পেজ এর ইনডেক্স ক্রিয়েট করে।

 

আগের উদাহরণে যদি ফেরৎ যাই, তবে এধাপে কে কে ভাইভা দিতে উপস্থিত হয়েছে জানার পর কে কোন ডিপার্টপেমেন্টর ভাইভার জন্য উপস্থিত হয়েছে, সেটা আলাদা করে ফাইলে এড করার পদ্ধতিই হলো ইনডেক্সিং।



আপনার প্রিয় মানুষটির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হলে তাকে গুগল ম্যাপে ট্রাক করবেন কিভাবে?


রেঙ্কিং ( Ranking )

rank ওয়ার্ড টি শুনেই নিশ্চয়ই আপনি বুঝে গিয়েছেন যে পরবর্তী ধাপ টি কি হতে পারে। হ্যা এবারের ধাপ হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট কে রেঙ্ক করানো। গুগল কিভাবে একটি ওয়েবসাইট কে রেঙ্ক করায়? কেনও বা কোনো কোনো ওয়েবসাইট কে সার্চ রেজাল্টে উপরে রাখে না? সেই বিষয়টিই এখন ক্লিয়ার করা যাক।  

 

আপনি কি একটি জিনিস লক্ষ করেছেন? আমরা যখনই গুগলে কিছু খুজতে যাই তখন এটি সবার আগে একটি ওয়েবসাইট দেখায়। এরপর ধাপে ধাপে অন্য ওয়েবসাইট গুলো নিচের দিকে থাকে। কিন্তু এমনটি কেন হয়, ভেবে দেখেছেন কখনও?

 

এই যে ওয়েবপেজ গুলোর অবস্থান এর ভেরিয়েশন, এটাই হল গুগলের ওয়েবসাইট রেংকিং। গুগোল বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে রেংকিং এর কাজ করে। ফলস্বরূপ কিছু ওয়েবসাইট বা প্রথম দিকে থাকে, আবার কিছু ওয়েবসাইট শেষের দিকে শো করে।

 

ইনডেক্সিং সম্পর্কে অলরেডি আমরা জেনো গেছি। আসলে গুগলের করা এই ইনডেক্স এর ওপর নির্ভর করে  বিভিন্ন ওয়েবপেইজ এর রেংকিং করা হয়ে থাকে। এই রেংকিং এর রেজাল্ট হিসেবেই গুগোল নির্দিষ্ট  ইনফরমেশন যুক্ত ওয়েব পেইজ গুলোকে কখনো উপরের দিকে। আবার কখনও শেষের দিকে তার সার্চ রেজাল্টে শো করে। 

 

গুগল একটি ওয়েবপেইজ কে ক্রলিং শেষ করার পর ইনডেক্সিং করে। এবং পরপর তথ্য গুলো সাজিয়ে ফেলে। এবং আমরা যখনই কিছু সার্চ করি, এই ইনডেক্স এর ওপর ভরসা করেই রেজাল্ট শো করে। এটাই হল রেঙ্কিং। 

 

উদাহরণ থেকে আবারো বোঝার চেষ্টা করি, ভাইভা বোর্ডে আমরা যে যত ভালভাবে বোর্ডকে উত্তর দিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারবো, সে তত ভাল পজিশন পাবে তাইতো! গুগলেরও কিছু প্যারামিটার রয়েছে, তার মেশিন অ্যালগরিদম ২০০ এর বেশি বিষয়কে ফ্যাক্টর হিসেবে ধরে রেংকিং দেয়। এখন, যে সাইট যত ভালো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করতে পারবে, তাকে তত ভালো রেংকিং এ রাখবে।



মোবাইল চুরি হলে গুগল একাউন্ট ডিলিট করবেন কিভাবে?


গুগল সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহারের সুবিধা

 

গুগল সার্চ ইঞ্জিন কি সে সম্পর্কে তো জানলেন। আর গুগল কিভাবে কাজ করে তারও একটি বর্ণনা ইতিমধ্যে পেয়ে গেছেন। কিন্তু আমরা কি পাচ্ছি গুগল থেকে? কেনই বা বিশ্বের নাম্বার ওয়ান সার্চ ইঞ্জিন হয়েছে গুগল? গুগল সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহারের সুবিধা গুলোও এক নজরে দেখে নিন- 

1. স্পিড

সার্চ রেজাল্ট পাওয়ার  ক্ষেত্রে অন্য যেকোনো  সার্চ ইঞ্জিনের থেকে গুগল ফাস্ট কাজ করে। গুগল প্রতি 0.19 সেকেন্ডে লক্ষ  লক্ষ  রেজাল্ট বের করতে  সক্ষম। তাদের প্রযুক্তিগত অবকাঠামো অন্য সার্চ ইঞ্জিন গুলোর তুলনায় অনেক বেশি উন্নত।  

2. চয়েস

গুগল এর মত আরও অনেক সার্চ ইঞ্জিন  রয়েছে। কিন্তু  এটি অন্য যেকোন ইঞ্জিনের চেয়ে দ্রুত নতুন সাইট বাছাই করে। তাই আপনি একদম লেটেস্ট  খবর ও সাম্প্রতিক সাইটগুলি মুহূর্তেই পেয়ে যান।   আর  সাধারণভাবে গুগল সবচেয়ে বেশি গ্রহনযোগ্য ফলাফল  লোড করে৷ 

3. প্রাসঙ্গিকতা

গুগলের অ্যালগরিদম অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনের তুলনায় অনেক বেশি একটিভ। কোন সাইটগুলো সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক এবং কোন সাইট গুলো প্রাসঙ্গিক নয় তা নির্ধারণে গুগলের দক্ষতা বেশি। বিশেষ করে তাদের অ্যালগরিদম ক্রমাগত আপডেটের হতে থাকে। ফলে এই সিস্টেম এর  মাধ্যমে গুগল সর্বদা লেটেস্ট ডিজিটাল বিহেভিয়ার এর  সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে। ডেটা কালেক্ট করতে  গুগলের অনেক সোর্স রয়েছে, যা অন্য সার্চ  ইঞ্জিনগুলিতে নেই। পরবর্তীকালে, আরও তথ্যের সাহায্যে তারা আরও প্রাসঙ্গিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে। কিছুটা অবাক করার বিষয় হল, যখন আপনি দেখেন  যে আপনি কী টাইপ করতে যাচ্ছেন গুগল সেটিও  জানতে সক্ষম !

4. ব্র্যান্ডিং

আপনি Google এর এই দিকটিকে মোটেও উপেক্ষা করতে পারবেন না। তারা সর্বত্র! তারা আগে অনেক বিজ্ঞাপন করে আসছে। তবে গুগল  বর্তমানে তাদের সার্চ অফারের বিজ্ঞাপন দেয় না।  গুগল  তাদের অন্যান্য অনেক পরিষেবার বিজ্ঞাপন দেয়।  যা সবই “Google” ভিত্তিক।  তাই স্বাভাবিকভাবেই, আপনি গুগলের পরিচিতি অন্য সার্চ ইঞ্জিনের তুলনায় বেশি পেয়েছেন। তাদের ব্র্যান্ডিং নীতি তাদের কে আরো বেশি এগিয়ে নিয়ে গেছে। 

5. মার্কেট শেয়ার

আপনি কি জানেন, যুক্তরাজ্যের 86% জনসংখ্যা Google ব্যবহার করে। তাই বুঝতেই পারছেন, কোম্পানি গুলো  গুগলের মত প্লাটফর্মে নিজেদের শেয়ার রাখা বেশি লাভজনক মনে করে। তাই গুগলের পরিসর দিন দিন বৃদ্ধি পেয়েই যাচ্ছে। 

6. প্ল্যাটফর্ম এবং টুলস

সার্চ ইঞ্জিন গুলিতে বিজ্ঞাপন  দেখার ক্ষেত্রে  Google Ads/Microsoft Advertising (পূর্বে Bing বিজ্ঞাপন) এর কোন তুলনা নেই। গুগল বলতে গেলে কয়েক যুগ এগিয়ে আছে। আপনি Google-এ মুহুর্তের  কিছু সেট আপ করতে পারেন। অন্যদিকে অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের কাজ করতে কয়েক ঘন্টা/দিন লেগে যায়।    আপনার সহজ  ব্যবহার এর জন্য গুগল একটি ভাল টুলসেটও প্রদান করে। যার মধ্যে কয়েকটির  নাম হল - অ্যানালিটিক্স এবং ওয়েবমাস্টার টুল।  তাই গুগলের সাথে কাজ করা সবচেয়ে সময়োপযোগী। আপনার শ্রম ও সময় দুটিই বাঁচিয়ে দেয় গুগল সার্চ ইঞ্জিন।


গুগল এডস কি? কিভাবে গুগল এডস মার্কেটিং করবেন?  

 

পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত গুগল সার্চ ইঞ্জিন কি সে সম্পর্কে জানতে গেলে জানার কোনো শেষ হবে না। গুগলের কাজ করার ধরণ, অ্যলগরিদম, ম্যানেজেমেন্ট নিয়ে আছে অসংখ্য জানার বিষয়। তবে আপনি হয়তো জানলে অবাক হবেন যে, গুগল কিভাবে কাজ করে তার খুব নগণ্য পরিমাণ তথ্যই সর্বসাধারণের জন্য উম্মুক্ত। কেননা গুগল প্রতিনিয়ত নিজেকে পরিবর্তন করে সেবার মান উন্নয়ন ও নিজ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

 

আপনার সুবিধার্থে গুগল সার্চ ইঞ্জিন ও গুগল কিভাবে কাজ করে তার একটি ধারণা দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এই ইনফোটিতে। আশা করি গুগল সম্পর্কে মজার মজার আরো তথ্য জানতে আমাদের সাথেই থাকবেন।

কোন মন্তব্য নেই:

Blogger দ্বারা পরিচালিত.