নতুন জিমেইল একাউন্ট তৈরি করুন: মোবাইল ও কম্পিউটারে সাইন আপের নিয়ম (২০২৬)
এই লেখাটি এক বছরের বেশি আগে হালনাগাদ হয়েছে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি বা অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে নিন।
নতুন জিমেইল একাউন্ট তৈরি করতে Google Account সাইন-ইন পেজে গিয়ে "Create account" চাপুন, নাম, জন্মতারিখ ও পছন্দের ইউজারনেম দিন, তারপর শক্তিশালী পাসওয়ার্ড সেট করে শর্তে সম্মতি দিন। মোবাইল বা কম্পিউটার, দুই জায়গা থেকেই বিনামূল্যে নতুন ইমেইল একাউন্ট খোলা যায়। এই লেখায় ধাপে ধাপে দেখানো হয়েছে কীভাবে জিমেইল সাইন আপ করবেন, একাউন্ট নিরাপদ রাখবেন এবং প্রয়োজনে ডিলিট করবেন।
যারা ইন্টারনেটে নতুন বা কম্পিউটার সবে শিখছেন, তাদের কথা মাথায় রেখেই গাইডটি সাজানো হয়েছে।
সর্বশেষ হালনাগাদ: অক্টোবর ২০২৬। গুগল মাঝেমধ্যে ইন্টারফেস বদলায়, তাই নিচের স্ক্রিনশটের সঙ্গে আপনার স্ক্রিনে সামান্য পার্থক্য দেখতে পারেন।
জিমেইল কী এবং গুগল একাউন্টের সঙ্গে পার্থক্য
জিমেইল (Gmail) গুগলের একটি বিনামূল্যের ইমেইল সার্ভিস। অনেকেই জিমেইল ও গুগল একাউন্টকে একই জিনিস মনে করেন, কিন্তু গুগলের সহায়তা পেজ অনুযায়ী দুটি আলাদা। জিমেইল হলো গুগল একাউন্টের মাধ্যমে ব্যবহার করা বিভিন্ন সার্ভিসের একটি।
একটি গুগল একাউন্ট দিয়ে সাধারণত এই সার্ভিসগুলো ব্যবহার করা যায়:
- জিমেইল: ইমেইল পাঠানো ও গ্রহণ
- গুগল ড্রাইভ: ক্লাউডে ফাইল সংরক্ষণ
- গুগল ফটোজ: ছবি ও ভিডিও ব্যাকআপ
- ইউটিউব: ভিডিও দেখা ও চ্যানেল তৈরি
- গুগল প্লে স্টোর: অ্যাপ ডাউনলোড
- গুগল ম্যাপ, গুগল মিট, ব্লগার
শুরুর আগে যা লাগবে
- ইন্টারনেট সংযোগ সহ একটি স্মার্টফোন বা কম্পিউটার
- আপনার নাম ও জন্মতারিখ
- নিরাপত্তা ও পাসওয়ার্ড উদ্ধারের জন্য সচল মোবাইল নম্বর (গুগল ধাপে ধাপে চাইতে পারে)
- মনে রাখার মতো একটি ইউজারনেমের কয়েকটি বিকল্প নাম, কারণ প্রথম পছন্দ আগে থেকে নেওয়া থাকতে পারে
মোবাইলে নতুন জিমেইল একাউন্ট তৈরির নিয়ম
স্মার্টফোনে ইন্টারনেট চালু রেখে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।

ধাপ ১: Gmail অ্যাপ খুলুন। "Set up email" থেকে Google বেছে নিন এবং Next চাপুন।

ধাপ ২: "Create account" চাপুন। একাউন্টের ধরন জানতে চাইলে ব্যক্তিগত কাজের জন্য "For myself" (Personal use) বেছে নিন।
ধাপ ৩: আপনার প্রথম নাম (First name) ও শেষ নাম (Last name) দিন।

ধাপ ৪: জন্মতারিখ ও জেন্ডার দিন।
ধাপ ৫: এবার আপনার ইমেইল ঠিকানা, অর্থাৎ ইউজারনেম বেছে নিন। গুগল কিছু নাম প্রস্তাব করবে, চাইলে নিজের পছন্দের নামও দিতে পারেন। নামটি আগে থেকে অন্য কারও নেওয়া থাকলে বা গুগল নিজে সংরক্ষিত রাখলে সেটি নেওয়া যাবে না। তখন লাল রঙে সতর্কবার্তা আসবে এবং অন্য নাম দিতে হবে।

ধাপ ৬: একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিন এবং আবার লিখে নিশ্চিত করুন। পাসওয়ার্ড বাছাইয়ের পরামর্শ নিচে দেওয়া আছে।
ধাপ ৭: গুগল ফোন নম্বর বা রিকভারি ইমেইল যোগ করতে বললে নিরাপত্তার জন্য যোগ করে নেওয়াই ভালো। শেষে Privacy and Terms পেজে "I agree" চাপলে একাউন্ট তৈরি সম্পন্ন হবে।
একাউন্ট তৈরির পর জিমেইলের ইনবক্স দেখতে পাবেন। এটিই আপনার ইমেইলের মূল পেজ।
কম্পিউটারে জিমেইল একাউন্ট খোলার নিয়ম
কম্পিউটারেও ধাপগুলো একই। শুধু শুরুটা আলাদা:
- যেকোনো ব্রাউজার খুলে অ্যাড্রেস বারে gmail.com লিখে Enter চাপুন।
- "Create account" চাপুন এবং ব্যক্তিগত ব্যবহারের অপশন বেছে নিন।
- নাম, জন্মতারিখ, জেন্ডার, ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিন।
- ফোন নম্বর যোগ করার ধাপে "Skip" অপশন থাকলে সেটি দিয়ে এড়িয়ে যাওয়া যায়, তবে একাউন্ট উদ্ধারের সুবিধার জন্য ফোন নম্বর দেওয়া ভালো। গুগল কখনো ভেরিফিকেশনের জন্য ফোন নম্বর চাইতেও পারে।
- শর্তে সম্মতি দিলে একাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে।
বিনামূল্যে নতুন ইমেইল একাউন্ট: অন্য ঠিকানা দিয়েও গুগল একাউন্ট
নতুন ইমেইল একাউন্ট তৈরি করতে গিয়ে অনেকে ধরে নেন Gmail ঠিকানা ছাড়া গুগল একাউন্ট হয় না। গুগলের সহায়তা পেজ অনুযায়ী, গুগল একাউন্ট খুলতে জিমেইল ঠিকানা থাকা বাধ্যতামূলক নয়। আপনার আগে থেকে থাকা অন্য কোনো ইমেইল ঠিকানা দিয়েও গুগল একাউন্ট খোলা যায়। সাইন-ইন পেজে "Create account" চেপে সেখানে নিজের ব্যবহৃত ইমেইল ঠিকানা দেওয়ার অপশন বেছে নিন।
আর আপনি যদি একদম নতুন জিমেইল ঠিকানাই চান, তাহলে ওপরের মোবাইল বা কম্পিউটারের ধাপ অনুসরণ করুন। দুই ক্ষেত্রেই একাউন্ট খোলা বিনামূল্যে।
ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড বাছাইয়ের টিপস
ইউনিক ইউজারনেম বানাবেন যেভাবে
পছন্দের নাম আগে থেকে নেওয়া থাকলে এভাবে বিকল্প তৈরি করতে পারেন:
- নামের সঙ্গে পেশা যোগ করুন, যেমন rashid.teacher
- নামের সঙ্গে জেলা বা এলাকার সংক্ষিপ্ত নাম যোগ করুন
- নামের মাঝে ডট (.) ব্যবহার করুন
- সংখ্যা যোগ করতে চাইলে এমন সংখ্যা দিন যা আপনার জন্মতারিখ বা ফোন নম্বর সরাসরি প্রকাশ করে না
চাকরির আবেদন বা ব্যবসার কাজে ব্যবহার করবেন, এমন ঠিকানার জন্য নামভিত্তিক সাদামাটা ইউজারনেম রাখাই ভালো।
শক্তিশালী পাসওয়ার্ড
- বড় হাতের ও ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা এবং চিহ্ন মিলিয়ে অন্তত ১২ অক্ষরের পাসওয়ার্ড দিন।
- নিজের নাম, জন্মসাল বা ফোন নম্বর পাসওয়ার্ডে ব্যবহার করবেন না।
- অন্য কোনো সাইটে ব্যবহার করা পাসওয়ার্ড এখানে দেবেন না।
- পাসওয়ার্ড কাউকে বলবেন না। নিজের জন্য সংরক্ষণ করতে চাইলে পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করুন, খোলা কাগজ বা মোবাইল নোটে নয়।
জিমেইলে সাইন ইন (Log In) করার নিয়ম
মোবাইলে: Gmail অ্যাপ খুলুন এবং আপনার ইমেইল ঠিকানা ও পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইন ইন করুন।
কম্পিউটারে: ব্রাউজারে gmail.com খুলুন, ইমেইল ঠিকানা ও পাসওয়ার্ড দিয়ে "Sign in" চাপুন।
একই ডিভাইসে একাধিক জিমেইল একাউন্ট রাখা যায়। প্রোফাইল আইকনে চেপে "Add another account" বেছে নিন।
জিমেইল ব্যবহারের প্রাথমিক ধারণা
একাউন্ট তৈরি হলে জিমেইলের ইন্টারফেস দেখতে পাবেন।
- Compose (১): নতুন ইমেইল লেখার উইন্ডো খোলে
- To (২): যাকে পাঠাবেন তার ইমেইল ঠিকানা
- Subject (৩): ইমেইলের বিষয়
- Body (৪): মূল বার্তা
- Attach (৫): ছবি বা ফাইল যুক্ত করতে
- Send (৬): ইমেইল পাঠাতে
- Inbox (৭): আসা ইমেইল দেখতে
- Profile Icon (৮): সেটিংস ও লগ আউট
জিমেইলের গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস
ভেকেশন রেসপন্ডার (অটো রিপ্লাই)
এটি চালু করলে কেউ ইমেইল করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি উত্তর চলে যায়। ছুটিতে বা ব্যস্ত থাকলে কাজে আসে।
কীভাবে চালু করবেন: Settings > See all settings > General > Vacation responder। এখানে On করে বিষয় ও বার্তা লিখে Save করুন।
ইমেইল সিগনেচার
প্রতিটি ইমেইলের নিচে আপনার নাম, পদবি বা ফোন নম্বর স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হবে।
কীভাবে সেটআপ করবেন: Settings > See all settings > General > Signature > Create new। নাম ও যোগাযোগের তথ্য লিখে Save করুন।
ইমেইল ফরওয়ার্ডিং
একাধিক ইমেইল ঠিকানা থাকলে সবগুলোর ইমেইল একটি মূল একাউন্টে পাওয়ার ব্যবস্থা করা যায়। ধরুন আপনার তিনটি ইমেইল আছে, একটি নিয়মিত ব্যবহার করেন। বাকি দুটিতে ফরওয়ার্ডিং সেট করলে সেগুলোর ইমেইল মূল একাউন্টে চলে আসবে।
কীভাবে করবেন: Settings > See all settings > Forwarding and POP/IMAP > Add a forwarding address।
টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করুন
একাউন্টের নিরাপত্তার জন্য এটি চালু রাখা উচিত। চালু থাকলে কেউ আপনার পাসওয়ার্ড জেনে ফেললেও অতিরিক্ত যাচাই ছাড়া সাইন ইন করা কঠিন হয়।
কীভাবে করবেন: Google Account > Security > 2-Step Verification > Get started।
স্টোরেজ কতটুকু পাবেন?
গুগলের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি গুগল একাউন্টে ১৫ জিবি পর্যন্ত বিনামূল্যে স্টোরেজ থাকে। এই স্টোরেজ জিমেইল, গুগল ড্রাইভ ও গুগল ফটোজ মিলিয়ে ভাগ হয়। জায়গা শেষ হয়ে গেলে ফাইল আপলোড বা ছবি ব্যাকআপ আটকে যেতে পারে, এমনকি ইমেইল পাঠানো ও গ্রহণেও সমস্যা হতে পারে। বেশি জায়গা দরকার হলে Google One-এর পেইড প্ল্যান নেওয়া যায়।
জিমেইল একাউন্ট ডিলিট করার নিয়ম
সতর্কতা: গুগল একাউন্ট ডিলিট করলে ইমেইল, ড্রাইভের ফাইল ও একাউন্টের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য ডেটা হারাতে পারেন। আগে প্রয়োজনীয় সব তথ্যের ব্যাকআপ নিয়ে নিন। ডিলিট করা ঠিকানা আবার ফিরে পাওয়ার নিশ্চয়তা থাকে না।
ধাপ ১: সাইন ইন করা অবস্থায় গুগল একাউন্ট ডিলিট পেজ খুলুন।
ধাপ ২: "Delete your account" অপশনে চাপুন।
ধাপ ৩: প্রয়োজনীয় নিশ্চিতকরণ বক্সে টিক দিয়ে "Delete Account" চাপুন।
ব্যবসার জন্য আলাদা ডোমেইন ইমেইল
ব্যক্তিগত কাজে সাধারণ জিমেইলই যথেষ্ট। তবে ব্যবসার জন্য নিজের ডোমেইন নামে ইমেইল (যেমন info@আপনার-ব্যবসা.com) ব্যবহার করলে গ্রাহকের কাছে প্রতিষ্ঠানকে আরও পেশাদার দেখায়। গুগল ওয়ার্কস্পেসের মতো সার্ভিসে এই সুবিধা পাওয়া যায়। এর ফি ও শর্ত গুগলের অফিসিয়াল পেজ থেকে যাচাই করে নিন।
ইমেইল একাউন্ট খোলার পর অনলাইন সেবা নেওয়া
ইমেইল একাউন্ট থাকলে অনলাইনের বিভিন্ন সেবার নিবন্ধন সহজ হয়। সরকারি পোর্টালে সাধারণত এনআইডি ও মোবাইল নম্বর লাগে, আর কিছু ক্ষেত্রে ইমেইল ঠিকানাও চাওয়া হতে পারে। জমি-সংক্রান্ত অনলাইন সেবা নিতে চাইলে এই গাইডগুলো কাজে আসবে:
- অনলাইনে জমির খাজনা দেওয়ার নিয়ম: ldtax.gov.bd নিবন্ধন ও পেমেন্ট
- ই-নামজারি: অনলাইনে জমি খারিজ বা মিউটেশন করার গাইড
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
নতুন জিমেইল একাউন্ট তৈরি করতে কি টাকা লাগে?
না। জিমেইল একাউন্ট খোলা বিনামূল্যে। গুগল একাউন্টে ১৫ জিবি পর্যন্ত স্টোরেজ বিনা খরচে পাওয়া যায়।
কম্পিউটারে জিমেইল একাউন্ট কীভাবে খুলবো?
ব্রাউজারে gmail.com খুলুন, "Create account" চাপুন, তারপর নাম, জন্মতারিখ, ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে ধাপগুলো শেষ করুন। বিস্তারিত ওপরের কম্পিউটারের নিয়ম অংশে আছে।
জিমেইল একাউন্ট খুলতে কি ফোন নম্বর লাগবে?
ধাপ ও পরিস্থিতিভেদে গুগল ফোন নম্বর চাইতে পারে। "Skip" অপশন থাকলে সেটি এড়িয়ে যাওয়া যায়, তবে পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বা একাউন্টে সমস্যা হলে ফোন নম্বর থাকলে একাউন্ট উদ্ধার সহজ হয়।
একটি ফোন নম্বর দিয়ে কয়টি একাউন্ট খোলা যায়?
গুগল এক ফোন নম্বর দিয়ে খোলা একাউন্টের সংখ্যা সীমিত রাখে এবং এই সীমা বদলাতে পারে। নির্দিষ্ট সংখ্যা নিশ্চিত হতে ভেরিফিকেশনের সময় গুগলের বার্তা দেখুন।
পছন্দের ইউজারনেম না পেলে কী করবো?
নামটি আগে থেকে কেউ নিয়ে থাকলে বা গুগল সংরক্ষিত রাখলে সেটি নেওয়া যায় না। নামের মাঝে ডট, পেশা বা এলাকার সংক্ষিপ্ত রূপ যোগ করে নতুন নাম চেষ্টা করুন।
পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কী করবো?
সাইন-ইন পেজে "Forgot password" চাপুন। রিকভারি ইমেইল বা ফোন নম্বর দিয়ে গুগলের নির্দেশনা অনুসরণ করে পাসওয়ার্ড রিসেট করুন।
এক ডিভাইসে কি একাধিক জিমেইল একাউন্ট রাখা যায়?
হ্যাঁ। জিমেইল অ্যাপ বা ব্রাউজারে প্রোফাইল আইকনে চেপে "Add another account" দিয়ে একাধিক একাউন্ট যোগ করা যায়।
গুগল একাউন্ট খুলতে কি জিমেইল ঠিকানা থাকতেই হবে?
না। অন্য কোনো ইমেইল ঠিকানা দিয়েও গুগল একাউন্ট খোলা যায়। বিস্তারিত এই অংশে দেখুন।
শিশুদের জন্য কি আলাদা একাউন্ট আছে?
গুগলের সহায়তা পেজ অনুযায়ী একাউন্ট খোলার সময় ব্যক্তিগত, শিশু ও ব্যবসা, এই ধরনগুলো থেকে বেছে নেওয়ার অপশন আছে। শিশুর একাউন্ট খোলার আগে গুগলের নির্দেশনা ভালো করে পড়ে নিন।
জিমেইল একাউন্ট ডিলিট করলে কি সব ডেটা চলে যায়?
একাউন্ট ডিলিট করলে ইমেইল, ড্রাইভের ফাইলসহ একাউন্টে সংরক্ষিত ডেটা হারাতে পারেন। ডিলিটের আগে প্রয়োজনীয় সবকিছুর ব্যাকআপ নিয়ে রাখুন।
শেষ কথা
নতুন জিমেইল একাউন্ট তৈরি একবার শিখে নিলে গুগলের বাকি সার্ভিস ব্যবহারও সহজ হয়ে যায়। একাউন্ট খুলে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিন, টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করুন এবং রিকভারির তথ্য হালনাগাদ রাখুন। কোনো ধাপে সমস্যা হলে নিচে মন্তব্যে জানান।
এই লেখা সাধারণ তথ্যের জন্য। গুগলের নিয়ম, ইন্টারফেস ও সীমা বদলাতে পারে, তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে অফিসিয়াল সূত্রে যাচাই করে নিন।
তথ্যসূত্র
- Google Account Help: Create a Google Account
- Google Account Help: How your Google storage works
এই লেখা সাধারণ তথ্যের জন্য। সরকারি নিয়ম, ফি ও সেবা বদলাতে পারে; স্বাস্থ্য বা আইনি বিষয়ে সিদ্ধান্তের আগে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা অফিসিয়াল সূত্রে যাচাই করে নিন।
কোন মন্তব্য নেই: