আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স (IRC ও ERC) করার নিয়ম ২০২৬: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, নবায়ন ও নতুন আমদানি নীতি
এই লেখাটি এক বছরের বেশি আগে হালনাগাদ হয়েছে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি বা অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে নিন।
বিদেশ থেকে পণ্য এনে দেশে বিক্রি করতে চাইলে আপনার লাগবে আমদানি নিবন্ধন সনদ (Import Registration Certificate, IRC)। আর দেশের পণ্য বিদেশে পাঠাতে চাইলে লাগবে রপ্তানি নিবন্ধন সনদ (Export Registration Certificate, ERC)। দুটি আলাদা সনদ; একটি দিয়ে অন্যটির কাজ হয় না। সনদ দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তর (CCI&E), আর আবেদন করতে হয় তাদের অনলাইন লাইসেন্সিং মডিউল (OLM) পোর্টালে[৩]।
এই লেখায় আইআরসি ও ইআরসির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, অনলাইনে আবেদনের ধাপ, নবায়নের নিয়ম এবং ২০২৬ সালের আগস্টে জারি হওয়া নতুন আমদানি নীতি আদেশের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো আছে। আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায় ঝুঁকিও আছে; মুনাফা নিশ্চিত নয়। শুরুর আগে নিজের পণ্য, বাজার ও খরচের হিসাব ভালো করে করুন।
- আবেদন ও নবায়ন করতে হয় OLM-এ: olm.ccie.gov.bd। প্রতিবার লগইনে মোবাইলে ওটিপি আসে[১]।
- ম্যানুয়াল চালান গ্রহণ করা হয় না; ফি ও ভ্যাট টি.আর. চালানের মাধ্যমে OLM-এ যুক্ত করতে হয়[১]।
- জরিমানা ছাড়া নবায়নে মেয়াদ শেষের ৬০ দিন আগে আবেদন করুন; নবায়নে হালনাগাদ আয়কর প্রত্যয়নপত্র বা রিটার্ন স্লিপ লাগে[১]।
- নতুন আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯ জারি হয়েছে (২৪ আগস্ট ২০২৬), যা ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর[৬]।
- "যেকোনো পণ্য আমদানি করা যায়" কথাটি ঠিক নয়। নিষিদ্ধ ও নিয়ন্ত্রিত পণ্যের তালিকা আছে[৫]।
IRC ও ERC কী? পার্থক্য কী?
| সনদ | কার জন্য |
|---|---|
| IRC (আমদানি) | বাণিজ্যিক বা শিল্প প্রতিষ্ঠান, যারা পণ্য আমদানি করবে। বাণিজ্যিক আইআরসি ও শিল্প আইআরসি আলাদা[২] |
| ERC (রপ্তানি) | যারা দেশের পণ্য বিদেশে রপ্তানি করবে[২] |
দুটি সনদের জন্য আবেদনের ধরন আলাদা, কিন্তু আবেদন করতে হয় একই OLM পোর্টালে। অনলাইনে লাইসেন্সিংয়ের ব্যাখ্যা আমাদের আলাদা গাইডে আছে: অনলাইনে আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স করবেন কিভাবে (OLM)।
আমদানি করতে কি কোনো অনুমতি লাগে না?
একটি প্রচলিত ভুল ধারণা হলো, আইআরসি থাকলে যেকোনো পণ্য যেকোনো পরিমাণে আমদানি করা যায়। বাস্তবে আইআরসি থাকলেও আমদানি নীতি আদেশের নিয়ম মানতে হয়। নতুন আদেশে ২৮ শ্রেণির পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ[৫]। এর বাইরে কিছু পণ্য নিয়ন্ত্রিত, অর্থাৎ শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আমদানি করা যায়[৫]। তাই কোনো পণ্য আমদানির আগে সেটি নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রিত কি না, আমদানি নীতি আদেশে মিলিয়ে দেখুন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নীতিমালার পাতায় আদেশের গেজেট আছে[৪]।
আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯: কী বদলেছে?
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০২৬ সালের ২৪ আগস্ট নতুন আমদানি নীতি আদেশের গেজেট প্রকাশ করেছে। আগের ২০২১-২০২৪ নীতির মেয়াদ ২০২৪ সালের ৩০ জুন শেষ হলেও নতুন আদেশ না আসা পর্যন্ত সেটি কার্যকর ছিল[৭]।
- নতুন আদেশ ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর[৬]।
- এলসির পাশাপাশি এখন মূল্যসীমা ছাড়াই ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির (সেলস বা পারচেজ কনট্রাক্ট) মাধ্যমে আমদানি করা যাবে। আগে রপ্তানিকারকের সঙ্গে চুক্তিতে বছরে সর্বোচ্চ ৫ লাখ ডলারের সীমা ছিল[৫][৭]।
- মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (ফ্রি ট্রেড জোন) ও সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস প্রতিষ্ঠার বিধান যুক্ত হয়েছে এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানি সহজ করা হয়েছে[৭]।
- আদেশটি পরে সংশোধিত হয়েছে; মন্ত্রণালয়ের তালিকায় "আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯ (সংশোধিত)" ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত দেখা যায়[৪]।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে রপ্তানি নীতি ২০২৪-২০২৭-এর গেজেট ১৫ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে[৪]।
আইআরসি ও ইআরসির জন্য কী কী কাগজপত্র লাগে?
দপ্তরের সিটিজেন চার্টার অনুযায়ী আমদানি নিবন্ধনের জন্য ট্রেড লাইসেন্স, চেম্বারের সনদ, টিন সনদ, ব্যাংক সচ্ছলতার সনদ এবং জাতীয় পরিচয়পত্র-সংক্রান্ত নথি লাগে। রেজিস্টার্ড অংশীদারি দলিল, মেমোরেন্ডাম ও আর্টিকেলস অব অ্যাসোসিয়েশন এবং ফর্ম XII-এর স্ক্যান কপি ওএলএমে আপলোড করতে হয়[২]। সাধারণত যা লাগে:
১. জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি
মালিকের জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি ও পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি। এনআইডি-সংক্রান্ত সমস্যায় পড়ুন এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করার নিয়ম।
২. ট্রেড লাইসেন্স
ব্যবসার বৈধ অনুমতিপত্র। ট্রেড লাইসেন্সের ঠিকানা ও ব্যবসার ধরন বাকি নথির সঙ্গে মিলতে হবে। ট্রেড লাইসেন্স হয় সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে। অনলাইনে করার নিয়ম: ই-ট্রেড লাইসেন্স কিভাবে করবেন।
৩. ব্যাংক সচ্ছলতার সনদ
ব্যবসার নামে ব্যাংক হিসাব খুলে ব্যাংক থেকে সচ্ছলতার সনদ নিতে হয়। হিসাব ও ট্রেড লাইসেন্সে প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা একই রাখুন, নইলে নথি আটকে যেতে পারে।
৪. টিন সনদ
আয়কর নিবন্ধন বা টিন সনদ লাগে। নবায়নের সময় শুধু টিন নয়, হালনাগাদ আয়কর প্রত্যয়নপত্র বা রিটার্ন স্লিপও জমা দিতে হয়[১]। টিন করার ধাপ: ই-টিন (e-TIN) সার্টিফিকেট করার নিয়ম।
৫. চেম্বার বা ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের সনদ
স্বীকৃত চেম্বার অব কমার্স বা ব্যবসায়ী সংগঠনের সদস্যতা সনদ লাগে[২]।
৬. ভ্যাট নিবন্ধন (BIN)
আবেদনের ধরন ও প্রতিষ্ঠান অনুযায়ী ভ্যাট নিবন্ধন লাগতে পারে। OLM-এর আবেদন ফর্মে লাল তারকা চিহ্নিত বাধ্যতামূলক নথির তালিকা দেখে নিন[১]। BIN করার ধাপ: অনলাইনে ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন বা BIN।
৭. লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে
ব্যবস্থাপনা পরিচালকের ছবি ও এনআইডি, RJSC-র অনুমোদিত মেমোরেন্ডাম ও আর্টিকেলস অব অ্যাসোসিয়েশন, ইনকর্পোরেশন সনদ এবং ফর্ম XII[২]।
নথি আপলোডের নিয়ম
OLM-এর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি ফাইল সর্বোচ্চ ২ এমবি হতে হবে, JPG বা PDF ফরম্যাটে সংরক্ষণ করতে হবে এবং স্ক্যান করতে হবে ডিপিআই ১০০, গ্রেস্কেলে[১]।
অনলাইনে আইআরসি ও ইআরসির আবেদন (সংক্ষেপে)
- olm.ccie.gov.bd-এ "New Account/ID" থেকে অ্যাকাউন্ট খুলুন। এতে ইমেইল ও মোবাইল নম্বর লাগে। প্রতিবার লগইনের সময় নিরাপত্তার জন্য প্রোফাইলের মোবাইল নম্বরে ওটিপি আসে[১]।
- লগইন করে আবেদন ফর্মের সব বাধ্যতামূলক ঘর (লাল তারকা চিহ্নিত) পূরণ করুন এবং বাধ্যতামূলক নথি আপলোড করুন[১]।
- অঞ্চল অনুযায়ী সঠিক আঞ্চলিক অফিস নির্বাচন করুন[১]।
- ফি ও ভ্যাট টি.আর. চালানের মাধ্যমে OLM-এ যুক্ত করুন। ম্যানুয়াল চালান গ্রহণ করা হয় না[১]।
- "Undertaking"-এ টিক দিয়ে "Save and Submit"-এ আবেদন জমা দিন। পরে খসড়া হিসেবে রাখতে চাইলে "Save as Draft" ব্যবহার করতে পারেন[১]।
নতুন সমন্বিত পোর্টাল "বাংলাবিজ"
OLM-এর লগইন পাতায় জানানো হয়েছে, ব্যবসায়িক লাইসেন্স ও পারমিটের জন্য একটি নতুন সমন্বিত পোর্টাল "বাংলাবিজ" (banglabiz.gov.bd) এখন কার্যকর[১]। আইআরসি ও ইআরসির আবেদন এখন কোন পোর্টালে করতে হবে, তা সবসময় OLM-এর সর্বশেষ নোটিশে দেখে নিন।
আমদানি ও রপ্তানি লাইসেন্সের ফি
ফি আমদানির সীমা ও সনদের ধরনের ওপর নির্ভর করে। দপ্তরের অফিসিয়াল তথ্যাবলির পাতা অনুযায়ী বিভিন্ন সেবার নতুন ফি ২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে এবং সনদের ফির ওপর ভ্যাট প্রদানের জন্য আলাদা কোড আছে[৮]। তৃতীয় পক্ষের বিভিন্ন গাইডে ফির অংক পরস্পরবিরোধী, তাই আমরা নির্দিষ্ট অংক এখানে দিইনি। সঠিক ও হালনাগাদ ফি দেখুন দপ্তরের নিবন্ধন ও নবায়ন সংক্রান্ত সাধারণ তথ্যাবলি পাতায় (সেখানে ফির বিজ্ঞপ্তি ডাউনলোড করা যায়)।
আইআরসি ও ইআরসি নবায়নের নিয়ম
OLM-এর অফিসিয়াল নোটিশ অনুযায়ী[১]:
- আগেভাগে আবেদন: জরিমানা ছাড়া নবায়নের জন্য মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০ দিন আগে আবেদন করুন।
- মেয়াদ: ১ থেকে ৫ বছরের মধ্যে যেকোনো পূর্ণ মেয়াদে নবায়ন করা যায়।
- আয়কর প্রমাণ: হালনাগাদ আয়কর প্রত্যয়নপত্র বা রিটার্ন স্লিপ দাখিল করতে হয়। একটি নোটিশে ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের রিটার্নের কথা বলা আছে; সেটি অনলাইনে যাচাই করে সঠিক পাওয়া গেলে নবায়ন সম্পন্ন হয়।
- আমদানি সীমা: চলতি অর্থবছরে নবায়ন সম্পন্ন হলেই শুধু আমদানি সীমা কমানো বা বাড়ানো যাবে।
- চালান: ম্যানুয়াল চালান গ্রহণ করা হয় না।
জরিমানার পরিমাণ ও নির্দিষ্ট শর্ত জানতে দপ্তরের নবায়ন-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি দেখুন। নবায়ন সময়মতো না করলে ব্যাংকে এলসি খোলাসহ ব্যবসার কাজে সমস্যা হতে পারে, তাই দেরি করবেন না।
সনদ যাচাই ও সহায়তা
OLM-এ "Certificate Verification" অপশনে সনদ যাচাই করা যায়[১]। দপ্তরের প্রধান কার্যালয় ঢাকায়; এছাড়া বিভিন্ন বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে আঞ্চলিক অফিস আছে[৩]। যোগাযোগ: ফোন ০২-৪১০৫০৫২২, ইমেইল [email protected], ওয়েবসাইট ccie.gov.bd[১]।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
১. আইআরসি ও ইআরসি কী?
আইআরসি (Import Registration Certificate) আমদানির জন্য এবং ইআরসি (Export Registration Certificate) রপ্তানির জন্য নিবন্ধন সনদ। দুটি আলাদা সনদ।
২. আইআরসি থাকলে কি যেকোনো পণ্য আমদানি করা যায়?
না। আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯ অনুযায়ী ২৮ শ্রেণির পণ্য নিষিদ্ধ এবং কিছু পণ্য শর্তসাপেক্ষে (নিয়ন্ত্রিত) আমদানিযোগ্য।
৩. কোথায় আবেদন করব?
আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের অনলাইন লাইসেন্সিং মডিউল (OLM): olm.ccie.gov.bd। ব্যবসায়িক লাইসেন্সের জন্য নতুন "বাংলাবিজ" পোর্টালও চালু হয়েছে; OLM-এর সর্বশেষ নোটিশ দেখে নিন।
৪. ফি কীভাবে জমা দিতে হয়?
ফি ও ভ্যাট টি.আর. চালানের মাধ্যমে OLM-এ যুক্ত করতে হয়। ম্যানুয়াল চালান গ্রহণ করা হয় না।
৫. কবে নবায়ন করতে হবে?
জরিমানা এড়াতে মেয়াদ শেষের ৬০ দিন আগে আবেদন করুন। নবায়নে হালনাগাদ আয়কর প্রত্যয়নপত্র বা রিটার্ন স্লিপ লাগে।
৬. কতদিনের জন্য নবায়ন করা যায়?
১ থেকে ৫ বছরের মধ্যে যেকোনো পূর্ণ মেয়াদে নবায়ন করা যায়।
৭. নতুন আমদানি নীতি কত দিন কার্যকর?
আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯ ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর। এটি পরে সংশোধিতও হয়েছে, তাই হালনাগাদ গেজেট দেখুন।
আরও পড়ুন
- অনলাইনে আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স (OLM) করবেন কিভাবে
- ই-ট্রেড লাইসেন্স কিভাবে করবেন
- ই-টিন (e-TIN) সার্টিফিকেট করার নিয়ম
- অনলাইনে ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন বা BIN
- এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করার নিয়ম
তথ্যসূত্র
- আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তর, অনলাইন লাইসেন্সিং মডিউল (OLM), লগইন পাতার অফিসিয়াল নোটিশ ও নির্দেশিকা। olm.ccie.gov.bd/login
- সিটিজেন চার্টার, আমদানি ও রপ্তানি সহকারী নিয়ন্ত্রকের দপ্তর, নওগাঁ (আইআরসি, ইআরসি ও শিল্প আইআরসির প্রয়োজনীয় নথি; olm.ccie.gov.bd-এ আবেদন)। acie.naogaon.gov.bd
- আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তর (CCI&E), অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। ccie.gov.bd
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, নীতিমালা পাতা (আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯, ২৫ আগস্ট ২০২৬; সংশোধিত, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬; রপ্তানি নীতি ২০২৪-২০২৭, ১৫ অক্টোবর ২০২৪)। mincom.gov.bd
- রপ্তানিকারকের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে যেকোনো পরিমাণ পণ্য আমদানি করা যাবে, প্রথম আলো (নিষিদ্ধ ২৮ শ্রেণি, নিয়ন্ত্রিত পণ্য, ৫ লাখ ডলারের সীমা তুলে দেওয়া)। prothomalo.com
- আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯ জারি: আমদানিতে নিয়ন্ত্রণের বদলে ছাড়, আজকের পত্রিকা (কার্যকর ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত)। ajkerpatrika.com
- এলসির বাইরে মূল্যসীমা ছাড়াই পণ্য আমদানির সুযোগ, বদলে গেল আমদানি নীতির কাঠামো, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড বাংলা (২৪ আগস্ট ২০২৬ গেজেট)। tbsnews.net
- আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তর, নিবন্ধন ও নবায়ন সংক্রান্ত সাধারণ তথ্যাবলি (১ সেপ্টেম্বর ২০২২ থেকে কার্যকর ফি; ফি ও ভ্যাটের কোড)। ccie.gov.bd
এই লেখা সাধারণ তথ্যের জন্য। সরকারি নিয়ম, ফি ও সেবা বদলাতে পারে; স্বাস্থ্য বা আইনি বিষয়ে সিদ্ধান্তের আগে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা অফিসিয়াল সূত্রে যাচাই করে নিন।

কোন মন্তব্য নেই: