ক্যারিয়ারের প্রস্তুতি কখন শুরু করা উচিত?
এই লেখাটি এক বছরের বেশি আগে হালনাগাদ হয়েছে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি বা অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে নিন।
আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষ আনুষ্ঠানিক শিক্ষা শেষ না করে ক্যারিয়ারের প্রস্তুতি শুরু করেন না। কিন্তু আজকের প্রতিযোগিতামূলক বাজারে নিজেকে নিয়োগকারীদের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু দক্ষতা সময়সাপেক্ষ। এ কারণে এখন অনেকেই সচেতন হয়েছেন। তাই আপনিও এই বিষয়ে আপডেট থাকুন। আজকের ইনফোটিতে আমরা আলোচনা করবো “ ক্যারিয়ারের প্রস্তুতি কখন শুরু করা উচিত?”
ক্যারিয়ারের প্রস্তুতি কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
ক্যারিয়ার বাছাই করা বেশ কঠিন কাজ। নিজের পছন্দ-অপছন্দ, দক্ষতা ও যোগ্যতা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এ কারণে সময় নিয়ে ক্যারিয়ারের প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। অন্যথায় আপনাকে পরে চাকরি পরিবর্তন করতে হতে পারে।
ক্যারিয়ারের প্রস্তুতি কখন নেবেন?
মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক স্তর থেকে একজনের পছন্দের বিষয় বা আগ্রহের পেশা এবং তার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে ভাবতে হবে। এক্ষেত্রে খুব বেশি সচেতনতার প্রয়োজন নেই। শুধু স্বার্থের প্রতি মনোযোগ দেওয়াই যথেষ্ট। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি আইন, দর্শন, ভাষা বা সাহিত্যের মতো বিষয়ে পড়াশোনা করে ভবিষ্যতে ক্যারিয়ার গড়তে চান তবে এই পর্যায়ে মানবিক বিষয়ে পড়াশোনা করা ভাল। একইভাবে, আপনি যদি একজন ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হতে চান তবে আপনাকে মাধ্যমিকে বিজ্ঞান নিতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর সম্পর্কে একটু সচেতন হলে ভর্তি পরীক্ষা অনেক সহজ হতে পারে। আপনি যদি এই প্রশ্নগুলি মাথায় রেখে পড়াশোনা করেন তবে আপনি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ভালভাবে মনোনিবেশ করতে সক্ষম হবেন।
এমনকি আপনি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসেন, তখন আপনি আপনার কর্মজীবনকে নতুন উপায়ে গণনা করতে পারেন। এটি সামাজিকভাবে প্রচলিত ধারণার কারণে। আমরা অনেকেই ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী, অর্থনীতিবিদ বা শিক্ষক ছাড়া অন্য পেশা সম্পর্কে জানি না। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ এই ধারণা পরিবর্তন করতে পারে।
বর্তমান সময়ে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার ক্লাব এবং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনে প্রচুর কর্মজীবনের তথ্য পাওয়া যায়।
একটু গবেষণা করেন, আপনি কীভাবে আপনার পড়াশোনায় ক্যারিয়ার গড়বেন সে সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করুন।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকতেই সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করা ভালো। উচ্চ শিক্ষার জন্য বিভিন্ন পরীক্ষার (GMAT, GRE, IELTS, TOEFL) জন্য নিজেকে প্রস্তুত করাও সম্ভব।
আরো জানুন:
ঘরে বসে কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করবেন কিভাবে?
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বা বিসিএস ক্যাডার কি?
ক্যারিয়ার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ৫ টি টিপস
মূল কথা হল ক্যারিয়ারের প্রস্তুতির জন্য কোন আদর্শ সময় নেই। তবে আপনি যদি স্কুল-কলেজ থেকেই কোনো পেশার প্রতি আগ্রহী হয়ে থাকেন, সেই পেশা গ্রহণের জন্য কী ধরনের শিক্ষাগত যোগ্যতা বা বিশেষ প্রশিক্ষণের প্রয়োজন- এই সাধারণ বিষয়গুলো জানার চেষ্টা করলে আপনি সহজেই ক্যারিয়ারের ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
এই লেখা সাধারণ তথ্যের জন্য। সরকারি নিয়ম, ফি ও সেবা বদলাতে পারে; স্বাস্থ্য বা আইনি বিষয়ে সিদ্ধান্তের আগে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা অফিসিয়াল সূত্রে যাচাই করে নিন।
কোন মন্তব্য নেই: