Home BD Infoনাগরিক সেবা, ব্যাংকিং ও প্রযুক্তির বাংলা গাইড

বাংলাদেশে কত ধরনের ব্যবসা আছে? মালিকানা অনুযায়ী ব্যবসার ধরন, ট্রেড লাইসেন্সের ক্যাটাগরি ও ই-কমার্স

নতুন করে ব্যবসা শুরু করতে চাইলে প্রথম প্রশ্ন আসে, আমার ব্যবসাটি কোন ধরনের হবে? বাংলাদেশে ব্যবসাকে সাধারণত মালিকানার ধরন, কাজের প্রকৃতি ও আকার অনুযায়ী ভাগ করা হয়। আর ব্যবসা চালাতে আপনার লাগবে সঠিক নিবন্ধন ও লাইসেন্স, যার মধ্যে প্রথমটি হলো ট্রেড লাইসেন্স।

এই লেখায় মালিকানা অনুযায়ী ব্যবসার ধরন, প্রতিটির বৈশিষ্ট্য, ট্রেড লাইসেন্সের ক্যাটাগরি ও ফি কোথায় দেখবেন এবং ই-কমার্স ব্যবসার বর্তমান নিয়ম সহজ ভাষায় দেওয়া হয়েছে। সূত্র লেখার শেষে আছে। ব্যবসায় ঝুঁকি আছে, মুনাফার কোনো নিশ্চয়তা নেই।

বাংলাদেশে কত ধরনের ব্যবসা আছে? মালিকানা অনুযায়ী ব্যবসার ধরন, ট্রেড লাইসেন্সের ক্যাটাগরি ও ই-কমার্স

সর্বশেষ হালনাগাদ: ২১ অক্টোবর ২০২৬

সংক্ষেপে মূল কথা
  • মালিকানা অনুযায়ী ব্যবসা প্রধানত: একক মালিকানা, অংশীদারি, লিমিটেড কোম্পানি এবং ২০২০ সালে আইনে যুক্ত হওয়া একক ব্যক্তি কোম্পানি (OPC)[৫]।
  • ট্রেড লাইসেন্স দেয় স্থানীয় সরকার: সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ[৩]।
  • লাইসেন্সের ফি ও ব্যবসার ক্যাটাগরি স্থানীয় সরকারের আদর্শ কর তফসিল অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। সিটি করপোরেশনের জন্য আছে "সিটি কর্পোরেশন আদর্শ কর তফসিল, ২০১৬"[১]।
  • কোম্পানি ও অংশীদারি ফার্ম নিবন্ধন করে আরজেএসসি (RJSC)[৪]।
  • ই-কমার্স এখন "ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ২০২১"-এর আওতায়[৬]।

ব্যবসার ধরন কীভাবে ভাগ করা হয়?

  • মালিকানা অনুযায়ী: একক মালিকানা, অংশীদারি, কোম্পানি।
  • কাজের প্রকৃতি অনুযায়ী: পণ্য উৎপাদন (শিল্প), পণ্য কেনাবেচা (ব্যবসা বা ট্রেডিং), সেবা প্রদান, আমদানি-রপ্তানি ইত্যাদি।
  • আকার অনুযায়ী: ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় ব্যবসা। আকারের ওপর ট্রেড লাইসেন্সের ফি নির্ধারিত হয়[৩]।

মালিকানা অনুযায়ী ব্যবসার ধরন

ধরনমালিকঝুঁকি ও দায়কোথায় নিবন্ধন
একক মালিকানা (Proprietorship)একজনমালিক একাই সব ঝুঁকি বহন করেন ও সব মুনাফা পানট্রেড লাইসেন্স (স্থানীয় সরকার)
অংশীদারি (Partnership)একাধিক জনঅংশীদাররা সাধারণত ব্যবসার দায় ভাগ করে নেন; চুক্তিপত্র জরুরিট্রেড লাইসেন্স; অংশীদারি ফার্ম আরজেএসসিতেও নিবন্ধিত হতে পারে[৪]
প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিএকাধিক শেয়ারহোল্ডারবিনিয়োগকৃত শেয়ারের অঙ্ক পর্যন্ত দায়আরজেএসসি
পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিঅনেক শেয়ারহোল্ডারশেয়ারের অঙ্ক পর্যন্ত দায়আরজেএসসি
একক ব্যক্তি কোম্পানি (OPC)একজন ব্যক্তিকোম্পানির মতো সীমিত দায়; শেয়ারহোল্ডার শুধু প্রাকৃতিক ব্যক্তি[৫]আরজেএসসি

একক মালিকানাধীন ব্যবসা (Proprietorship)

যে ব্যবসার মালিক শুধু একজন, তাকে একক মালিকানাধীন ব্যবসা বলে। মূলধন জোগাড়, পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ, সব ঝুঁকি ও সব মুনাফা মালিকেরই। বাংলাদেশে ছোট দোকান, রেস্টুরেন্ট বা সেবাভিত্তিক ব্যবসায় এই ধরনটি বেশি দেখা যায়। শুরু করা সহজ হলেও ব্যবসার ক্ষতির দায় সাধারণত মালিককেই নিতে হয়।

অংশীদারি ব্যবসা (Partnership)

দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে যে ব্যবসা করেন, তাকে অংশীদারি ব্যবসা বলে। একজনের একার পক্ষে মূলধন জোগাড় সম্ভব না হলে কয়েকজন মিলে মূলধন দিয়ে ব্যবসা চালান। অংশীদারদের মধ্যে মুনাফা-লোকসানের ভাগ, দায়িত্ব ও কাজের বিভাজন লিখিত চুক্তিপত্রে স্পষ্ট করে রাখা ভালো। আরজেএসসি অংশীদারি ফার্মের নিবন্ধনও দেয়[৪]।

লিমিটেড কোম্পানি (Limited Company)

শেয়ারের মাধ্যমে দায় সীমিত রেখে গঠিত ব্যবসায়িক সংগঠনকে লিমিটেড কোম্পানি বলে। যে শেয়ারহোল্ডার যত টাকা বিনিয়োগ করেন, তিনি সেই অঙ্ক পর্যন্ত দায়বদ্ধ থাকেন। মুনাফা হলে শেয়ার অনুযায়ী ভাগ হয়, লোকসান হলে সেই অনুযায়ী বহন করতে হয়। লিমিটেড কোম্পানি দুই ধরনের: প্রাইভেট লিমিটেড ও পাবলিক লিমিটেড।

কোম্পানি নিবন্ধনের ধাপ, নামের ছাড়পত্র ও আরজেএসসি পোর্টাল নিয়ে বিস্তারিত পড়ুন: RJSC কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন ২০২৬: নাম ছাড়পত্র থেকে নিবন্ধন সনদ পর্যন্ত গাইড। আরজেএসসির অফিসিয়াল নিয়ম অনুযায়ী নতুন প্রতিষ্ঠানের নামের ছাড়পত্র আগে নিতে হয় (প্রাইভেট কোম্পানি, বিদেশি কোম্পানি ও অংশীদারি প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য নয়); ছাড়পত্র ৩০ দিন বহাল থাকে[৭]।

একক ব্যক্তি কোম্পানি (One Person Company, OPC)

২০২০ সালের নভেম্বরে কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে একক ব্যক্তি কোম্পানির ধারণা যুক্ত হয়[৮]। এতে একজন প্রাকৃতিক ব্যক্তিই কোম্পানির একমাত্র শেয়ারহোল্ডার হতে পারেন; কোম্পানির নামের শেষে "OPC" লিখতে হয় এবং একজন ব্যক্তি একটি মাত্র OPC গঠন করতে পারেন[৫]। এর নিবন্ধন ২০২১ সালের ২৩ মে থেকে শুরু হয়েছে বলে একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে[৫]। মূলধন, শর্ত ও প্রক্রিয়া আরজেএসসির হালনাগাদ নির্দেশনা দেখে নিন।

ট্রেড লাইসেন্স ও ব্যবসার ক্যাটাগরি

ট্রেড লাইসেন্স হলো ব্যবসা করার স্থানীয় অনুমতিপত্র। এটি দেয় ব্যবসার এলাকার স্থানীয় সরকার: সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ বা জেলা-উপজেলা পরিষদ[৩]। ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে বা ই-ট্রেড লাইসেন্স পোর্টালে আবেদন করুন না কেন, আবেদনের আগে আপনার ব্যবসার সঠিক ক্যাটাগরি বেছে নিতে হবে। ধাপে ধাপে নিয়ম পড়ুন: ট্রেড লাইসেন্স কী ও কোথায় কীভাবে নিতে হয়।

ফি ও ক্যাটাগরি কোথায় দেখবেন

ব্যবসার ক্যাটাগরি ও ব্যবসার আকারের ওপর ফি নির্ধারিত হয়। সিটি করপোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স ফি "সিটি কর্পোরেশন আদর্শ কর তফসিল, ২০১৬"-এর বিধান অনুযায়ী নির্ধারিত[৩], যা স্থানীয় সরকার বিভাগের ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়[১]। ইউনিয়ন পরিষদের জন্য আলাদা আদর্শ কর তফসিল আছে[২]। তাই একই ব্যবসার ক্যাটাগরি ও ফি আপনার এলাকার স্থানীয় সরকারভেদে ভিন্ন হতে পারে। সঠিক তালিকা ও ফি আপনার সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদের কর তফসিলে দেখে নিন।

নোট: আমাদের আগের সংস্করণে ২০১৬ সালের একটি গেজেটে নির্দিষ্ট সংখ্যক ব্যবসার ক্যাটাগরির কথা বলা ছিল। এই সংখ্যাটি আমরা অফিসিয়াল সূত্রে যাচাই করতে পারিনি। তাই এখানে দিইনি। ক্যাটাগরির সংখ্যা ও তালিকা স্থানীয় সরকারের সর্বশেষ কর তফসিলে দেখুন।

লাইসেন্সের সময় যা মনে রাখবেন

  • ট্রেড লাইসেন্সে ব্যবসার ধরন ও ঠিকানা সঠিক লিখুন; ব্যাংক হিসাব ও অন্যান্য নথির সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
  • কিছু ধরনের ব্যবসার অফিস বাণিজ্যিক ভবনে না হলে সিটি করপোরেশনে ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হয় না বলে একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে[৩]।
  • ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ফায়ার লাইসেন্স বা অন্য ছাড়পত্র লাগতে পারে। দেখুন ই-ফায়ার লাইসেন্স ও এনওসি সনদ।
  • পেশাগত কাজের জন্য আলাদা লাইসেন্স লাগতে পারে: কোন কাজ করলে নিজের পেশার জন্য লাইসেন্স নিতে হবে।

ই-কমার্স ব্যবসা: এখন আইনি কাঠামো আছে

আগের সংস্করণে বলা হয়েছিল, ই-কমার্স বাংলাদেশে আইনিভাবে ব্যবসার ক্যাটাগরিতে স্থান পায়নি। এটি এখন আর সঠিক নয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০২১ সালের ৪ জুলাই "ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ২০২১" জারি করেছে[৬]। নির্দেশিকা অনুযায়ী:

  • ই-কমার্সের মাধ্যমে মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম), জুয়া ও লটারি ব্যবসা করা যাবে না[৬]।
  • বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া ডিজিটাল মাধ্যমে কোনো অর্থ-সংক্রান্ত ব্যবসা পরিচালনা করা যাবে না[৯]।
  • ডিজিটাল কমার্স পরিচালনাকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট নিবন্ধন, টিআইএন, ইউবিআইডি বা পিআরএ-এর মতো পরিচয়/নিবন্ধন নিতে বলা হয়েছে[৯]।
  • নির্দেশিকা না মানলে ট্রেড লাইসেন্স, কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন ও ভ্যাট নিবন্ধন বাতিলসহ ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে[৬]।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০২২ সালের ২৯ জুন "ডিজিটাল বিজনেস আইডেনটিটি (ডিবিআইডি) নিবন্ধন" নির্দেশিকাও জারি করেছে। ট্রেড লাইসেন্স, আরজেএসসি নিবন্ধন, টিআইএন বা ভ্যাট নিবন্ধন নেই এমন অতিক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা এনআইডি দিয়ে এই নিবন্ধনের আবেদন করতে পারবেন বলে একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে[১০]। ডিবিআইডি বা এর পরের নিবন্ধন-ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থা আমরা যাচাই করতে পারিনি, তাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ নির্দেশনা দেখুন।

ই-কমার্স ও অনলাইন ব্যবসা শুরুর প্রস্তুতি নিয়ে পড়ুন: ই-কমার্স কী ও কীভাবে একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করবেন এবং কীভাবে একটি অনলাইন খাদ্য ব্যবসা শুরু করবেন।

ব্যবসা শুরুর আগে চেকলিস্ট

  1. ব্যবসার ধরন ঠিক করুন: একা করবেন, অংশীদার নিয়ে, নাকি কোম্পানি হিসেবে। মূলধন, ঝুঁকি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নিন।
  2. নাম ঠিক করুন ও নিবন্ধন করুন: কোম্পানি বা অংশীদারি ফার্ম হলে আরজেএসসিতে; একক মালিকানা হলে সরাসরি ট্রেড লাইসেন্স।
  3. ট্রেড লাইসেন্স নিন: সঠিক ক্যাটাগরি বেছে স্থানীয় সরকারের কাছে আবেদন করুন।
  4. টিন নিন: ই-টিন (e-TIN) সার্টিফিকেট করার নিয়ম।
  5. ভ্যাট নিবন্ধন লাগবে কি না যাচাই করুন: অনলাইনে ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন বা BIN।
  6. ব্যবসার নামে ব্যাংক হিসাব খুলুন, যা পরবর্তী লাইসেন্স ও লেনদেনে কাজে লাগবে।
  7. আমদানি-রপ্তানি করতে চাইলে: আইআরসি বা ইআরসি লাগবে। দেখুন আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স (IRC ও ERC) করার নিয়ম ২০২৬, OLM অনলাইন লাইসেন্সিং মডিউল এবং এলসি কী ও কীভাবে করবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. বাংলাদেশে মালিকানা অনুযায়ী কত ধরনের ব্যবসা আছে?

প্রধানত চার-পাঁচ ধরনের: একক মালিকানা, অংশীদারি, প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি, পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি এবং ২০২০ সালে যুক্ত হওয়া একক ব্যক্তি কোম্পানি (OPC)।

২. ট্রেড লাইসেন্স কোথা থেকে নিতে হয়?

আপনার ব্যবসার এলাকার স্থানীয় সরকার থেকে: সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ।

৩. ট্রেড লাইসেন্সের ফি কীভাবে নির্ধারিত হয়?

ব্যবসার ক্যাটাগরি ও আকারের ওপর ভিত্তি করে। সিটি করপোরেশনের ক্ষেত্রে সিটি কর্পোরেশন আদর্শ কর তফসিল, ২০১৬ অনুযায়ী। ইউনিয়ন পরিষদের জন্য আলাদা তফসিল আছে। নির্দিষ্ট ফি আপনার স্থানীয় সরকারের তফসিলে দেখুন।

৪. কোম্পানি আর অংশীদারি ফার্ম কোথায় নিবন্ধন করতে হয়?

যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরে (আরজেএসসি)। একক মালিকানার ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্সই সাধারণ নিবন্ধন।

৫. একক ব্যক্তি কোম্পানি (OPC) কী?

এমন কোম্পানি, যার একমাত্র শেয়ারহোল্ডার একজন প্রাকৃতিক ব্যক্তি। ২০২০ সালের সংশোধনীতে এটি আইনে যুক্ত হয়। নামের শেষে OPC লিখতে হয় এবং একজন ব্যক্তি একটি OPC গঠন করতে পারেন।

৬. ই-কমার্স ব্যবসায় কি ট্রেড লাইসেন্স লাগে?

ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ২০২১ অনুযায়ী ডিজিটাল কমার্স পরিচালনাকারীদের ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট নিবন্ধন, টিআইএন, ইউবিআইডি বা পিআরএ-এর মতো নিবন্ধন নিতে বলা হয়েছে। বর্তমান নিয়ম বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে দেখে নিন।

৭. ই-কমার্সের মাধ্যমে কি এমএলএম বা জুয়ার ব্যবসা করা যায়?

না। নির্দেশিকা অনুযায়ী ই-কমার্সের মাধ্যমে এমএলএম, জুয়া ও লটারি ব্যবসা করা যাবে না।

আরও পড়ুন

দাবিত্যাগ: এই লেখা সাধারণ তথ্যের জন্য, আইনি, কর বা ব্যবসায়িক পরামর্শ নয়। আইন, বিধি, ফি ও নিবন্ধনের নিয়ম বদলাতে পারে। ব্যবসা শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার, আরজেএসসি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং প্রয়োজনে একজন আইনজীবী বা পরামর্শকের কাছ থেকে নিশ্চিত হয়ে নিন। ব্যবসায় লোকসানের ঝুঁকি আছে, আয়ের নিশ্চয়তা নেই।

তথ্যসূত্র

  1. স্থানীয় সরকার বিভাগ, সিটি কর্পোরেশন আদর্শ কর তফসিল, ২০১৬ (আইন ও বিধিমালা পাতা)। lgd.gov.bd
  2. স্থানীয় সরকার বিভাগ, ইউনিয়ন পরিষদ-সংক্রান্ত নথি (ইউনিয়ন পরিষদ আদর্শ কর তফসিল ও ট্রেড লাইসেন্স পরিপত্র)। lgd.gov.bd
  3. ট্রেড লাইসেন্স করতে কী কী লাগে, খরচ কত, এনটিভি। ntvbd.com
  4. যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (আরজেএসসি), নামের ছাড়পত্র ও নিবন্ধন-সংক্রান্ত পাতা। roc.gov.bd
  5. OPC: A safe avenue for entrepreneurs, The Daily Observer। observerbd.com
  6. ভোক্তার স্বার্থ রক্ষায় যা আছে ডিজিটাল কমার্স নির্দেশিকায়, জাগো নিউজ। jagonews24.com
  7. আরজেএসসি, নামের ছাড়পত্র। roc.gov.bd
  8. One Person Company and paybacks of small entrepreneurs, The Financial Express। thefinancialexpress.com.bd
  9. ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ২০২১ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, দৈনিক অর্থনীতি। dainikorthoniti.com
  10. নিবন্ধন ছাড়া অনলাইনে ব্যবসা নয়, আমার সংবাদ। amarsangbad.com

এই লেখা সাধারণ তথ্যের জন্য। সরকারি নিয়ম, ফি ও সেবা বদলাতে পারে; স্বাস্থ্য বা আইনি বিষয়ে সিদ্ধান্তের আগে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা অফিসিয়াল সূত্রে যাচাই করে নিন।

কোন মন্তব্য নেই:

Blogger দ্বারা পরিচালিত.