ই পাসপোর্ট www.epassport.gov.bd: ই-পাসপোর্ট (Epassport) অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ইনফো

ই পাসপোর্ট (epassport) : ই পাসপোর্ট কি? অনলাইনে কিভাবে আবেদন করা হয়? আবেদন করতে কি কি লাগবে? ই পাসপোর্ট করার নিয়ম কি?  পাসপোর্টের তথ্য যাচাই করার নিয়ম কি? ই-পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম কি?  ই পাসপোর্ট ফরম pdf ডাউনলোড করব কিভাবে? ই-পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে? কত দিনে ই-পাসপোর্ট হাতে পাওয়া যায় ইত্যাদি নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আজকের ইনফো শেয়ার করা হলো।

ই পাসপোর্ট www.epassport.gov.bd : ই-পাসপোর্ট (Epassport) অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ইনফো
ছবি: ই পাসপোর্ট ওয়েবসাইট থেকে নেয়া

ই পাসপোর্ট (epassport) কি?

ই-পাসপোর্ট প্রচলিত পাসপোর্ট থেকে ভিন্ন রকম। এটি জালিয়াতি করা কঠিন। প্রায় দেশগুলো এখন ই পাসপোর্ট সেবা চালু করছে। ই-পাসপোর্ট হচ্ছে একটি বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট যাতে একটি ইলেট্রনিক মাইক্রোপ্রসেসর চিপ এমবেডেড করা থাকে। ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর ই-পাসপোর্টের তথ্য প্রকাশ করেছে। নিচের ছবিটি  ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর থেকে নেয়া হয়েছে।

ই পাসপোর্ট কি?

ই-পাসপোর্টে থাকা ইলেকট্রিক মাইক্রোপ্রসেসরের মধ্যে পাসপোর্টধারীর বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষিত থাকে । পাসপোর্টধারীকে সনাক্ত করার জন্য চিপের তথ্য ব্যবহার করা হয়। 

আবেদন ফরম পূরণ করার নির্দেশনা

পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার পূর্বে আপনাকে নির্দেশনা ভাল করে পড়ে নেওয়া উচিৎ। কেননা কোন ভুল কিংবা তথ্য না জানার ফলে হয়রানির স্বীকার হতে পারেন আপনি। বর্তমানে ই-পাসপোর্ট আবেদন করার জন্য অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ কিংবা অনলাইন থেকে পিডিএফ (PDF) আবেদন ফরম ডাউনলোড করে আবেদন করতে পারবেন।

নির্দেশনা অনুযায়ী ই-পাসপোর্ট আবেদন করার ক্ষেত্রে কোন কাগজপত্র সত্যায়িত করার প্রয়োজন হবে না। এমনকি আবেদন ফরমেও কোন ছবি বা সত্যায়িত করা লাগবে না। পাসপোর্ট আবেদন করার ক্ষেত্রে জন্ম সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তথ্য পূরণ করতে হবে। প্রার্থীর ১৮ বছর পূর্ণ না হলে জন্ম সনদ দিয়ে আবেদন করতে পারবে। তবে পিতা কিংবা মাতার NID নাম্বার উল্লেখ করতে হবে।

আবেদনকারীর বয়স যদি ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে হয় তাহলে NID অথবা জন্ম সনদ দিয়ে আবেদন করতে হবে। আর যদি প্রার্থীর বয়স ২০ বছরের উর্দ্ধে হয় তাহলে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) আবশ্যক।

যে আবেদনকারীর বয়স ১৮ বছরের নিচে এবং ৬৫ বছরের উপরে তারা শুধু ৫ বছর মেয়াদী ৪৮ পৃষ্ঠা ই-পাসপোর্ট গ্রহণ করতে পারবেন। ই পাসপোর্ট আবেদনের বিস্তারিত নির্দেশনা ই-পাসপোর্টের www.epassport.gov.bd ওয়েবসাইটে দেখুন।

আরো জানুন










জরুরী আবেদন ও অতীব জরুরী আবেদন

বর্তমানে ই-পাসপোর্ট সেবা তিন ক্যাটাগরিতে আবেদন করা যায়। এক. সাধারণ ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে খরচ একটু কম হয় । পাসপোর্ট ডেলিভারি দেওয়া হয় ২১ দিনের মধ্যে। দুই. জরুরী আবেদনের ক্ষেত্রে ৭ কর্ম দিবসের মধ্যে ই-পাসপোর্ট ডেলিভারি দেওয়া হয়। তিন. অতীব জরুরী আবেদন হচ্ছে ২ কর্ম দিবসের মধ্যে ই পাসপোর্টের ডেলিভারি নেওয়া। তবে অতীব জরুরী আবেদন করার ব্যাপারে একটু বিস্তারিত জানা প্রয়োজন।

ই পাসপোর্টের (epassport) অতীব জরুরী আবেদন

অতীব জরুরী পাসপোর্ট সেবা কি? কত দিনে অতীব জরুরী পাসপোর্ট পাওয়া যায়? কারা কারা অতীব জরুরী পাসপোর্ট আবেদন করতে পারবে? কোথায় অতীব জরুরী আবেদন করতে হবে? অতীব জরুরী পাসপোর্ট প্রদান বা ডেলিভারি প্রক্রিয়া কি?

নিশ্চয় উপরের প্রশ্নগুলোর উত্তর খোজার চেষ্ঠা করছেন। হ্যাঁ, উত্তরগুলো ই-পাসপোর্ট ওয়েবপোর্টালে সুন্দরভাবে দেওয়া আছে। দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

অনলাইনে আবেদন করার প্রক্রিয়া

আপনি সহজেই অনলাইনের মাধ্যমে ই পাসপোর্টের জন্য আবেদন ফরম পূরণ করতে পারেন। অনলাইনে আবেদন করলে আপনার তথ্য ভুল হওয়ার সম্ভবনা কম থাকবে। কেননা অনলাইনে আবেদন ফরমে ভেলিডেশন অপশন দেয়া রয়েছে।ফলে ভুল ইন্ট্রির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে পারবেন। এছাড়াও সাবমিট করার আগে রিভিউ দেখতে পারবেন।

অনলাইনে আবেদন করার জন্য ভিজিট করুন https://www.epassport.gov.bd/onboarding এখানে ক্লিক করুন। জিলা ও থানা সিলেক্ট করে একটি ইমেইল প্রদান করতে হবে। তারপর পাসওয়ার্ড সেট করে অন্যান্য তথ্য সঠিকভাবে দিয়ে সাবমিট করবেন। সঠিকভাবে সাবমিট হলে আবেদন ফরমটি প্রিন্ট করার অপশন পাবেন। প্রিন্ট করে নিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করবেন।

অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ না করেও অনলাইন থেকে আবেদন ফরম ডাউনলোড করে তা পূরণ করে ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা যাবে।

ই পাসপোর্টের আবেদন ফি

ই-পাসপোর্টের মেয়াদ ও সেবার ধরণ অনুযায়ী আবেদন ফি ভিন্নতা রয়েছে । যেমন- ৫ বছর মেয়াদী পাসপোর্টের জন্য এক রকম ফি এবং ১০ বছর মেয়াদী পাসপোর্টের আবেদন ফি বেশি। আবার সাধারণ আবেদন ফি এক রকম এবং জরুরী কিংবা অতীব জরুরী আবেদন ফি অনেক বেশি।

অনেকেই আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন ই-পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে? তাদেরকে বলছি আপনি কোন ধরণের সেবা নিতে চান? জরুরী নাকি সাধারণ কিংবা ৫ বছর মেয়াদী নাকি ১০ বছর মেয়াদী। আবার পাসপোর্টে পৃষ্ঠারভেদে আবেদন ফি ভিন্নতা রয়েছে। ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট ফি কিছুটা কম আবার ৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট ফি বেশি।

আপনি কি সুবিধা কিংবা কোন ধরণের পাসপোর্ট সেবা নিতে চান সেটার উপর নির্ভর করবে পাসপোর্ট ফি। আপনার জন্য কত টাকা ফি জমা দেওয়া লাগবে তা দেখতে ক্লিক করুন এখানে



ইনফোটি সম্পর্কিত শব্দসমূহঃ ই পাসপোর্ট করার নিয়ম, ই পাসপোর্ট ফরম pdf, ই পাসপোর্ট ফরম, ই পাসপোর্ট আবেদন, পাসপোর্ট তথ্য যাচাই, ই পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম, ই পাসপোর্ট কি, ই পাসপোর্ট আবেদন ফরম, e passport online registration, e passport registration, e passport apply, e passport online, epassport

২টি মন্তব্য:

Blogger দ্বারা পরিচালিত.