টিকটক কি? Tik Tok এ কিভাবে ইনকাম করা যায়?

অনেকেই এই টিকটক প্ল্যার্টফরমটিকে ভালভাবে দেখেন না। তবে আপনি যেভাবেই দেখেন না কেন বর্তমানে এই প্লার্টফরমে অনেক ইউজার রয়েছে। যদিও Tik tok বেশি ব্যবহার করে থাকে উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েরা তবুও এখানে সব বয়সের ব্যবহারকারী যথেষ্ট ভিড় জমায়। টিকটকের অনেক খারাপ দিক নিয়ে অনেক সমালোচনা হলেও, এর অনেক অপকারিতা থাকলেও আমরা এখানে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো তা হচ্ছে এখান থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়?

টিকটক কি? Tik Tok এ কিভাবে ইনকাম করা যায়?

টিকটকের অনেক অপকারিতা রয়েছে এবং এর মধ্যে মানসিক প্রতিবন্ধকতার বিরল উদাহরণ পাওয়া যায়। তবে ব্যবহারকারীরা ভালো হলে এই প্লাটফরমটিও ভাল হতে বাধ্য। আপনারা জানেন ফেসবুক আগে অনেক অশ্লিল ও বেহায়াপনা দিযে ভরপুর ছিল কিন্ত তাতে এখন অনেকটা সামাজিকতায় আসতে শুরু হয়েছে।

এটা হয়েছে ব্যবহারকারীদের সচেনতা ও দায়ীত্বশীলতার জন্য। টিকটকের ব্যবহারকারীরাও যদি উদ্যোগি হয়, তাহলে এই প্লাটফরমটিও ভাল হতে মাত্র সময়ের প্রয়োজন।

তবে যাইহোক না কেন, বর্তমান সময়ে টিকটকও একটি জনপ্রিয় প্লাটফরম। এই মাধ্যমেও অনেক বেশি ফলোয়ার ও ফ্যানবেজ রয়েছে। তাই এখান থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায় সেই বিষয়ে খোলাখোলি আলোচনা করবো। আপনার এই বিষয়ে আগ্রহ থাকলে ইনফোটি কাজে লাগাতে পারেন।

 

What is Tik Tok? টিকটক কি?

টিকটক হচ্ছে মোবাইল বেজ একটি বিনোদনমূলক প্লাটফরম কিংবা মোবাইল অ্যাপ। এই প্লাটফরম ব্যবহার করে যে কেউ বিনোদন মূলক ভিডিও তৈরি করতে পারে এবং শেয়ার দিতে পারে।

অনেক বেশি লাগামহীনভাবে ভিডিও তৈরি করা যায় এখানে। ভিডিও তৈরি করার হাজার হাজার টেমপ্লেট রয়েছে এতে। এছাড়াও ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও করে আপলোড দেওয়া যায় টিকটকে।

এর ভিডিও গুলো সাধারণত ৫ মিনিটের বেশি হয় না। ফলে মানুষের আগ্রহ সহজে হারায় না। আর এর ভিডিও গুলো কাউকে আকৃষ্ট করতে খুবই কার্যাকরী।

 

টিকটক প্লাটফরমটি কেন এত জনপ্রিয়?

সাধারণত টিকটক মোবাইল অ্যাপটির প্রতি মানুষের প্রচুর ইন্টারেস্ট বা আগ্রহ আছে। বর্তমান সময়ের ছোট বড়, টিনেজার, বৃদ্ধ এক কথায় সব বয়সের মানুষ এই অ্যাপে আকৃষ্ট রয়েছে। আর অ্যাপটিতে রয়েছে অসংখ্য কনটেন্ট যা গুনে শেষ করা যাবে না।

বর্তমানে দেখা যায় টিকটকে বেশিরভাগ বিনোদনই হচ্ছে অসুস্থ বিনোদন কিংবা অযোক্তিকভাবে কনটেন্ট তৈরি করা হয়েছে। বিনোদন পেলেও তা অনেক ক্ষেত্রে অযোক্তিক অথবা পরিত্যজ্য।

আর এখানে যে কনটেন্ট তৈরি করে সে রীতিমতো ভিউ পেয়ে যান। যার ফলে অনেকেই শর্ট ভিডিও শেয়ার দেওয়ার জন্য এটিকে বেচে নেন।

তবে আপনি যদি টিকটকে একজন টিকটকার হতে চান তাহলে আমরা পরামর্শ দিচ্ছি এমন বিনোদন কিংবা ভিডিও টিকটকে দিবেন যাতে সুস্থ বিনোদন ছড়িয়ে পড়ে ।

 

টিকটক অ্যাপে ইনকাম ও কারা সেলিব্রেটি হতে চায়

সাধারণ লোকরাই এই অ্যাপের প্রতি আগ্রহ বেশি। বিশেষ করে যারা টিনেজার কিংবা কিশোর বয়সের মানুষদের কাছে ব্যাপারটি খুবই চমৎকার। তবে বয়স বাড়ার সাথে আগ্রহ কমতে থাকে।

তাই কিশোর কিশোরীরাই টিকটকে বেশি আকৃষ্ট। সারা বিশ্বে টিকটকের মতো প্লাটফরমগুলোতে টিনএজার অর্থাৎ কিশোর বয়সের মানুষদের আগ্রহ অনেক বেশি।

যারা এই রকম প্লাটফরমগুলো ব্যবহার করেন, তারা সবাই চায় হাজার হাজার কিংবা লাখ লাখ ফলোয়ার। আর টিকটক সস্তা বিনোদনেই খুব সহজেই ছোটখাট সেলিব্রেটি করে তুলতে পারে আপনাকে।

অনেকেই মনে করে থাকেন যে, ইনস্টাগ্রামে অসংখ্য ফলোয়ার প্রয়োজন হয় টাকা আয় করার জন্য। আর যারা টিকটকে আসেন তাদের শুধুমাত্র ভিউ ভালোমতো পাওয়া গেলেই ইনকাম করা যায়।

মূলত ব্যাপারটা এমন না, আসল কথা হচ্ছে আপনি যত বেশি ফলোয়ার কিংবা ভিউ হোল্ড করুন না কেন, টিকটকে সব সময় Low- Medium এর বেশি আয় করতে পারবেন না।

 

ইন্সটাগ্রাম বনাম টিকটক আয়ের তুলনা পদ্ধতি কি?

অনেকেই ইনস্টাগ্রমে স্পন্সরড, কন্টেন্ট মার্কেটিং সহ অনেক বেশি ঝামেলায় পড়ার কিংবা এগুলো টেকেল দিয়ে মূলত ইনকাম করতে হয়। কিন্তু আসলে কি তাই ইন্সটাগ্রামে একটু বেশি ঝামেলার?

ইন্সটাগ্রামের দিকে তাকালে দেখা যায়, এটি এমন একটি মার্কেটিং টুল যা বেশিভাগ ব্যবসার জন্য প্রযোজ্য। আর এখানে খুব বেশি ফলোয়ার প্রয়োজন নেই।

ইন্সটাগ্রামে শুধু এমন সব ফলোয়ার প্রয়োজন যা আপনার ব্যবসার সাথে সম্পর্কিত কিংবা আপনার সাথে engaged!

Tik Tok এ এই ব্যাপারটা সম্পূর্ণ আলাদা। এখানে রীতিমতো সস্তা বিনোদন দিয়ে ভিডিও বানিয়ে ভাইরাল হওয়া সম্ভব। কিন্তু ইন্সটাগ্রামে নিজের মন মতো ফলোয়ার পেতে কয়েক বছর লেগে যেতে পারে। আর টিকটকে সস্তা বিনোদনেই সেটা পাওয়া যায়।

অনেকেই এমন আছেন যারা মূলত টাকা আয় করার লোভে টিকটকে প্রবেশ করেছেন। তবে এখন কিন্তু টিকটক বিশাল ব্যবহারকারীর শক্তিশালী একটি প্লাটফরম। এখানে খুব বেশি পরিমানে ইউজার রয়েছে।

সুতরাং টিকটক থেকে কিভাবে টাকা আয় করা যায় সেই বিষয়ে আমাদের মূল আলোচনা হবে। কাজেই দেরি না করে চলুন শুরু করি।

 

টিকটক থেকে আয় করার উপায়গুলো কি কি?

টিকটক থেকে আপনি কয়েকভাবে আয় করতে পারেন। যেমন-

** টিকটক একাউন্ট উন্নত করে বিক্রি করার মাধ্যমে

** ডোনেশন যাকে Tik Tok এ In-Built মনিটাজেশন বলা হয়

** ক্যাম্পেইন তৈরি করে উদ্যোক্তা হওয়ার মাধ্যমে

** এড মনিটাজেশন করে

** টিকটক ম্যানেজমেন্ট করে

** অন্যের টিকটক একাউন্ট প্রমোট কিংবা পেইড কন্টেন্ট তৈরি করে

 এগুলো ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করার প্রয়োজন নেই বলে মনে হয় আমার কাছে। কেননা যারা অনলাইনে আয় করতে চান তারা এই বিষয়ে অনেক আর্টিকেল পড়ে থাকেন। তারপরও এখানে কিছু তথ্য শেয়ার করা চেষ্ঠা করছি।

কিভাবে ইউটিউব চ্যালেন খুলে আয় করবেন?

ফেসবুক ইন্সট্যান্ট আর্টিকেল কি? এখান থেকে কিভাবে আয় করা যায়?

অনলাইনে ক্লিক করলেই কি আয় হয়? মোবাইলেও কি আয় করা সম্ভব?

 

টিকটক একাউন্ট উন্নত (Grow) করে বিক্রি করার মাধ্যমে আয় করার উপায়

এটি একটি ভাল উপায় হতে পারে টিকটক থেকে আয় করার। রীতিমতো কিছু টিকটক একাউন্ট খুলে একটি সাথে আর একটির লিংকিং করে দিতে পারেন। যাতে একজন ফলোয়ার আপনার একটি একাউন্ট ফলো করে, তখন অন্য একাউন্টগুলো প্রমোট করতে পারেন।

একাউন্ট গুলোতে ফলোয়ার বৃদ্ধি করার জন্য চেষ্ঠা করুন। নিস অনুযায়ী কাজ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। তাছাড়া টিকটকে সস্তা ভিডিওতেও অনেক ফলোয়ার তৈরি করা যায়।

সুতরাং অনেকগুলো একাউন্ট ব্যবহার করে সেগুলোতে ফলোয়ার জোগার করুন। পরিশেষে একাউন্টগুলো খুব সহজেই বিক্রি করতে পারেন।

আর আপনার একাউন্টগুলো যদি এমন হয় যে, যেখানে খুব বেশি ভালো ফলোয়ার আছ এবং অধিক পরিমান ভিউও আসে, তবে সেগুলো বিক্রি করা খুবই সহজ। কেননা এগুলো ক্রয় করার জন্য যথেষ্ট মানুষ আসে।

বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান আছে যারা খুব বেশি পরিমাণ ফলোয়ারের টিকটক একউন্ট ব্যবহার করতে চায়।খুব বেশি পরিমান আপনার ফলোয়ার থাকলে বিক্রি না করেও ভাড়া দিতে পারেন। অনেক ব্যবসায়ী ভাড়ায় চালাতে আগ্রহী।

এছাড়াও এই পদ্ধতিতে ই-কমার্স কিংবা প্রোডাক্ট স্পেস সেক্টরে খুব সহজ ভাবে ব্যবহার করা যায়। কেননা টিকটকে রয়েছে এন্টারটেইনমেন্ট করার মতো অনেক নিস।

সম্পূর্ণটা ইনস্টাগ্রাম একাউন্টের মতই নিজের টিকটক একাউন্টে যে কোনো একটি নিস সিলেক্ট করুর এবং সেই নিসের উপর যথারীতি ভিডিও তৈরি করে আপলোড দিতে থাকুন।

আপনার নির্বাচন করা নিশের উপর কাজ করতে থাকুন। একটা সময় যখন অনেক ফলোয়ার পাবেন এবং হিউজ পরিমান ভিউ আসবে তখন চড়া দামে একাউন্টি বিক্রি করে দিতে পারেন। অথবা ভাড়াও দিতে পারেন।

নির্দিষ্ট কিছু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কাছে আপনার একাউন্টটি ভাল চোখে পড়বে। এখানে লক্ষনীয় বিষয় হচ্ছে ফলোয়ারদের সাথে সাইটের engagement যত বেশি হবে একাউন্টটির মূল্যও তত বেশি পরিমানে দাঁড়াবে।

যেমন ধরেন ফুড এন্ড হবি নিশের ভিডিওতে বিভিন্ন ধরণের প্রডাক্ট নিয়ে কাজ করতে পারেন। এবং এই ধরণের ভিডিওতে বিভিন্ন ব্যবসায়িক পণ্যের প্রমোট করা যায়।

এমন অসংখ্য লোক রয়েছে যারা টিকটক একাউন্ট তৈরি করেছে। একাউন্টগুলো উন্নত করেছে এবং ভালো ফলোয়ার সংগ্রহ ও প্রচুর পরিমানে ভিউ নিয়ে আসছে। পরিশেষে বিক্রি করে দিচ্ছে কিংবা ভাড়া দিচ্ছে। এভাবেই তারা সহজেই আয় করছে।

মনে করুন, আপনার একটি টিকটক একাউন্ট আছে, আর সেটি একটি ব্যান্ডের কাছে বিক্রি করে দিলেন। আপনার একাউন্ট থেকে ব্যান্ডটি বেশ উপকৃত হবে। কেননা ব্যান্ডটি সহজেই অনেক কাস্টমারের কাছে পৌঁছাতে পারবে।

আপনি নিশ্চয় জানেন যে, টিকটক লাইভে গিয়ে অনেকেই প্রোডাক্ট বিক্রি করে থাকে। লাইভ স্ট্রিম এর মধ্য দিয়ে তাদের প্রোডাক্ট লঞ্চ করে এবং পোডাক্ট প্রমোট করার সহজ একটি পদ্ধতি এটি।

 

এছাড়াও আপনি চাইলে বায়োতে প্রোডাক্ট লিংক এড করতে পারেন। অথবা নিজের ওয়েবসাইট যুক্ত করতে পারেন। যাতে করে ট্রাফিক সহজেই সেখানে ড্রাইভ করাতে পারেন।

আপনার মনে যদি টিকটক নিয়ে আগ্রহ থাকে অর্থাৎ টিকটক ব্যবহা রকতে ভালবাসেন তাহলে অবশ্যই টিকটক করে যান। এখানে মানসম্মত কন্টেন্ট তৈরি করুন।

শর্ট কন্টেন্ট এর মধ্যেও কিন্তু ভালো শিক্ষা দেওয়া যায় কিংবা ভালো মানের ভিডিও তৈরি করা যায়। এগুলো সুস্থ বিনোদনের জন্য অপরিহার্যা।

আর এর মাধ্যমে আপনার নিজের একটি ব্রান্ডও তৈরি করতে পারেন। এতে আপনার ইনকামের পথ আরো প্রশস্ত হবে।

 

ডোনেশন বা In-Built মনিটাজেশন করবেন কিভাবে?

টিকটক ব্যবহারকারী তার ফলোয়ারদের কাছ থেকে ডোনেশন নিয়ে অর্থ সংগ্র করার উপায়কে বলা হচ্ছে In-Built মনিটাজেশন। টিকটক থেকে আয় করার একটি উপায় হিসাবে দ্বিতীয় পদ্ধতি বলা যেতে পারে।

টিকটকে লাইভে গিয়ে আপনার নিজদের ভিজিটরদের কাছ থেকে ডোনেশন সংগ্রহ করতে পারেন। যেমনটা টুইচ এর মতো প্লাটফরমে করা হয়ে থাকে।

এটি হচ্ছে একটি বিল্ট ইন মনিোজেশন সুবিধা বা একপ্রকার মনিটাইজেশন। যেখানে আপনাকে আপনার অডিয়েন্সরা টাকা ডোনেট করতে পারে।

আপনি যদি একজন টিকটক ইউজার হয়ে থাকেন, তাহলে নিশ্চয় জানেন যে, নিজের প্রোফাইনে গিয়ে কয়েন ক্রয় করা যায়। প্রতি হাজার কয়েনের মূল্য দাঁড়ায় ১.৩৯ ডলার।

 

এসব কয়েন দিয়ে কি করা হয়?

মনে করেন আপনার কোনো ফেভারিট বা পছন্দের ক্রিয়েটর আছে। টিকটকের সেই ক্রেয়েটরকে আপনি ধন্যবাদ জানাতে চাইছেন। স্টিকার পাঠাতে চাচ্ছেন কিংবা নিজের ফিলিংস গুলো টিকটক একাউন্ট সেলিব্রেটির কাছে প্রকাশ করতে চান।

এই কাজের জন্য আপনাকে কোন স্টিকার, টেক্সট নিতে হবে।আর এগুরো আপনি কয়েন এর মাধ্যমে ক্রয় করতে পারেন। বিভিন্ন টিকটক ইউজাররা এগুলো করে থাকে।

 

টিকটকের ক্রিয়েটর কয়েন দিয়ে কি করে?

যখন কেউ কয়েন ব্যবহার করে কাউকে স্টিকার পাঠানো হয়, তখন টিকটকার সেই কয়েন নিতে পারে। এবং তার মাধ্যমে ডায়মন্ড ক্রয় করতে পারে । আর এই ডায়মন্ড ক্যাশে পরিণত করতে পারেন। যা আপনার পেপাল একাউন্টের মাধ্যমে উইথড্র করতে পারবেন।

 

উদ্যোক্তা হয়ে ক্যাম্পেইন তৈরি করে আয় করা উপায় কি?

টিকটক এ একজন উদ্যোক্তা হয়ে ক্যাম্পেইন তৈরি করে আয় করুন। এটা অবশ্য অন্যান্য প্লাটফরগুলো যেমন- ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, ইউটিউব ইত্যাদির মতোই নিজের প্রতিষ্ঠা করতে পারেন।

এ ক্ষেত্রে আপনি একজন সফল টিকটকার হয়ে গেছেন। এখন কিভাবে সফল হওয়া যায় এনিয়ে ক্যাম্পেইন তৈরি করুন। উদ্যোক্তা হয়ে কাজ করার কন্টেন্ট কিভাবে তৈরি করা যায় তা শিখাতে পারেন।

ক্যাম্পেইন তৈরি করে সেখান থেকে ফি গ্রহণ করে আয় করতে পারেন। অবশ্য এর জন্য আপনাকে খুব বেশি ফ্রেন্ডলি হতে হবে ব্যবহারকারীদের কাছে।

তাদের সবাইকে টিকটক প্লাটফরমে নিয়ে আসতে হবে। তাদের সাথে বিভিন্ন ক্যাম্পেইন, ফ্যান মিটিং এরেঞ্জ করতে পারেন। টিকটকে সফল হওয়ার উপায়গুলো ভাল করে তাদের জানান। যথ ভালভাবে সার্ভিস দিতে পারবেন ততই আপনার ইনকামের পরিমান বেশি এবং সফলকামী হবেন।

 

টিকটকে এড মনিটাজেশন যুক্ত করে আয় করা

অন্যান্য প্লাটফরমেই মতোই টিকটক এডস প্লাটফরম রয়েছে। সবাই জানি ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, গুগলের এডস প্লাটফরম রয়েছে। টিকটকেও এর মতোই টিকটক এসড এসেছে।

এখানে আপনি টিকটক আইডি দিয়ে সাইন আপ করে নিজের টিকটক একাউন্টে তাদের এড অ্যাকসেস করাতে পারেন।

ফেসবুক বা ইউটিউবে যেমন এড মনিটাইজেশন করে আয় করা হয়, তেমনি আরকি এটাও টিকটক একাউন্টে আয় করার উপায়।

আপনার একাউন্ট যদি খুব বেশি ফলোয়ার ও ভিউ থাকে তাহলে এই এড মনিটাজেশন যুক্ত করে আয় করা অনেক সহজ। চাইলেই আপনি এই পদ্ধতিতে ইনকাম করতে পারেন।

 

টিকটক ম্যানেজমেন্ট করে আয় করার উপায়

এই পদ্ধতিতে আপনি নিজের ওয়েবসাইট, প্রতিষ্ঠানের যেকোনো সোশ্যাল একাউন্ট প্রমোট করতে পারেন। একাউন্টিগুলোর লিংক নিজের বায়োতে দিয়ে রাখলে তা থেকে ট্রাফিক ড্রাইভ করে বিভিন্ন আর্নিং ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ কিংবা ইউটিউব চ্যালেন গেলে সেখানে আপনার ইনকাম হবে।

অর্থাৎ বিষয়টা এমন যে, একটি মাধ্যমের উপর নির্ভর করে অন্য মাধ্যমে আয় করবেন। এছাড়াও টিকটকের নিজস্ব ম্যানেজমেন্ট সার্ভিস রয়েছে। সেখান থেকেও আপনি ইনকাম করতে পারেন।

টিকটকের ক্রিয়েটর অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসটি খুবই চমৎকার একটি সার্ভিস। সেখানে অংশগ্রহণ করে সহজেই আয় করতে পারেন।

 

অন্যের Tik Tok একাউন্ট প্রমোট কিংবা পেইড কন্টেন্ট তৈরি করে আয়

আপনার যদি টিকটকে হাজার হাজার কিংবা লাখ লাখ ফলোয়ার থাকে এবং আপনি একজন ক্রিয়েটর হয়ে থাকেন তাহলে এই পদ্ধতিতে আয় করা আপনার জন্য অনেক লাভজনক হবে। এক্ষেত্রে আপনি চাইলে বিভিন্ন টিকটকারদের সাথে নিয়ে ভিডিও তৈরি করে তাদেরকে প্রমোট করতে পারেন।

একজন নতুন টিকটকার হয়তো আপনার সাথে কন্ট্রাক করতে পারে নতুন একটি ভিডিত তৈরি করে দেওয়ার জন্য। কিংবা তাদরে সাথে ভিডিও তৈরি করে তাদের চ্যানেলকে সমৃদ্ধ করে দিতে পারেন। আর এই প্রক্রিয়ার আপনার ইনকাম হবে।

এমনও করতে পারেন যে, কোন টিকটকারদের সাথে ভিডিও তৈরি করবেন। আর আপনি এখানে টাকার বিনিময়ে ভিডিও তৈরি করে দিতে পারেন। আর এভাবে তার চ্যালেন ও টিকটক একাউন্ট প্রমোট হবে এবং সেও ভাল ভিউ পেয়ে যাবে। আর মাঝখানে আপনি ইনকাম করলেন।

 

শেষকথাঃ

টিকটক ও এখান থেকে কিভাবে আয় করা যায় তার একটা ধারণা দেওয়ার চেষ্ঠার করেছি এখানে। যারা ইনস্টাগ্রাম চালান তারা হয়তো জানেন যে, এখন ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার পাওয়া অনেক কঠিন হয়ে গেছে। তাই যারা সহজেই নিজের ফলোয়ার বাড়াতে চান এবং সাথে সাথে আয়ও করতে চান তাদের জন্য এই প্লাটফরমটি উপযুক্ত হতে পারে।

এছাড়াও ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকের ভিডিও অনেকটা একই রকমভাবে শেয়ার করতে পারেন। কিন্তু ইনস্টাগ্রামে 24 ঘন্টার বেশি স্টোরি অ্যাভেলেবল থাকে না। অপরদিকে টিকটকে চিরস্থায়ীভাবে থাকে। এটা টিকটকে বারতি একটি সুবিধা।

ইউটিউবের মতোই টিকটক ব্যবহার করতে পারেন। ভিডিও শেয়ার করতে পারেন এবং লাইভ করতে পারেন। এবং এখানে অনেক ভালভাবেই যেকোনো প্রডাক্ট প্রমোট করানো যায় সহজেই।

টিকটকে অনেক লোক এমন আছে যারা খুব কম ফলোয়ার নিয়ে হাঠৎ করে মিলিয়ন মিলিয়ন ভিউ নিয়ে আসে। এটা টিকটকের অ্যালগেরিদিম অনুযায়ী হয়ত ভিডিও উপরে চলে গেছে। যার কারণে খুব বেশি ভিউ হয়েছে ।

বর্তমান সময়ে টিকটক ব্যবহারকারীদের দিকে তাকালে মনে হচ্ছে একটি খুব বড় প্লাটফরম তৈরি হতে চলেছে। তবে এখানকার ভিডিওগুলো বেশিরভাগ অসুস্থ বিনোদন মূলক। যদিও এটা হতাশাজন তবুও আপনি সুস্থ বিনোদন ছড়িয়ে দিতে পারেন এখানে।

কোন মন্তব্য নেই:

Blogger দ্বারা পরিচালিত.