জমির মালিকানা যাচাই করার সঠিক নিয়ম : অনলাইনে খতিয়ান অনুসন্ধান থেকে দলিল ও দখল পর্যন্ত ৮ ধাপের চেকলিস্ট
এই লেখাটি এক বছরের বেশি আগে হালনাগাদ হয়েছে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি বা অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে নিন।
জমি কেনার আগে বা পৈতৃক সম্পত্তির হিসাব বুঝে নিতে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন একটাই: এই জমির প্রকৃত মালিক কে? অনলাইনে খতিয়ান দেখা এখন ঘরে বসেই সম্ভব। কিন্তু একটি জরুরি কথা অনেকেই জানেন না: শুধু একটি খতিয়ান দেখে মালিকানা নিশ্চিত হওয়া যায় না। ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব একটি কর্মশালায় বলেছেন, খতিয়ান হচ্ছে দখলের প্রামাণ্য দলিল, মালিকানার দলিল নয়[১]।
এই লেখায় জমির মালিকানা যাচাইয়ের পুরো প্রক্রিয়া ৮ ধাপে দেওয়া হয়েছে: অনলাইনে খতিয়ান অনুসন্ধান, নামজারি খতিয়ান, দলিল, খাজনা, মৌজা ম্যাপ ও সরেজমিনে দখল। সঙ্গে আছে ভুয়া কাগজ চেনার সরকারি নির্দেশনা এবং প্রতিটি ধাপের বিস্তারিত গাইডের লিংক।
সর্বশেষ হালনাগাদ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬
- খতিয়ান দখলের প্রামাণ্য দলিল, মালিকানার একমাত্র প্রমাণ নয়[১]। মালিকানা যাচাইয়ে খতিয়ান, নামজারি, দলিলের ধারাবাহিকতা, খাজনা ও সরেজমিনে দখল একসঙ্গে মেলাতে হয়।
- অনলাইন ভূমি রেকর্ডের সেবা ভূমি মন্ত্রণালয়ের land.gov.bd পোর্টালে পাওয়া যায়। আমাদের ই-পর্চা গাইডে সেবাটি এখন dlrms.land.gov.bd-তে আছে বলে উল্লেখ আছে; পুরোনো eporcha.gov.bd ঠিকানা কিছু প্রতিবেদনে এখনো এসেছে[৫]।
- ভূমি সেবা হটলাইন ১৬১২২ (আগের সংস্করণে "১০২২২" লেখা ছিল, যা ভুল)[২]।
- ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ভূমি মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছে: প্রতারক চক্র ভুয়া কিউআর কোড দিয়ে নকল খতিয়ান, দাখিলা ও ডিসিআর বানাচ্ছে। কিউআর কোড যাচাইয়ে শুধু সরকারি "ভূমি (Bhumi)" অ্যাপের স্ক্যানার ব্যবহার করুন[২]।
- নামজারি না করলে জমি "খাস" হয়ে যায় না। কিন্তু নামজারি ছাড়া সরকারি রেকর্ডে আপনার নাম থাকে না, যা বিক্রি, খাজনা দেওয়া ও ঋণের কাজে সমস্যা করে।
জমির মালিকানা যাচাই কেন জরুরি?
জমি-সংক্রান্ত বিরোধ বাংলাদেশে খুব পরিচিত সমস্যা। ক্রেতা অন্যের জমি কিনে ফেললে, বিক্রেতার মালিকানা না থাকলে, জমি আগে থেকে বন্ধক বা মামলায় জড়িত থাকলে কিংবা জাল দলিল ব্যবহার হলে বড় আর্থিক ক্ষতি ও আইনি জটিলতা হয়। যাচাই করে আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে:
- বিক্রেতার জমি বিক্রির বৈধ অধিকার আছে।
- জমিটি সরকারি খাস বা অর্পিত সম্পত্তি নয় এবং কোনো আইনি জটিলতা নেই।
- সরকারি রেকর্ড, দলিল ও বাস্তব দখল একে অপরের সঙ্গে মেলে।
ব্যাংকে ঋণের জামানত বা বিদেশগমনের কাগজে জমির দলিল ব্যবহারের আগেও যাচাই গুরুত্বপূর্ণ।
কোন কাগজ কী প্রমাণ করে?
মালিকানা বুঝতে হলে প্রতিটি কাগজের সীমা জানা দরকার:
| কাগজ | কী দেখায় | সীমাবদ্ধতা | কোথায় যাচাই |
|---|---|---|---|
| জরিপ খতিয়ান (সিএস, এসএ, আরএস, বিএস/সিটি জরিপ) | জরিপের সময়ের রেকর্ড অনুযায়ী মালিক বা দখলদার | জরিপের পর হাতবদল হয়ে থাকলে হালনাগাদ নয়; এটি দখলের প্রামাণ্য দলিল[১] | ভূমি মন্ত্রণালয়ের পোর্টাল |
| নামজারি খতিয়ান ও ডিসিআর | সরকারি রেকর্ডে সর্বশেষ মালিক | মালিকানা প্রমাণের একমাত্র কাগজ নয় | কিউআর কোড যাচাই (ভূমি অ্যাপ)[২] |
| দলিল (ক্রয়, হেবা, বণ্টন, ওয়ারিশ) | মালিকানা হস্তান্তরের ধারাবাহিকতা | জাল দলিলের ঝুঁকি আছে | সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, দলিল তল্লাশি |
| খাজনার দাখিলা | ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের প্রমাণ | মালিকানার একমাত্র প্রমাণ নয় | ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর পোর্টাল |
| মৌজা ম্যাপ | দাগের অবস্থান ও সীমানা | বাস্তব সীমানার সঙ্গে না-ও মিলতে পারে | ভূমি মন্ত্রণালয়ের ম্যাপ-পোর্টাল |
| বাস্তব দখল | জমি কে ভোগ করছেন | দখল থাকলেই মালিকানা নয় | সরেজমিনে পরিদর্শন, আমিন ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস |
জমির মালিকানা যাচাইয়ের ৮ ধাপ
ধাপ ১: বিক্রেতা ও তাঁর অধিকার যাচাই
কে জমি বিক্রি করছেন, তিনি সরাসরি মালিক কি না, না অন্য কেউ তাঁর পক্ষে লেনদেন করছেন, তা আগে নিশ্চিত করুন। অ্যাটর্নি, ওয়ারিশ বা নাবালকের সম্পত্তির ক্ষেত্রে বিক্রয়ের ক্ষমতা আইনজীবীকে দিয়ে যাচাই করান।
ধাপ ২: জমির ঠিকানা ও দাগের তথ্য জোগাড়
বিক্রেতার কাছ থেকে জমির বিভাগ, জেলা, উপজেলা, মৌজা, দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর নিন। এসব তথ্য ছাড়া অনলাইনে ঠিকমতো অনুসন্ধান করা যায় না।
ধাপ ৩: অনলাইনে খতিয়ান অনুসন্ধান
- ভূমি মন্ত্রণালয়ের land.gov.bd পোর্টালে যান।
- খতিয়ান অনুসন্ধান অপশনে সার্ভে খতিয়ান বা নামজারি খতিয়ান বেছে নিন।
- বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও মৌজা নির্বাচন করুন। সার্ভে খতিয়ানের ক্ষেত্রে খতিয়ানের ধরন (যেমন আরএস বা বিএস) বেছে নিন।
- খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর বা মালিকের নাম দিয়ে অনুসন্ধান করুন।
ধাপে ধাপে ছবিসহ গাইড, অনুসন্ধানের কৌশল এবং আবেদনের নিয়ম পড়ুন: ই-পর্চা খতিয়ান অনুসন্ধান: দাগ নম্বর, মালিকের নাম ও মৌজা দিয়ে খতিয়ান খুঁজুন এবং ই-পর্চা খতিয়ান ডাউনলোড ও আবেদনের নিয়ম ২০২৬।
ধাপ ৪: সর্বশেষ নামজারি খতিয়ান ও ডিসিআর দেখুন
জরিপ খতিয়ানে পুরোনো মালিকের নাম থাকতে পারে। জমির হাতবদলের পর নামজারি হলে নতুন মালিকের নামে নামজারি খতিয়ান ও ডিসিআর (ডিসিআর) তৈরি হয়। ই-নামজারিতে কিউআর কোডযুক্ত খতিয়ান ও ডিসিআর ম্যানুয়াল কপির সমতুল্য ও আইনগতভাবে বৈধ বলে ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল[৩]। নামজারি না থাকলে বিক্রেতাকে আগে নামজারি করতে বলুন। নিয়ম ও ধাপ: ই-নামজারি: অনলাইনে জমি খারিজ করার নিয়ম। ফি ও খরচ: ই-নামজারি ফি ২০২৬।
ধাপ ৫: দলিলের ধারাবাহিকতা ও দলিল তল্লাশি
মালিকানা প্রমাণে দলিলের ধারাবাহিকতা (আগের মালিক থেকে বর্তমান বিক্রেতা পর্যন্ত হস্তান্তরের শৃঙ্খল) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুরোনো দলিল যাচাইয়ে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল তল্লাশি করা হয়। পড়ুন জমির দলিল তল্লাশি কী ও কীভাবে করবেন এবং দলিল কত প্রকার। রেজিস্ট্রির নিয়ম ও কাগজপত্র: দলিল রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম।
ধাপ ৬: খাজনার দাখিলা ও হোল্ডিং
হাল সন পর্যন্ত খাজনা (ভূমি উন্নয়ন কর) দেওয়া আছে কি না দেখুন। দাখিলা মালিকানার একমাত্র প্রমাণ নয়, তবে দখল ও কর পরিশোধের সহায়ক প্রমাণ। বিস্তারিত: জমির খাজনা কেন দিতে হয়, কোথায় ও কীভাবে পরিশোধ করবেন এবং অনলাইনে জমির খাজনা দেওয়ার নিয়ম।
ধাপ ৭: মৌজা ম্যাপ ও সরেজমিনে দখল
ম্যাপে দাগের অবস্থান ও আকার দেখুন, তারপর নিজে জমিতে গিয়ে সীমানা ও দখলের বাস্তব অবস্থা মিলিয়ে নিন। প্রয়োজনে আমিন দিয়ে জমি মাপিয়ে নিন। ম্যাপ বের করার নিয়ম: মৌজা ম্যাপ উত্তোলন পদ্ধতি। জমির আয়তন বোঝার জন্য দেখুন জমি মাপার নিয়ম ও এককের তুলনা। জমিতে অন্য কেউ দখলে থাকলে বা বেদখলের ঝুঁকি থাকলে পড়ুন জমি বেদখল হলে করণীয়।
ধাপ ৮: আইনি দায়, মামলা ও সরকারি জমি যাচাই
জমিটি খাস বা সরকারি সম্পত্তি, অর্পিত বা অধিগ্রহণকৃত কি না, কোনো ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের কাছে দায়বদ্ধ কি না, এবং এর বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা আগাম বায়নার চুক্তি আছে কি না, তা ইউনিয়ন ভূমি অফিস, সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস ও আইনজীবীর মাধ্যমে জেনে নিন। বড় কেনাকাটায় আইনজীবীর কাছ থেকে লিখিত সার্চ রিপোর্ট নেওয়া নিরাপদ। ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কাজ সম্পর্কে পড়ুন ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কাজ কী। জমি কেনার পুরো চেকলিস্ট: জমি ক্রয় করার আগে ও পরে করণীয়। জমির প্রতিবেশী বা অংশীদারদের অগ্রক্রয়ের অধিকার নিয়ে জানতে দেখুন জমিতে অগ্রক্রয় কী।
খতিয়ানের ধরন: সিএস, এসএ, আরএস ও বিএস
আগের সংস্করণে খতিয়ানের কয়েকটি সংজ্ঞা ভুল ছিল। সূত্রভেদে সময় কিছুটা ভিন্ন, তবে সাধারণ ধারণা এমন:
| খতিয়ান | সাধারণ পরিচিতি |
|---|---|
| সিএস (Cadastral Survey) | ব্রিটিশ আমলের জরিপ, সাধারণত ১৮৮৮ থেকে ১৯৪০ সালের মধ্যে; জেলাভিত্তিক প্রথম নকশা ও রেকর্ড[৬] |
| এসএ (State Acquisition) | ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের পর প্রস্তুত, সাধারণত ১৯৫৬-৬৩; একে পাকিস্তান আমলের পিএস জরিপও বলা হয়[৬] |
| আরএস (Revisional Survey) | সিএসের দীর্ঘদিন পর জমি, মালিক ও দখলদার হালনাগাদ করতে করা জরিপ। জমি বিরোধে অনেক সময় আরএস রেকর্ডের ওপর নির্ভর করা হয়[৬] |
| বিএস (Bangladesh Survey) ও সিটি জরিপ | আরএসের পরবর্তী জরিপ। ঢাকা মহানগরে এটি সিটি জরিপ নামে পরিচিত। জরিপের সময় সূত্রভেদে ভিন্ন, ১৯৯০-এর দশক থেকে[৬] |
একটি সম্পাদকীয় অনুযায়ী সিএস বা এসএ খতিয়ানের সঙ্গে আরএস ও সিটি জরিপের অমিল দেখা গেলে পরের দুই জরিপের ভিত্তিতে প্রস্তুত খতিয়ানই মুখ্য বিবেচিত হয়। একই লেখায় বাংলাদেশে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল ভূমি জরিপ চালুর কথাও বলা হয়েছে[৭]। খতিয়ানের ধরন নিয়ে বিস্তারিত পড়ুন জমির খতিয়ান কত প্রকার ও তাদের সংজ্ঞা। খতিয়ানে একাধিক মালিকের অংশ (আনা, গণ্ডা, কড়া, তিল) বুঝতে দেখুন খতিয়ানে অংশ ও হিসাবের ধরন।
ভুয়া খতিয়ান, দাখিলা ও ডিসিআর থেকে সাবধান
অ্যাপের লিংক ভূমি মন্ত্রণালয়ের গণবিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া আছে (land.gov.bd/bhumi_android এবং land.gov.bd/bhumi_ios)[৮]। দলিল জাল বা ভুয়া কি না বুঝতে পড়ুন জাল দলিল চেনার উপায়: যাচাইয়ের ১০ ধাপ।
সাধারণ সমস্যা ও সমাধান
| সমস্যা | করণীয় |
|---|---|
| অনলাইনে খতিয়ান পাচ্ছি না | মৌজা, খতিয়ানের ধরন ও জেলা-উপজেলা ঠিক আছে কি না মিলিয়ে দেখুন। তবু না পেলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা এসি (ল্যান্ড) অফিসে যোগাযোগ করুন। সব পুরোনো রেকর্ড অনলাইনে নাও থাকতে পারে |
| খতিয়ানে নাম বা তথ্যে ভুল | সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে সংশোধনের আবেদন করতে হয় |
| দলিলের দাগ আর রেকর্ডের দাগ মিলছে না | কেনাকাটা আটকে রাখুন; আইনজীবী ও ভূমি অফিসের সাহায্যে গরমিল নিষ্পত্তি করুন |
| নামজারি হয়নি | আগে নামজারি করান। দেখুন ই-নামজারির নিয়ম |
| কিউআর কোডে তথ্য মিলছে না বা সন্দেহ হচ্ছে | "ভূমি" অ্যাপে আবার স্ক্যান করুন; সন্দেহ থাকলে ১৬১২২-এ জানান[২] |
| প্রবাসে থেকে সেবা নিতে চাই | পড়ুন বিদেশ থেকে ভূমিসেবা নেওয়ার উপায়: ১৬১২২ হটলাইন ও নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্র |
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
১. অনলাইনে খতিয়ান দেখে কি জমির মালিকানা নিশ্চিত হওয়া যায়?
না। খতিয়ান দখলের প্রামাণ্য দলিল, মালিকানার একমাত্র প্রমাণ নয়। দলিলের ধারাবাহিকতা, নামজারি, খাজনা ও সরেজমিনে দখল একসঙ্গে মেলাতে হয়। বড় লেনদেনে আইনজীবীর পরামর্শ নিন।
২. ভূমি সেবা হটলাইন নম্বর কত?
ভূমি মন্ত্রণালয়ের হটলাইন ১৬১২২।
৩. খতিয়ান অনুসন্ধানে কি টাকা লাগে?
সাধারণ অনুসন্ধান বিনামূল্যে বলে প্রচলিত গাইডগুলোতে উল্লেখ আছে। অনলাইন বা সার্টিফাইড কপির জন্য সরকারি ফি লাগে, যার অঙ্ক বদলাতে পারে। চূড়ান্ত অঙ্ক আবেদনের শেষ ধাপে পোর্টাল যা দেখায়, সেটাই।
৪. দাগ নম্বর দিয়ে কি জমির মালিক খুঁজে পাওয়া যায়?
হ্যাঁ, বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও মৌজা ঠিক নির্বাচন করে দাগ নম্বর দিলে ওই দাগের খতিয়ান ও মালিকের তথ্য দেখা যায়। তবে সব পুরোনো রেকর্ড অনলাইনে না-ও থাকতে পারে।
৫. নামজারি না করলে কি জমি খাস হয়ে যায়?
না, এটি ভুল ধারণা। কিন্তু নামজারি ছাড়া সরকারি রেকর্ডে আপনার নাম ওঠে না। ফলে জমি বিক্রি, খাজনা দেওয়া ও ঋণের কাজে সমস্যা হয়।
৬. ভুয়া খতিয়ান বা ডিসিআর কীভাবে চিনব?
কিউআর কোডযুক্ত কাগজ যাচাইয়ে শুধু সরকারি "ভূমি (Bhumi)" অ্যাপের স্ক্যানার ব্যবহার করুন। সন্দেহ হলে ১৬১২২-এ ফোন করুন।
৭. খতিয়ানের সিএস, এসএ, আরএস ও বিএস কী?
এগুলো বিভিন্ন সময়ের ভূমি জরিপের নাম: সিএস (ক্যাডাস্ট্রাল), এসএ (রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ), আরএস (সংশোধিত জরিপ) এবং বিএস বা সিটি জরিপ। সময়কাল সূত্রভেদে কিছুটা ভিন্ন।
৮. সরকারি ফি কীভাবে দিতে হয়?
পোর্টালের পেমেন্ট পেজে যেসব মাধ্যম দেখায়, সেগুলোর মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিং বা অনলাইন ব্যাংকিংয়ে ফি দিতে হয়। ২০২৬ সালের একটি প্রতিবেদনে বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় ও ওকে ওয়ালেটের উল্লেখ আছে। সরকারি চালানের নিয়ম জানতে পড়ুন ই-চালান গাইড।
আরও পড়ুন
- ই-পর্চা খতিয়ান অনুসন্ধান
- ই-পর্চা খতিয়ান ডাউনলোড ও আবেদনের নিয়ম ২০২৬
- ই-নামজারির নিয়ম
- ই-চালান অনলাইন পেমেন্ট গাইড ২০২৬
- জমি ক্রয় করার আগে ও পরে করণীয়
- জাল দলিল চেনার উপায়
- Land Info Services: অনলাইনে ভূমি তথ্য সেবা
তথ্যসূত্র
- খতিয়ান হচ্ছে দখলের প্রামাণ্য দলিল, মালিকানার নয়: ভূমির সিনিয়র সচিব, রাইজিংবিডি। risingbd.com
- ‘ভূমি (Bhumi)’ অ্যাপ QR কোড ব্যবহারের অনুরোধ করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়, ৭১ সংবাদ, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ (ভুয়া কিউআর কোড, হটলাইন ১৬১২২)। 71sangbad.com
- ই-নামজারিতে কিউআর কোডযুক্ত ডিসিআর ও খতিয়ান চালু, সারাবাংলা। sarabangla.net
- ১০ মিনিটেই জমির খতিয়ান, জানুন অনলাইনে পর্চা পাওয়ার নিয়ম, ২৪ আপডেট নিউজ, সেপ্টেম্বর ২০২৬। 24updatenews.com
- হোম বিডি ইনফো, ই-পর্চা খতিয়ান ডাউনলোড ও আবেদনের নিয়ম ২০২৬ (পোর্টালের হালনাগাদ ঠিকানা সংক্রান্ত নোট)। homebdinfo.com
- ভূমি জরিপ: CS, RS, PS, BS কী জেনে নিন?, ব্যাংকিং নিউজ বিডি এবং খতিয়ানের প্রকারভেদ, বিডি ল হাব (সময়কাল সূত্রভেদে ভিন্ন)। bankingnewsbd.com ও bdlawhub.com
- ভূমি জরিপ কী এবং কেন করা হয়, নয়া দিগন্ত (সম্পাদকীয়)। dailynayadiganta.com
- প্রতারণা রোধে ভূমি মন্ত্রণালয়ের জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি, নয়া দিগন্ত। dailynayadiganta.com
এই লেখা সাধারণ তথ্যের জন্য। সরকারি নিয়ম, ফি ও সেবা বদলাতে পারে; স্বাস্থ্য বা আইনি বিষয়ে সিদ্ধান্তের আগে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা অফিসিয়াল সূত্রে যাচাই করে নিন।

১১০টি মন্তব্য:
জমির খতিয়ে জমির সহ মালিক নাম
উত্তরমুছুনআপনি কমেন্ট করে কি বুঝাতে চেয়েছেন? কোন কিছু জানতে প্রশ্ন কিংবা আপনার মতামত বা পরামর্শ কমেন্ট করুন।
মুছুনজমির, মালি
মুছুনককে,জানতে,চাই
যে জমির মালক জানতে চান সেই জমির খতিয়ান কিংবা দাগ নাম্বার দিয়ে অনলাইন ই পর্চায় সার্চ করুন। খতিয়ান, দাগ নাম্বার জানা না থাকলে জমির মালিক বা তার পিতার নাম দিয়ে সার্চ করেও খতিয়ান দেখতে পাবেন।
মুছুনআমার দাদার জমি দেকব কি ভাবে
উত্তরমুছুনআপনার দাদার নাম দিয়ে সার্চ করেও দেখতে পারেন অনলাইনে। যদি দাগ খতিয়ান আপনার জানা না থাকে। আর দাগ খতিয়ান জানা থাকলে সেগুলো দিয়ে সার্চ করুন। অনলাইন খতিয়ান সাথে সাথে ডাউনলোড করতে পারবেন।
মুছুনএই মন্তব্যটি একটি ব্লগ প্রশাসক দ্বারা মুছে ফেলা হয়েছে।
মুছুনআপনার বাবা যদি জমি বিক্রি করে না থাকে তাহলে জমি বেদখল হলে কিভাবে উদ্ধার করবেন সেই বিষয়ে একটি ইনফো আমাদের সাইটে রয়েছে। আশা করি ইনফোটি আপনাকে সহযোগিতা করবে।
মুছুনআমার বাবার নামে এস এ রেকর্ড বিদ্যমান কিন্তু জমি বেদখল করোনিয়ো কি
মুছুনআব্দুল আজিজ এর বন্দচিথলিয়া মোজায় কত খানি জমি আছে
উত্তরমুছুনআমার দাদা একটি জমি কিনছে 1956 সালে তার সাফ কাওলা আছে ,,,অতছয় ,,আরোয়ার হয়ে গেছে যে বিক্রি করেছে তার নামে
উত্তরমুছুনটাংগাইল,সখিপুর,সুরির চালা মৌজায় হাছেন নামে কত টুকু জমি আছে
উত্তরমুছুনঅনলাইনে ই-পর্চা ওয়েবসাইটে জমির মালিকের নাম দিয়ে (হাছেন) সার্চ করুন। তার নামে যতগুলো খতিয়ান রয়েছে সবগুলোর লিস্ট দেখতে পারবেন।
মুছুনআমার নাম আজিম উদিদন বাবার নাম আলী আহমদ দাদার নাম হাবিবুর রহমান রাজাপুর ইউনিয়ন গ্রাম 10 মোহাম্মদ দিঘির পাড়া উপজেলা দাগনভূঞা ফেনী
মুছুনব্যাক্তিগত তথ্য এখানে কেউ প্রকাশ করবেন না। শুধু প্রশ্ন কিংবা মতামত অথবা কোন বিষয় জানার থাকলে বলতে পারেন।
মুছুনআমার দাদার জমি অন্যরা দখল করে খাচ্ছে ৩০-৩৫ ধরে
উত্তরমুছুনদাদার জমির পাশে গুচ্ছগ্রাম হয়
১৯৮৪- গুচ্ছ গ্রাম হয় ১৯৮৬ সালে আমার বাবা সে জমির খাজনা দিয়েছিলো,অতপর ততকালীন চেয়ারম্যান ক্ষমতা খাটিয়ে জমির খাজনা নেওয়া বন্ধ করে দেয়,তখন থেকে গুচ্ছ গ্রামের লোকেরা এই জমি দখল করে খাচ্ছে
এই জমির জন্য অনেক মারামারি হইছে,
এই জমির জন্য আমার বাবা এখনো কোনো মামলা করে নি
আমরা কি এই জমি পেতে পারি
জমির বর্তমান রেকর্ড কার নামে? যদি আপনার বাবার নামে থাকে তাহলে জমিতে দখল প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন। আর যদি জমির আরএস খতিয়ান অন্য কোন ব্যক্তির নামে থাকে তাহলে রেকর্ড সংশোধন মামলা করে আগে জমির খতিয়ান ঠিক করতে হবে। বেদখল কৃত জমি কিভাবে উদ্ধার করবেন জানার জন্য “জমি বেদখল হলে কিভাবে উদ্ধার করবেন? কিংবা বেদখল হলে করণীয় কি?” ইনফোটি দেখুন।
মুছুনআমার কাছে এসএ এবং সিএস খতিয়ান আছে আমি কি এই জমির মালিক হতে পারবো।বিএস খতিয়ান অন্য জনে গোপনে করে পেলেছে?
মুছুনএই জমিতে আপনার যদি দখল প্রতিষ্ঠা না থাকে তাহলে প্রথমেই আপনাকে রেকর্ড সংশোধন মামলা করতে হবে। রেকর্ড সংশোধন হলে এই জমিতে মালিকানা প্রতিষ্ঠা করার জন্য আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারবেন।
মুছুনআমার দাদার ভাই চার জন। তার মধ্যে দুই জনের কন সন্তান নেই তার মধ্যে এক জন বলে।যাদের সন্তান আছে, তাদের একজন কাকে তার সম্প্রতি লিখে দিয়েছেন। । এখন জমি তিন ভাগে ভাগ হয়। এখন এক জন নেয় দুই ভাগ। আরেক জন এক ভাগ।। এখন যার সন্তান নেই ১জন যে সম্প্রতি লিখে দিয়েছেন সেটা দেখব কিভাবে। তারা তো মুখ দিয়ে বলতেছে। তারাতো কাগজ দেখাই তেতে না।
উত্তরমুছুনআর এস খতিয়ান থেকে বি এস খতিয়ান কাদের নামে হইছে তা কিভাবে বের করব?
উত্তরমুছুনখতিয়ানের ইনডেক্স সূচি দেখে সহজেই বের করতে পারবেন।
মুছুনজোন কুমিল্লা জেলা ব্রাহ্মণ বাড়িয়া উপজেলা কসবা মুজা বাহাদুরপুর বজলুর রহমান পিতা মৃত্যু গণি মুন্সি
মুছুনখতিয়ান
ওহেরা খাতুনের জমি কার কার নামে আছে
উত্তরমুছুনএটা কোন ধরণের প্রশ্ন হলো? আমরা কারো ব্যাক্তিগত তথ্য নিয়ে কাজ করি না। সাধারণত তথ্যের সাইট এটি।
মুছুনস্যার আমার বাড়ী শরীয়তপুর জেলা আমার বাবার কিছু জায়গা ছিল কিন্তু আমার চাচারা দখল করে খায় আমার কাছে কোন কাগজ নাই কি করতে পারি আমাকে উপধেস দিতেন তাহলে দাদাওবাবার বাড়ীরতে ছোট খাটো ঘর করতাম কারন আমারতো ঘর বাড়ী নাই
উত্তরমুছুনআপনার বাবার যদি জমি থেকে থাকে তাহলে সর্বপ্রথম তার কাগজপত্র (খতিয়ান/দলিল) যোগার করুন। এখন আপনার বাবার বা দাদার নাম দিয়ে অনলাইনে সার্চ করেও খতিয়ান বের করতে পারবেন। ই পর্চা ওয়েবসাইট থেকে খতিয়ান বের করে নিন। এরপর স্থানীয়ভাবে শালিশের ব্যবস্থা করুন। এলাকার মেম্বার চেয়ারমেন ঘুসখোর হলে কিছু সৎ লোককে শালিশে উপস্থিত করার ব্যবস্থা করিবেন।
মুছুনআপনার পোস্টের জন্যে ধন্যবাদ। কিন্তু খতিয়ানের মাধ্যমে মালিকানা যাচায়ের পর জমি অন্য কোথাও বেচাকেনা করছে কিনা কিভাবে যাচাই করবো?
উত্তরমুছুনজমি কবে কোথায় কতবার বিক্রি হচ্ছে তা অনলাইনে যাচাই করার সিস্টেম এখনো প্রক্রিয়াধিন রয়েছে। তবে আশা করা হচ্ছে খুব দ্রুত তা সর্বসধারণের জন্য উম্মুক্ত করা হবে।
মুছুনখতিয়ানে মালিকানা যাচাইয়ের পর জমি অন্য কোথাও বেচাকেনা হয়ছে কিনা সেটা কিভাবে যাচাই করা যাবে?
উত্তরমুছুনধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। শুধু খতিয়ান দেখে নিশ্চিত হওয়া যায় না যে জমিটি অন্য কাউকে বিক্রি হয়েছে কি না। খতিয়ান হালনাগাদ না-ও থাকতে পারে। তাই কয়েকটি যাচাই একসঙ্গে করুন:
মুছুন১. জমি যে মৌজায়, সেই এলাকার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দাগ নম্বর ও বিক্রেতার নামে দলিলের সূচি (ইনডেক্স) অনুসন্ধান করুন। সেখানে দেখা যাবে ওই জমির কোনো দলিল রেজিস্ট্রি হয়েছে কি না।
২. ভূমি অফিসে নামজারি (মিউটেশন) আবেদন চলমান আছে কি না বা সম্প্রতি অন্য কারও নামে হয়েছে কি না জেনে নিন।
৩. সর্বশেষ কে ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) দিচ্ছেন, তা দেখুন।
৪. সরেজমিনে দখল দেখুন এবং আশপাশের মানুষের কাছ থেকে জেনে নিন।
৫. মামলা বা ব্যাংক বন্ধক আছে কি না খোঁজ নিন।
৬. টাকা দেওয়ার আগে একজন অভিজ্ঞ ভূমি আইনজীবীকে দিয়ে কাগজপত্র দেখিয়ে নিন।
এটি সাধারণ তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়। বড় লেনদেনের আগে অবশ্যই আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলুন।
আমার তিনটি বিষয় জানার আছে
উত্তরমুছুন১.আমার নাম ইমদাদুল হক। কিন্তু ভুলে আমার নাম খতিয়ানে ইমাদাদুল ( ইমা ) এসেছে। এখন আমি কিভাবে সংশোধন করবো? এবং কোথায় গিয়ে করবো?
২.আমার বাবা আমাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে হেবা দলিল দেয়ার পরেও ই খতিয়ান সার্চ করলে এখনো আমাদের নাম আসছে না কেন?
৩.জমির খাজনা কত বকেয়া রয়েছে তাহা মোবাইলের মাধ্যমে কিভাবে জানা যাবে?
আপনার যদি আর এস খতিয়ানে নামের বানান ভুল হয়ে থাকে তাহলে এটা উপজেলা ভূমি অফিসে আবেদন করে সংশোধন করতে পারবেন। এটাকে করণিক ভুল বলা হয়ে থাকে। এরকম ছোট খাট ভুল উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস থেকে সংশোধন করা যায়। আর.এস. রেকর্ড হওয়ার আগে যদি আপনাদের দলিল হয়ে থাকে , তাহলে আরএস খতিয়ান আপনাদের নামে হওয়ার কথা, আপনার মৌজা অনলাইনে আপডেট হয়েছে কিনা আগে জানুন। যদি হয়ে থাকে তাহলে খতিয়ান, দাগ বা নাম দিয়ে সার্চ করলে পেয়ে যাবেন। আর আপডেট না হলে ই পর্চা সাইটে পাবেন না। জমির খাজনা কত বাকি রয়েছে এটা জানতে আগে আপনাকে ভূমি উন্নয়ণ কর ব্যবস্থাপনা সিস্টেম: অনলাইনে জমির খাজনা ldtax.gov.bd এই সাইটে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
মুছুনআমাদের বাড়ি জমি রেজিস্ট্রার হয়েছিল কি না জন্য
উত্তরমুছুনদাগ নম্বর খতিয়ান নম্বর জানা নেই। আমার দাদার জমি এখন খতিয়ান কিভাবে বের করবো?
উত্তরমুছুনজমির মালিকের নাম দিয়ে অনলাইনে সার্চ করে খতিয়ান বের করতে পারেন।
মুছুনখতিয়ান অনুযায়ী জমির পরিমান জানবো কিভাবে? জানাবেন প্লিজ।
উত্তরমুছুনপ্রতিটি খতিয়ানে জমির পরিমান দেওয়া রয়েছে। খতিয়ানটি অনলাইনে দেখুন জমির পরিমান
মুছুনখতিয়ান থাকলে জমির মালিক হাওয়া যাবে কিনা?
উত্তরমুছুনজমির মালিক যারা তাদের নামেই খতিয়ান হয়ে থাকে। জমির মালিক কে তার প্রমাণপত্রই হচ্ছে খতিয়ান। এখন সে যদি বিক্রি করে দেয় তাহলে তার মালিকানা থাকবে না।
মুছুনThanks
উত্তরমুছুনআপনাকে ধন্যবাদ!
মুছুনকুড়িগ্রাম জেলা মৌজা জে এল নং ঠিকভাবেআসছে না
উত্তরমুছুনকারিগরি সমস্যার কারণে এটা হতে পারে। এজন্য আপনার ব্রাউজারের কুকিজ ক্লিয়ার করে পুনরায় ভিজিট করুন।
মুছুনআমি সার্চ দিয়ে কিছুই দেখতে পারছি না আর কি উপায় দেখা যেতে পারে যানাবেন দয়া করে।
উত্তরমুছুনদাগ খতিয়ান কিংবা নাম দিয়ে সার্চ করলে যদি কিছুই দেখা না যায় তাহলে বুঝতে হবে সেই দাগ, খতিয়ান বা নাম সার্ভারে আপডেট করা হয় নাই। অথবা আপনি ভুলভাবে ইনপুট দিয়ে সার্চ করেছেন।
মুছুনএস এ রেকর্ড এর জমি গুলো অনলাইনে পাউয়া যায়না কেন?
উত্তরমুছুনকে বলছে এস এ রেকর্ড অনলাইনে পাওয়া যায় না? আপনি সঠিক খতিয়ান নাম্বার দিয়ে সার্চ করে দেখুন। না পেলে জেলা রেকর্ডরুমে যোগাযোগ করুন।
মুছুন508 নং খতিয়ান 965 দাগ মালিক জাচাই
উত্তরমুছুনআপনি কি এই খতিয়ান কিংবা দাগ নাম্বারের জমির মালিক কে জানতে চান? যদি মালিক দেখতে চান তাহলে https://eporcha.gov.bd/khatian-search-panel লিংকে গিয়ে বিভাগ, জেলা, উপজেলা নির্বাচন করে খতিয়ানের টাইপ (সিএস, এসএ, আরএস) নির্বাচন করে মৌজা সিলেক্ট করুন। এরপর খতিয়ান কিংবা দাগ নাম্বার লিখে সার্চ বাটন ক্লিক করুন। নিচের দিকে দেখবেন মালিকের নামসহ খতিয়ানের জমির পরিমান দেখাচ্ছে। এখানে নির্দষ্টি ফি প্রদান করে অনলাইনেই খতিয়ানটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
মুছুন১.কেউ জমির প্রকৃত মালিক না হয়ে ও কি বুয়া দলিল দিয়ে খাজনা দিতে পারবে?
উত্তরমুছুন২. যার নামে খাজনা দেওয়া হয়, সেই কি প্রকৃত মালিক? নাকি খাজনার রশিদ দিয়ে মালিক যাচাই করা যায় না।
আপনার দুটি প্রশ্নই গুরুত্বপূর্ণ।
মুছুন১. ভুয়া দলিল দিয়ে কি খাজনা দেওয়া যায়?
নিয়ম অনুযায়ী খাজনা (ভূমি উন্নয়ন কর) দেওয়া হয় নামজারি (মিউটেশন) হওয়া খতিয়ান ও হোল্ডিং অনুযায়ী। নামজারির সময় ভূমি অফিসে কাগজপত্র যাচাই ও শুনানির ব্যবস্থা থাকে। তাই শুধু একটি ভুয়া দলিল দিয়ে সাধারণত নতুন হোল্ডিং খোলা কঠিন। তবে বাস্তবে জাল কাগজ দিয়ে নামজারি করানো বা এমন কেউ কর পরিশোধ করে ফেলার ঘটনা শোনা যায়। এ কারণে খাজনা দেওয়া হয়েছে মানেই যে সবকিছু ঠিক আছে, এমন ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
২. যার নামে খাজনা দেওয়া হয়, সে-ই কি প্রকৃত মালিক?
না। খাজনার রশিদ (দাখিলা) মালিকানার চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। এটি বড়জোর দখল বা কর পরিশোধের একটি ইঙ্গিত দেয়। মালিকানা প্রমাণে মূলত দেখা হয়:
নিবন্ধিত দলিল এবং আগের মালিকদের ধারাবাহিক দলিল,
নামজারি খতিয়ান ও ডিসিআর,
সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সূচিতে একই জমির অন্য কোনো দলিল আছে কি না,
সরেজমিনে দখল ও সীমানা।
পরামর্শ: জমি কেনার আগে শুধু খাজনার রশিদ বা অনলাইন খতিয়ান দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন না। দলিল, নামজারি, দখল ও মামলার তথ্য একসঙ্গে মিলিয়ে নিন এবং টাকা দেওয়ার আগে একজন অভিজ্ঞ ভূমি আইনজীবীকে দিয়ে কাগজ দেখিয়ে নিন।
এটি সাধারণ তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়।
১. একই জমি, একই দাগে, ভিন্ন খতিয়ান নম্বরে আলাদা মালিক থাকতে পারে?
উত্তরমুছুন২. আমার জমি আর.এস খতিয়ানে। কিন্তু খতিয়ান অনলাইনে পাচ্ছি না। হার্ড কপি আমার কাছে আছে?
হ্যাঁ একই জমি, একই দাগে ভিন্ন খতিয়ানে আলাদা জমির মালিক থাকতে পারে। যেমন- ধরেন ১১৪৫ দাগে মোট জমির পরিমান ২ একর, কিন্তু আপনার জমির পরিমান এক একর, বাকী এক একর অন্য খতিয়ানে ভিন্ন মালিক হতে পারে। আর দ্বিতীয় বিষযটি হচ্ছে সম্ভবত আপনার আর এস খতিয়ানের মৌজাটি এখনো অনলাইনে আপডেট করা হয় নি। অনলাইনে আপডেট করা হলে অনলাইনে পাবেন। আর খতিয়ানটি সঠিক কিনা এখন যদি যাচাই করতে চান তাহলে উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে গিয়ে খতিয়ানের ভলিয়াম দেখতে পারেন সঠিক আছে কিনা?
মুছুনখতিয়ান এর তথ্য অনুযায়ী খাজনা দেওয়া হয়েছে। তার মানে কি জমি ঠিক আছে? নাকি ভুল খতিয়ানে ও খাজনা দেওয়া যায়।
মুছুনবর্তমান সময়ে ভূল খতিয়ানে খাজনা পরিশোধ করার সুযোগ নেই। তারপরও যদি আপনি ভুল খতিয়ানে খাজনা পরিশোধ করেন তাহলে এটা আপনারই ক্ষতি অন্য কারও নয়। খতিয়ান সঠিক আছে কিনা তা যাচাই করার দায়িত্ব আপনারই। কেননা আগে অসাধু ভূমি দালালদের খপ্পরে পড়ে অনেকেই বিপাকে পড়েছেন। ডিজিটাল সিস্টেম চালু হওয়ায় একন অবশ্য এগুলো অনেকটা নেই বললেই চলে।
মুছুনঅনলাইনে কি খতিয়ান ঠিক আছে কি না যাচাই করা যায়??
মুছুনhttps://www.eporcha.gov.bd/khatian-search-panel লিংকে খতিয়ানটি সার্চ করে দেখুন। যদি থাকে তাহলে আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে খতিয়ানটি সঠিক। আর যদি না থাকে তাহলে দেখুন সংশ্লিষ্ট খতিয়ানের মৌজাটি অনলাইনে পাবলিশড হয়েছে কিনা? না হয়ে থাকলে উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে গিয়ে ভলিয়াম দেখুন সঠিক আছে কিনা।
মুছুনআমার 61 শতক জমি 2000 সালের দলিল করা হয়েছে তিনবারে দুটা দলিল পেয়েছি একটি দলিল পাচ্ছিনা তাহলে কি করতে হবে
উত্তরমুছুনআসলে আপনার কমেন্টটি আমরা বুঝতে পারছি না। আপনি কি দলিল হারিয়ে ফেলছেন? দলিল হারিয়ে গেলে দলিলের জাবেদা তুলতে পারেন জেলা রেকর্ড রুম কিংবা ভূমি রেজিস্ট্রেরী অফিস থেকে।
মুছুনজাবেদা দলিলের অনুরুপ আইনগত বৈধতা রয়েছে।
আমার বাড়ি ঢাকা দোহার পূচিম রাধানগর নুরপুর আমার বাবার নাম ওহাব সরদার জমি রেকর্ড কি ভাবে দেখব
উত্তরমুছুনআপনার বাবার নাম দিয়ে রেকর্ড খতিয়ান সার্চ করে দেখতে পারেন। এছাড়াও রেকর্ড খতিয়ান নং/ দাখ নম্বর ইত্যাদি দিয়ে সার্চ করে অনলাইনে দেখতে পারেন।
মুছুনজমি রেকর্ড করলেই কি মালিক হওয়া যায়? অংশীদার হয়ে ও যদি রেকর্ডে নাম না থাকে তবে কি সে জমির ভাগ পাবে না?
উত্তরমুছুনজমির মালিকানা প্রমাণই হচ্ছে রেকর্ড খতিয়ান। যদি কেউ ছলতুরী করে বেআইনিভাবে রেকর্ড করে তাহলে জমির প্রকৃত মালিককে আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে।
মুছুনআমার বাবার দাদার সম্পত্তি আছে কিনা তা কি ভাবে জানব।আমার না জানা আছে দাগ নম্বর না জানা আছে কনকিছু।।।।।কি করব একটা সমাধান দেন ভাই।
উত্তরমুছুনআপনার দাদার নাম দিয়ে অনলাইন ভূমি সেবার ওয়েবসাইটের ই- পর্চা সার্চ করে দেখুন, আপনার দাদার নামে কোন খতিয়ান আছে কিনা
মুছুনসার্টিফাইড কপির জন্য আবেদন করেছি কিন্তু এখনো পাচ্ছি না কেনো? এখন কি পদক্ষেপ নেওয়া যায়?
উত্তরমুছুনডাকযোগে সার্টিফাইড কপি পেতে মাঝে মাঝে কিছুটা সময় লাগতে পারে। পোস্ট পিয়ন হয়তো আপনাকে সনাক্ত করতে পারছে না কিংবা অন্য কোন কারণে সময় লেগে যাচ্ছে। কিছুদিন অপেক্ষা করার পরও যদি না পেয়ে থাকেন তাহলে জেলা রেকর্ড রুমে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা অনলাইনেও অভিযোগ করতে পারেন।
মুছুনআমরা একটা জমি ওয়ারিশ মুলে ভোগ দখল করে আসচি প্রায় ৯০ বছর হল।সি,এস এমার, আর ফেল, বর্তমান ফাইনাল পর্চায় ৯এর কলমে অনুমতি ক্রমে দখল দুই নামে ৫০০+৫০০ দেয়া আছে বাড়ি হিসাবে। এখন কি আমরা এ জমির মালিক? কিংবা মালিক হতে আমাদের করনিয় কি?
উত্তরমুছুনবর্তমান ফাইনার রেকর্ড পর্চা যে দুই নামে আছে তারাই মূলত জমির প্রকৃত মালিক রেকর্ড সূত্রে। রেকর্ড পর্চা যদি কোন ত্রুটি থাকে তাহলে আপনারা আদালতের আশ্রয় নিতে পারেন। কেননা রেকর্ড পর্চা চূড়ান্ত হওয়ার পর কেবল আদালতের মাধ্যমেই তা সংশোধন করা যায়। এছাড়া অন্য কোন পথ নেই।
মুছুনSa কাগজ টা কিভাবে পাবো আমাদের কাছে Rs সিটি জরিপ কাগজ আছে শুধু
উত্তরমুছুনআমার নানা বাড়ি জমি দখল করে আছে মামারা এখন আম্মু নামে লিখাও আছে দলীল কিন্তু দলীল তারা দেয় না আর কেউ সাহায্য করে না এখন আম্মু নামে দলীল করতে চাচ্ছি এবং কিভাবে মামাদের উচ্ছেদ করতে পারবো যদি একটু ইনফর্মেশন দিতেন
সেটেলমেন্ট অফিস থেকে যে কোন রেকর্ড কাগজ দেখতে পারেন। আর বেদখ জমি কিভাবে উদ্ধার করবেন এই বিষয়ে আমাদের সাইটে একটি বিস্তারিত ইনফো দেওয়া আছে সেটি ভাল করে পড়ুন।
মুছুনআমি আমার জায়গা মোবাইলে কেমনে দেখবো কতটুকু আছে বা নেই??
উত্তরমুছুনমোবাইলের ব্রাউজার থেকেই আপনার জমির রেকর্ড দেখা যায়। এর জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের ই-পর্চা পোর্টাল ব্যবহার করুন।
মুছুনধাপগুলো:
১. ব্রাউজারে dlrms.land.gov.bd (ই-পর্চা) লিখে সাইটে যান। ভুয়া সাইট থেকে সাবধান, শুধু .gov.bd ঠিকানা ব্যবহার করুন।
২. "খতিয়ান অনুসন্ধান" বা অনুরূপ অপশন বেছে নিন।
৩. খতিয়ানের ধরন (সিএস, এসএ, আরএস, বিএস বা নামজারি খতিয়ান) বেছে বিভাগ, জেলা, উপজেলা, মৌজা ঠিক করুন।
৪. খতিয়ান নম্বর বা দাগ নম্বর (কিংবা মালিকের নাম) দিয়ে অনুসন্ধান করুন।
৫. ফলাফলে মালিকের নাম, দাগ নম্বর ও জমির পরিমাণ দেখতে পাবেন। আইনি কাজে ব্যবহারের জন্য সার্টিফাইড কপি আবেদন করতে হয়।
একটি জরুরি কথা: অনলাইনে যা দেখবেন তা সরকারি রেকর্ড। জমি বিক্রি হয়েছে কি না বা আসলে কে দখলে আছেন, তা এখান থেকে নিশ্চিতভাবে জানা যায় না। সেটি জানতে নামজারি, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল ও সরেজমিনে দখল মিলিয়ে দেখতে হবে।
এটি সাধারণ তথ্য। বিস্তারিত ও ফি জানতে ভূমি অফিস বা land.gov.bd-তে দেখে নিন।
দেশের যেকোন ভূমি সংক্রান্ত সেবা কি অনলাইনে পাওয়া যায়? নাকি নির্দিষ্ট কিছু ভূমি.....?
উত্তরমুছুনএখন পযর্ন্ত যেগুলো চালু হয়েছে তা সবগুলোই অনলাইনে পাবেন। কিছু সেবা পরীক্ষামূলকভাবে চলছে। তবে আশা করা হয় ভবিষ্যতে সবগুলো ভূমি সেবা অনলাইনে পাওয়া যাবে।
মুছুনস্যার,জমি বিক্রি করে গিয়েছে,কিন্তু দলিল নাই,বলতে চেয়েছি যে আমাদের বাড়ি আগুনে পুড়িয়ে গিয়েছিল, তাই সব দলিল ছাই হয়ে গেছে,এখন আমার সাল তারিখ দলিল নাম্বার কিছুই জানা নাই এগুলো কিভাবে খুঁজব
উত্তরমুছুনদলিল করার পর নামজারি করে যে ভূমি অফিসে কর পরিশোধ করেছেন, সেখানে তল্লাশি ফি পরিশোধ করে খুঁজলে সহজেই আপনার জমি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য পেয়ে যাবেন।
মুছুন৯নংকলামে নাম থাকলে কি আমি অন্যদাগের অংশ পাবো না।।.
উত্তরমুছুনএই কলামে নাম থাকার অর্থ হচ্ছে উক্ত জমির মালিক অন্যজন হলেও দখলভোগ করছে নামধারী।
মুছুনআমি ২০০৯ সালে ৪৫ শতক জমি কিনে রেজিস্ট্রার করেছি এখন ২০২২ সালে নামজারি করতে গেলে উপজেলা ভূমি অফিসের অফিসার বলতেছে আমার জমি নাকি সরকার নিয়ে গেছে। এখন আমার জমি কিভাবে ফিরে পাব। আপনার হেল্প পেলে খুব উপকৃত হবো।
উত্তরমুছুনআমরা কিভাবে আপনাকে হেল্প করতে পারি তা জানিয়ে আমাদের মেইল করুন। কমেন্ট দেখে মনে হচ্ছে, যার কাছ থেকে জমি ক্রয় করছেন জমিটি তার নামে ছিল না কিংবা তার নামে রেকর্ড করতে পারে নাই। তাই সরকারের নামে রেকর্ড হয়েছে। সাধারণত জরিপ করার সময় যে সকল জমির মালিকের খোঁজ খবর থাকে না সেই সকল মালিকের জমি সরকার নিয়ে নেয়।
মুছুনআমার বি এস খতিয়ান নাম্বার জানা নেই কিভাবে বি এস খতিয়ান এর মালিক বের করা যাবে
উত্তরমুছুনআপনার বি.এস. খতিয়ান নম্বর জানা না থাকলেও চিন্তার কিছু নেই। জমির জেলা, উপজেলা, মৌজার নাম এবং দাগ নম্বর বা পুরোনো খতিয়ানের তথ্য থাকলে বি.এস. খতিয়ান ও মালিকের তথ্য খুঁজে বের করার চেষ্টা করা যায়। বিস্তারিত জানতে আমাদের পোস্টটি অনুসরণ করুন।
মুছুনচট্টগ্রামে আনোয়ার ইছাখালী মৌজা আমার দাদার নামে জমি ছিল, সেটা এখন কি করে দেখব
উত্তরমুছুনএই মৌজার যদি অনলাইনে আপডেট হয়ে থাকে তাহলে ই-পর্চা ওয়েবসাইনে আপনার দাদার নাম বা খতিয়ান কিংবা দাগ নাম্বার দিয়ে সার্চ করলে দেখতে পারবেন।
মুছুনহুম
মুছুন২০১১ সালে আমার নানা তার মালিকানাধীন জমিনের চার গণ্ডা আমার মা(নানার ২য় কন্যা) কে হেবা করে দিয়েছিলেন এবং তিনি ২০১১ সালা মৃত্যুবরণ করেন।এই বছর ২০২২ সালে আমার মামা একটি দলিলে ও খতিয়ানের ভিত্তিতে আমার মায়ের সে চার গণ্ডা জমি দকলের জন্য স্থানীয় মুরুব্বী এবং জমিন তদারকের আমিন ডেকে দুই পক্ষের কাগজ যাচাই করেছেন। তাদের ভাষায় আমার মায়ের দলিল এবং খতিয়ান কার্যকর হবেনা,মামা ডকুমেন্ট কার্যকরী। এক্ষেত্রে আমাদের কি করণীয় আছে?
উত্তরমুছুনহেবা দলিল কার্যকরী না হয় তাহলে দলিল অনুযায়ী জমি পাবে না এই বিষয়ে অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে পারেন। আর আপনার নানা যে সম্পদ রেখে মারা গেছেন তার থেকে আপনার মা নির্ধারিত অংশের মালিকানা প্রাপ্ত হবেন।
মুছুনআমার দাদার জমি কত ছিলো তা জানি না
উত্তরমুছুনআপনি কি পিতা এবং দাদাকে হারিয়েছেন? যার কারণে আপনার আত্নীয় স্বজন আপনার দাদার জমি গোপন করে ফেলেছে। যদি তাই হয় তাহলে জমির কাগজপত্র সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করে ভূমি অফিস থেকে মৌজার খতিয়ানগুলো যাচাই করে দেখুন আপনার দাদার নামে কোন জমি আছে কিনা?
মুছুনআমার বাবার কতগুলো জমি ছিল আমি জানি না
উত্তরমুছুনআর আমার কাছে কোন ডকুমেন্টস নাই
আমি এখন কিভাবে বুঝব যে এটা আমার বাবার নামে জমি
আমরা আত্মীয় স্বজন ভোগ করে খাচ্ছে জমি বলে তাদের জমি তাদের নামে কাগজ
ভুমি অফিস থেকে আপনার মৌজার জমির খতিয়ানগুলো দেখুন আপনার বাবার নামে কতগুলো জমি আছে। অনলাইনে আপনার বাবার নাম দিয়ে সার্চ করলেও কতগুলো খতিয়ান রয়েছে তা দেখতে পারবেন।
মুছুনআমার বাবা মারা যাবার পর আমার সত ভাই বাড়ী জমি সব দখল নিয়ে নিচ্ছে আর বলে জমিজমা বাড়ী যা আছে সব নাকি ওর মায়ের নামে। আমি পড়াশোনা করতাম বাহিরে থেকে বাড়ীতে তেমন আসা যাওয়া হত না। এখন আমি আমার পৈত্রিক সম্পওির ভাগ চাই। আর আমি কি করে জানব যে আমার পিতার নামে বাড়ী বা কোন জমি আছে কিনা?
উত্তরমুছুনআপনার পিতার জমির খতিয়ান দেখুন। আপনার বাবার জমি থাকলে অবশ্যই জমির ভাগ পাবেন। আর যদি না থাকে তাহলে আপনার সত ভায়ের মায়ের জমির ভাগ পাবেন না।
মুছুনআমার দাদুর নামে জে জমি জে মৌজায় মৌজায় দাখিল খতিয়ান
উত্তরমুছুনআমার দাদুর নামে কতটুকু জমি জামা আছে আমি সেটা কি ভাবে জানবো
উত্তরমুছুনআপনার দাদুর নামের খতিয়ানগুলো চেক করে দেখুন। খতিয়ানে জমির পরিমান দেওয়া থাকে।
মুছুনআসলামুআলাইকুম ভাইয়া আমি কিভাবে নাম দিয়ে কিভাবে চেক করতে পারব আমার দাদুর কতটুকু জমি আছে সেটা আমার খতিয়ান আর দাগ নাম্বার জানা নেই যদি দয়া করে লিংক টা আমাকে দিতেন
উত্তরমুছুনই-পর্চা গুগলে সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন ই-পর্চা ওয়েব সাইট। সেখানে আপনার দাদুর নাম দিয়ে খতিয়ান চেক করতে পারেন। বিস্তারিত জানতে আমাদের সাইটের ই-পর্চা ইনফোটি দেখুন।
মুছুন১৯৮২ জমি বিক্রি করে দেয় রেকর্ড আমাদের নামে ১ শতাংশ আসে তাহলে জমিন পাবো
উত্তরমুছুনআপনার প্রশ্নটা আসলে বুঝতে পারছি না। আপনি কি জমি বিক্রি করে দিয়েছেন এবং সেই বিক্রি করা জমির এক শতাংশ আপনার নামে নতুন রেকর্ড হযেছে? যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে তাদেরকে আবার বিক্রি করে দেন। কেননা সে আপনার কাছে টাকা দিয়ে ক্রয় করেছে। রেকর্ড অনুযায়ী আপনি মালিক হলেও বিক্রি করেছেন তার প্রমাণ যদি থাকে তাহলে আইনি লড়াইয়ে হেরে যাবেন।
মুছুনআমার দাদা শশুর উত্তরাধিকার সুত্রে কোথায় কত টুকু জমির মালিক হয়েছেন সেটা কিবাবে জানতে পারবো? গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার কোন জমির অনলাইনে তথ্য বা পর্চা পাওয়া যায় না? সেক্ষেত্রে কি করনীয়?
উত্তরমুছুনকতটুকু মালিকানা হয়েছেন এটা সহজেই জানতে উত্তরাধিকার ক্যালকুলেটর ব্যবহার করুন। আর জমির কাগজ অনলাইনে না থাকলে আপনার ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগাযোগ করলে যে কোন খতিয়ান পেয়ে যাবেন।
মুছুনঅনেক ভালো হইসে
উত্তরমুছুনধন্যবাদ
মুছুনঅনলাইন খতিয়ান আর সার্টিফাইড খতিয়ানে পার্থক্য কি?
উত্তরমুছুনআমি খতিয়ান নাম্বার দিয়ে মালিকের নাম ও পিতার নাম মিলিয়ে অনলাইন খতিয়ান কপির জন্য আবেদন করেছি। আমাকে সংশ্লিষ্ট জেলার ডিসি অফিস থেকে একটা নির্ধারিত তারিখে নিতে বলেছে। ডিসি অফিসের কোথায় পাব এটা। আর আমি এটার দাগ নং জানিনা দাগ নং কি অনলাইন খতিয়ানে থাকবে? নাকি খতিয়ান দিয়ে সার্চ করার পর যে ক্রমিক নং মালিকের নাম পিতার নাম ও খতিয়ান নম্বর দেখা গিয়েছিল তা ই থাকবে? উল্লেখ্য যে আমি আর এস খতিয়ান নং দিয়ে সব কাজ করেছি।
অনলাইন খতিয়ান হলো আপনি অনলাইন থেকে যে খতিয়ান ডাউনলোড করবেন আর সার্টিফাইড খতিয়ান হচ্ছে জেলা রেকর্ডরুম থেকে যে খতিয়ান প্রত্যায়িত করে গ্রহণ করা হয়। অনলাইন খতিয়ান কোন অফিসিয়াল কাজে ব্যবহার করতে পারবেন না, তবে পারিবারিক ব্যবহারের জন্য ব্যবহার করতে পারেন। অনলাইন কিংবা সার্টিফাইড খতিয়ানে তথ্য একই থাকে। অনলাইনে শুধু সীল স্বাক্ষর থাকে না। ডিসি অফিসের একটি সেকশন হচ্ছে রেকর্ড রুম। এখান থেকে আপনি যে কোন খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি নিতে পারেন।
মুছুনএকদাগে এস,এ খতিয়ানে জমিটি ভিপি সম্পত্তি হিসাবে ছিল।কিন্তু,আর,এস এসে ৫দাগে হয়ে ৪দাগে ভিপি সম্পত্তি হিসাবে আছে।কিন্তু,১টি দাগ একজন ব্যক্তির নামে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করে তার নামে রেকর্ড করে নেয়,তার দলিল নেই শুধুমাত্র খতিয়ান আছে।এটা কিভাবে সম্ভব হলো?উক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার স্ত্রী আরেকজনে কাছে সম্পত্তিটি বিক্রির করে দেয়-আর,এস,রেকর্ডসুত্রধরে....।এখন,আমার কথা হলো,শুধুমাত্র অনলাইনে আর,এস খতিয়ানটি দেখায়,কিন্তু,সি,এস-এস,এ দেখায় না কেন?
উত্তরমুছুনসি. এস. খতিয়ান নামজারির মাধ্যমে মালিকানা পরিবর্তন হলে অনলাইনে সেই খতিয়ানটি সাধারণত দেখায় না। জমির দলিল হচ্ছে ক্রয় করার প্রমাণপত্র আর মালিকানার প্রমাণপত্র হচ্ছে জমির খতিয়ান।
মুছুন