ডিজিটাল মুদ্রা: বিটকয়েন কি? What is Bitcoin? Cryptocurrency ক্রিপ্টোকারেন্সি ইনফো

ডিজিটাল মুদ্রা তথা Cryptocurrency ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পর্কে মানুষের আগ্রহ অনেক বেড়ে গেছে বর্তমানে। এর একটা কারণও রয়েছে। এতদিন বিভিন্ন দেশে ক্রিপ্টোকারেন্সি অবৈধ থাকলেও এখন এটি বৈধভাবে লেনদেন শুরু হতে যাচ্ছে। এটিকে কেন্দ্র করে বড় বড় বিশ্ববাজার তৈরি হয়েছে। বিশ্বের বড় বড় কোম্পানীগুলো ক্রিপ্টোকারেন্সি দিয়ে লেনদেন শুরু করেছে। বিভিন্ন দেশে এটি নিষিদ্ধ হওয়ায় মানুষের আগ্রহ আরো বেড়ে যায়। কেননা সম্প্রতিক সময়ে একটি দেশ Cryptocurrency ক্রিপ্টোকারেন্সি তথা বিটকয়েনকে সে দেশের বৈধ মুদ্রা হিসাবে ঘোষণা করেছে। আজকের ইনফোতে ডিজিটাল মুদ্রা: বিটকয়েন কি? What is Bitcoin? Cryptocurrency ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে আলোচনা করা হলো।

ডিজিটাল মুদ্রা: বিটকয়েন কি? What is Bitcoin? Cryptocurrency ক্রিপ্টোকারেন্সি ইনফো

What is Cryptocurrency? ক্রিপ্টোকারেন্সি কি?

ক্রিপ্টোকারেন্সি হচ্ছে এক প্রকার ভার্চুয়াল মুদ্রা যা ক্রিপ্টোগ্রাফের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এ ভার্চুয়ার মুদ্রা ব্যবস্থায় কেন্দ্রীয় কোন নিয়ন্ত্রক নেই। সরাসরি পিয়ার টু পিয়ার লেনদেন সম্পন্ন হয়। ফলে লেনদেন এ গ্রাহককে বারতি চার্জ বহন করতে হয় না।

সর্বপ্রথম যে ক্রিপ্টোকারেন্সি চালু হয় তার নাম দেওয়া হয় বিটকয়েন। বিটকয়েনের সফলতার পর আরো অনেক প্রকার ক্রিপ্টোকারেন্সি চালু হয় তবে সেগুলো সফলতার মুখ দেখে নাই।

বিটকয়েন সম্পর্কে এখানে আলোচনা করা হলো। কেননা বিটকয়েনের ব্যবহার বিশ্ববাজরে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

 বিটকয়েন কি? What is Bitcoin?

আপনাকে যদি প্রশ্ন করি টাকা কি? তাহরে উত্তরে বলবেন বাংলাদেশের মুদ্রা হচ্ছে টাকা। তেমনি আমেরিকার মুদ্রা হচ্ছে ডলার, ভারতের মুদ্রা হচ্ছে রুপি ইত্যাদি। একেক দেশে একেক রকম মুদ্রা চালু রয়েছে। তবে ইন্টারনেটের মাধ্যমেও এক ধরনের ডিজিটাল মুদ্রা চালু রয়েছে যাকে বিটকয়েন, বিটক্যাশ, ইথিরাম ইত্যাদি বলা হয়। কোন দেশের সরকার এই মুদ্রা ইস্যু করে না।

এই ডিজিটাল মুদ্রার নিয়ন্ত্রক সংস্থা নেই। পিয়ার টু পিয়ার লেনদেন ব্যবস্থা। তাই বলা যায় অনলাইন ভিত্তিক ওপেনসোর্স মুদ্রা হচ্ছে বিটকয়েন (Bitcoin), যা ক্রিপ্টোগ্রাফি প্রটোকলের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

বিটকয়েন নেটওয়ার্ক কি? What is Bitcoin Network?

যেহেতু বিটকয়েন একটি ডিজিটাল মুদ্রা এবং ইন্টানেটের মাধ্যমে এটি আদ্রান-প্রদান করা হয়ে থাকে। তাই এটি একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এ নেটওয়ার্কের প্রধান বৈশিষ্ট হচ্ছে পিয়ার টু পিয়ার অর্থাৎ একজন গ্রাহক অন্য একজন গ্রাহকের কাছে সরাসরি বিটকয়েন আদান-প্রদান করতে পারে মধ্যস্থকারী কিংবা কোন নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমে এই লেনদেন সম্পন্ন হয় না।

ফলে কোন দেশের সরকার এই ডিজিটাল মুদ্রা লেনদেনের উপর হস্থক্ষেপ কিংবা প্রভাব ফেলাতে পারে না। এজন্যই মূলত অনেক দেশে এই ডিজিটাল মুদ্রার লেনদেন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে একটি দেশ সে দেশের বৈধ মুদ্রা হিসাবে বিটকয়েনকে ঘোষনা করায় সে দেশের মানুষ এখন এটি দিয়ে আলু পোটল ক্রয় তথা ক্রয় বিক্রয়সহ ব্যবসায়িক যে কোন লেনদেন করতে পারে প্রচলিত মুদ্রার মতই।

ব্যবহারকারীরা বিটকয়েন ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়ালেট (ইন্টারনেট মানিব্যাগ) ব্যবহার করে লেনদেন সম্পন্ন করে থাকেন। ব্যবহারকারীকে শুধু নেটওয়ার্ক খরচ বহন করতে হয় বিভিন্ন বিটকয়েন ওয়ালেট ব্যবহার করার জন্য। এছাড়া এই ডিজিটাল লেনদেন করার ক্ষেত্রে বারতি কোন প্রকার চার্জ লাগে না।

বিটকয়েনের কারখানা বা বিটকয়েন খনি কি?

আমরা প্রাকৃতিকভাবে যে খনি দেখতে পাই যেমন- তেলের খনি, স্বর্ণে খনি ইত্যাদি। এ খনিগুলো থেকে উৎপাদন হতে হতে এক সময় খনি খালি হয়ে যায়। আর বিটকয়েনও উৎপাদন হতে হতে এর খনি এক সময় খালি হয়ে যাবে। অর্থাৎ নতুন কোন বিটকয়েন উৎপদন বা সৃষ্টি করা যাবে না।

তাই বিটকয়েনকে স্বর্ণের সাথে তুলনা করা হয়। বাস্তবে এর কোন অস্থিত্ব হতে পারে না তবে গানিতিক প্রক্রিয়ায় এটি খনন করা হয়।

তবে এর খনি থেকে সর্বোচ্চ ২ কোটি ১০ লাক বিট কয়েন পাওয়া যাবে। এরপর আর নতুন করে বিটকয়েন তৈরি বা উৎপাদন করা সম্ভব হবে না। 

বিটকয়েন উৎপাদন করাকে মাইনিং বলা হয়। যারা বিটকয়েন উৎপাদন করেন তাদেরকে মাইনার বলে। প্রথম দিকে মাইনাররা সহজেই উৎপাদন করলেও এখন বিটকয়েন উৎপাদন করা অনেক কঠিন।

এখন বিটকয়েন মাইনিং করতে কোটি টাকার উপরে ইনভেস্ট করতে হয়। তা উঠে আসবে যে তার কোন নিশ্চয়তা নেই। কারণ এখন মাইনিং কিংবা বিটকয়েন খনিতে প্রচুর প্রতিযোগিতা এবং প্রচুর শক্তির ব্যায় করতে হয়। অবশ্য এক সময় এই কাজটি বাসার পিসিতে করতে পারা যেত।

সুতরাং বিটকয়েন খনি হচ্ছে ক্রিপ্টোকারেন্সি বিটকয়েন মুদ্রা তৈরি বা আবিস্কার করার প্রক্রিয়া। যেটাকে মাইনিং বলা হয়। আর যারা মাইনিং করেন তাদেরকে মাইনার বলা হয়।

বিনিময় বা এক্সচেঞ্জ বাজার

বিটকয়েনকে নিয়ে অনেক এক্সচেঞ্জ বাজার গড়ে ওঠেছে। তবে সেগুলো বৈশ্বিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যেমন- কয়েনবাজ, প্যাক্সফুল, গোল্ডাক্স ইত্যাদি।

এই এক্সচেঞ্জগুলোতে বিটকয়েন কেনা-বেচা করা হয়। অনেকে আবার বিটকয়েনের দাম বেরে যাবে এই আশায় স্বর্ণেমত এটিকে ক্রয় করে রেখে দিচ্ছে।

এই প্রবণতা বেশি থাকায় বিটকয়েনের দরপতন ওঠানামা খুব কম সময়ের মধ্যে সংঘটিত হতে দেখা যাচ্ছে। অনেকে আবার এই লেনদেনকে ফটকাবাজি লেনদেন বলে থাকেন।

তবে অনেকে আবার ফিউচার মুদ্রাও সমর্থন দিয়ে থাকেন। কারণ ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জগুলোর মধ্যে অনেক ধরণের ক্রিপ্টোকারেন্সি লক্ষ করা যাচ্ছে।

ভগ্নাংশে বিটকয়েন ক্রয়-বিক্রয় বা বিনিময় করা যায়

বিটকয়েন বিনিময় হার বেরে যাওয়ায় এখন এর ভগ্নাংশ নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে। অর্থাৎ বিটকয়েন ভগ্নাংশে ক্রয় করা বা বিনিময় করা সম্ভব।

উদ্ভাবকের নামের সাথে মিল রেখে এর ভগ্নাংশের নামকরণ করা হয়েছে। ফলে বিটকয়েনের ভগ্নাংশের একক সাতোশি নামে পরিচিত লাভ করে।

এক বিটকয়েনের ১০ কোটি ভাগের একভাগ হচ্ছে এক সাতোশি। এক ভগ্নাংশ অর্থাৎ এক সাতোশি ক্রয় করা গেলেও বিটকয়েন এক্সচেঞ্জগুলো সাধারণত সর্বনিম্ন একটি পরিমাণ নির্ধারণ করে দিয়ে থাকে।

 

বিটকয়েনের ইতিহাস

সর্বপ্রথম ক্রিপ্টোকারেন্সি (Bitcoin:বিটকয়েন) কে আবিস্কার করেন সেই সম্পর্কে খুবই অল্প তথ্য ইন্টারনেটে পাওয়া যায়। বাংলা উকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী ১৮ ই আগস্ট ২০০৮ সালে Bitcoin.org ডোমেইন নামটি নিবন্ধন করা হয়।

সাতোশি নাকামোতো নামে এক ব্যাক্তি এই বছরের নভেম্বর মাসে রচনাকারে প্রকাশ করেন বিটকয়েন কি এবং এটি কিভাবে কাজ করে। metzdowd.com ওয়েবসাইটের মেইলিং লিস্টে এটি প্রকাশিত হয়।

২০০৯ সালে সাতোশি বিটকয়েনের সোর্স কোড সোর্সফর্য নামে একটি প্লাটফর্মে উন্মুক্ত করেন। এই সালের জানুয়ারী থেকেই বিটকয়েন নেটওয়ার্ক সম্প্রচার শুরু হয়।

তবে বিটকয়েন ডিজাইনার সাতোশি দাবি করেন, ২০০৭ সালে বিটকয়েন ডিজাইন ও কোডিং শুরু করা হয় এবং প্রকল্পটি ২০০৯ সালে মুক্ত সোর্স সফটওয়্যার হিসেবে অবমুক্ত করা হয়েছে।

সর্বপ্রথম বিটকয়েন ডিজাইনার নিজেই ব্লকচেইনের ব্লক মাইন করেন যা “জেনেসিস ব্লক” নামে স্বীকৃতি দেওয়া হয় এবং প্রথম লেনদেন ঘটেছিল সাতোশি নাকামোতো এবং হাল ফিনি নামক এক ব্যক্তির সাথে। অর্থাৎ ডিজাইনার হাল ফিনিকে ১০ বিটকয়েন দিয়ে থাকেন।

বিটকয়েন সোর্স কোড উন্মুক্ত করার প্রথম বছরেই সাতোশি ১০ লক্ষ বিটকয়েন মাইন করেছিলেন। এরপর সাতোমি বিটকয়েন নেটওয়ার্ক কিই এবং বিটকয়েন কোর ( সফ্টওয়ার ওয়ালেট যেকানে বিটকয়েন সংরক্ষণ করা হয়) এর কোড রিপোজিটরির দখল গ্যাভিন অ্যান্ড্রেসেন নামে এক সফটওয়্যার ডেভেলপারের কাছে হস্তান্তর করেন।

ফলে বিটকয়েন ফাউন্ডেশনের প্রধান ডেভেলপার হিসেবে গ্যাভিন অ্যান্ড্রোসেন পদপ্রাপ্ত হয়ে পরিচিত হোন। এরপর থেকে বিটকয়েন ডিজাইনারের (সাতোশির) কোন খোজ পাওয়া যায় না।


বিটকয়েনের সফলতা

বিশ্বের প্রথম মুক্ত- সোর্স ক্রিপ্টোকারেন্সি হিসাবে এটি সফল ডিজিটাল মুদ্রা হিসাবে বিটকয়েন পরিচিতি লাভ করে এবং জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পেতে থাকে।

ফলে আরো অনেক ক্রিপ্টোকারেন্সি তৈরি করা হয়। বর্তমানে প্রায় হাজারের উপরে ক্রিপ্টোকারেন্সি রয়েছে তবে সেগুলো বিটকয়েনের মত সফল হতে পারে নাই।

বিশ্বের বড় বড় কোম্পানীগুলো এখন বিটকয়েন দিয়ে লেনদেন করছে। সাম্প্রতিক সময়ে একটি দেশে এটিকে বৈধ মুদ্রা হিসাবে ঘোষণা করায় এটি একটি সফল মুদ্রা ব্যবস্তা হিসাবে পরিচিতি লাভ করতে যাচ্ছে বলে অনেকেই ধারণা করছেন।

অনেকেই মনে করেন, ভবিষ্যতে মুদ্রা হিসাবে ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং প্রচলিত মুদ্রার স্থান এটি দখল করে নিবে।

কিভাবে বিটকয়েন কাজ করে?

বিটকয়েনের লেনদেন হয় পিয়ার টু পিয়ার অর্থাৎ গ্রাহক থেকে গ্রাহকের কম্পিউটারে। এই লেনদেন এ কোন নিকাশ ঘরের প্রয়োজন হয় না।তাই এই ডিজিটাল মুদ্রার লেনদেন এর কোন নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা নেই।

বিটকয়েনের সমস্ত লেনদেন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় অনলাইনে একটি উন্মুক্ত সোর্স সফ্টওয়ারের মাধ্যমে এবং মাইনারের মাধ্যমে যে কেউ বিটকয়েন উৎপাদন বা সৃষ্টি করতে পারে।

বিটকয়েন উৎপন্ন হওয়ার বিষয়টা সর্বদা অনুমানযোগ্য ও সীমিত হয়ে থাকে। উৎপন্ন বিটকয়েন অনলাইনে একটি ডিজিটাল ওয়ালেট এ জমা রাখা হয়।

এটি দিয়ে কোন পন্য ক্রয় করা হলে বিক্রেতার বিটকয়েন ওয়ালেট একাউন্টে চলে যায় এবং তার একাউন্ট থেকে সমপরিমান বিটকয়েন তার লেজার থেকে কমিয়ে যায়।

বর্তমানে ব্যাংক ডিজিটাল ওয়ালেটগুলোর মতই। তবে বিটকয়েনের কোন নিয়ন্ত্রক নেই এবং ক্রিপ্টোগ্রাফি পদ্ধতিতে হস্থান্তর হয়ে থাকে।

যে কেউ অনলাইন ওয়ালেট (অনলাইন মানিব্যাগ) ব্যবহার করে বিটকয়েন সংরক্ষণ কিংবা লেনদেন করতে পারে। বিভিন্ন ডিজিটাল মুদ্রা এক্সচেঞ্জ থেকে এটি ক্রয় করে লেনদেন কিংবা সংরক্ষণ করতে পারেন যে কেউ।

প্রতি চার বছর পরপর বিটকয়ে পুননির্ধারণ করা হয়। যাতে বাস্তব মুদ্রার সাথে বিটকয়েনের সামঞ্জস্য বজায় থাকে। 

একজন গ্রাহক যখন বিটকয়েন অন্য গ্রাহকের একাউন্টে পাঠায় তখন একটি সতন্ত্র ইলেকট্রনিক সিগনেচার তৈরি হয়। এই সিগনেচার অন্যান্য মাইনার কর্তৃক নিরীক্ষিত হয় এবং নেটওয়ার্কের মধ্যে গোপন এবং সুরক্ষিতভাবে সংরক্ষিত হয়ে যায়।

বাংলাদেশে বিটকয়েন লেনদেন বৈধ কিনা?

২০১৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক বিটকয়েন লেনদেনকে অবৈধ ঘোষণা করে। ফলে বাংলাদেশ থেকে বিটকয়েন দিয়ে লেনদেন করা অবৈধ। তারপরও বাংলাদেশে বিটকয়েন লেনদেন হয় বলে খবর শোনা যায়।

আমাদের জানা মতে বাংলাদেশে বিটকয়েন কেনা-বেচা করা যায় না। যেসব বাংলাদেশি বিটকয়েন কেনা বেচা করেন তারা বিদেশে প্রবাসে থেকে করছেন। 

আপনি প্রবাসী হলে সেখানে বিটকয়েন বেচাকেনা করা গেলে করতে পারেন। তবে যদি নিষিদ্ধ থাকে তাহলে ঝুকি নিয়ে আপনার লাভ কি?

তবে আশা করা হচ্ছে বিটকয়েনের জনপ্রিয়তার কারণে বাংলাদেশেও এটির জন্য আইন তৈরি হবে এবং কেনা-বেচা করার সুযোগ তৈরি হতে পারে ভবিষ্যতে।

যতদিন অনুমোদন হচ্ছে না ততদিন এটির লেনদেন অবৈধ হিসাবে গৃহীত হবে।


কেউ বিটকয়েন দিয়ে অর্থ পরিশোধ করলে বাংলাদেশ ব্যাংক একাউন্টে তা কিভাবে যোগ করবেন?

যারা অনলাইনে আয় করেন তারা হয়তো বিভিন্ন দেশের ক্লাইন্টদের কাছে বিভিন্ন উপায়ে অর্থ গ্রহণ করে থাকে। যেমন কেউ হয়তো পেপাল, পেওনিয়ার কিংবা পেইজা অনলাইন উন্মুক্ত ব্যাংক একাউন্ট খুলে অর্থ গ্রহণ করে থাকেন।

যদি এমন হয় যে, আপনাকে বিটকয়েন এ অর্থ গ্রহণ করা লাগতে পারে তখন কি করবেন? কোন চিন্তা নেই বিটকয়েন এ অর্থ গ্রহণ করুন এবং বিটকয়েন এক্সচেঞ্জগুলোতে বিক্রি করে বাংলাদেশ ব্যাংক একাউন্টে টাকা গ্রহণ করতে পারবেন সহজেই।

বিটকয়েনের যে এক্সচেঞ্জগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকে টাকা প্রেরণ করে, সে এক্সচেঞ্জগুলোতে বিক্রি করবেন তাহলে বিটকয়েন অর্থ ব্যাংকে গ্রহন করতে আপনার কোন সমস্যা হবে না।

তবে বাংলাদেশ থেকে বৈধভাবে বিটকয়েন ক্রয় করতে পারবেন না, করলে আপনি আইন শৃঙ্খলার নজরদারীর মধ্যে পরে যাবেন।

বিটকয়েন বিভক্তকরণ

বিটকয়েন সফ্টওয়ার কোড বিভক্তির কারণে ২০১৭ সালের ১ আগস্টের আগে কেনা সব বিটকয়েন ভার্চুয়ালী দু ভাগে বিভক্ত হয়। 

যারা আগে বিটকয়েন মালিক ছিলেন তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিট ক্যাশের মালিক বনে গেছেন। বিটকয়েন এর মতই বিটক্যাশ ভার্চুয়াল মুদ্রা হিসাবে লেনদেন হচ্ছে।

অর্থাৎ বিটকয়েন একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি মুদ্রা এবং বিটক্যাশ একটি আলাদা ক্রিপ্টোকারেন্সি মুদ্রা। 

কোন মন্তব্য নেই:

Blogger দ্বারা পরিচালিত.