প্রবাসে পৌঁছানোর প্রথম ৭ দিনের করণীয়: নতুন প্রবাসীদের ডে-ওয়াইজ চেকলিস্ট
এই লেখাটি এক বছরের বেশি আগে হালনাগাদ হয়েছে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি বা অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে নিন।
বছরের পর বছর স্বপ্ন দেখেছেন, লাখ লাখ টাকা খরচ করেছেন, পরিবারের চোখের জল পেছনে ফেলে বিমানে উঠেছেন। এখন আপনি নতুন একটি দেশের মাটিতে, চারপাশে অচেনা ভাষা, অচেনা মুখ। এই মুহূর্তে অনেকেই বুঝতে পারেন না, আগে কী করা উচিত।
প্রথম সাতটি দিন আসলে ভবিষ্যৎ প্রবাসজীবনের ভিত্তি। এই সময়ে কয়েকটি ছোট সিদ্ধান্ত পরে বড় বিপদ থেকে বাঁচাতে পারে, আবার কয়েকটি ভুল মাসের পর মাস ভোগান্তি তৈরি করতে পারে। এই গাইডে আমরা সহজ ভাষায় দিনভিত্তিক একটি বাস্তবসম্মত চেকলিস্ট দেখব।
দ্রষ্টব্য: এই লেখাটি শুধু তথ্যমূলক, কোনো আইনি পরামর্শ নয়। প্রতিটি দেশের নিয়ম আলাদা। এখানে সৌদি আরবকে প্রধান উদাহরণ ধরা হয়েছে, কারণ সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি কর্মী সেখানে যান। অন্য দেশে থাকলে আপনার চুক্তি ও সেই দেশের নিয়ম দেখে মিলিয়ে নিন।
যাত্রার আগের শেষ ঝালাই: ৫ মিনিটের চেকলিস্ট
দেশ ছাড়ার আগের প্রস্তুতি নিয়ে আমরা আলাদা বিস্তারিত গাইড লিখেছি, তাই এখানে বিস্তারিত দিচ্ছি না। শুধু মনে করিয়ে দিই, বিদেশগামী কর্মীদের জন্য তিন দিনের প্রাক-বহির্গমন ওরিয়েন্টেশন (PDO) বাধ্যতামূলক, যা বিএমইটির প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে হয়।
- বিএমইটির বহির্গমন ছাড়পত্র বা স্মার্ট কার্ড ও PDO সনদ সঙ্গে রাখুন।
- ভিসা, চাকরির অফার ও চুক্তির কপি ছবি তুলে ফোনে ও পরিবারের কাছে রেখে যান।
- ভিসা ও স্পনসর আগেই যাচাই করুন।
সম্পূর্ণ তালিকা পাবেন বিদেশ যাওয়ার আগে কী কী নিশ্চিত করবেন? BMET ছাড়পত্রসহ চেকলিস্ট গাইডে এবং ভিসা যাচাইয়ের নিয়ম পাবেন সৌদি ভিসা চেক: পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে যাচাইয়ের নিয়ম লেখায়।
প্রবাসে পৌঁছানোর প্রথম ৭ দিনের ডে-ওয়াইজ চেকলিস্ট
প্রথম দিন: পৌঁছানো, যোগাযোগ ও প্রাথমিক স্বস্তি
- এয়ারপোর্টে ইমিগ্রেশন পার হয়ে স্পনসর বা কোম্পানির প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ করুন। নিয়োগকর্তা কাউকে পাঠানোর কথা থাকলে তাঁর নাম ও ফোন নম্বর আগে থেকে সঙ্গে রাখুন।
- অচেনা কেউ "আমি আপনাকে নিতে এসেছি" বললে নিয়োগকর্তার নিশ্চিতকরণ ছাড়া সঙ্গে যাবেন না।
- থাকার জায়গায় পৌঁছে পরিবারকে ঠিকানা ও খবর জানান।
- প্রবেশের তারিখ লিখে রাখুন। বিভিন্ন সূত্রে সৌদি আরবে নতুন কর্মীর ইকামা ও কাজের অনুমতি প্রবেশের ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার কথা বলা আছে, তাই এই তারিখ থেকে হিসাব শুরু।
- পাসপোর্ট কারও হাতে তুলে দেওয়ার আগে নিজের জন্য কপি ও ছবি রেখে দিন।
দ্বিতীয় দিন: যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল করা
- স্থানীয় সিম কার্ড ও ইন্টারনেট প্যাকেজ নিন। সিম নিবন্ধনের শর্ত দেশভেদে আলাদা এবং কিছু দেশে ইকামা বা আইডি লাগে, তাই কোম্পানির প্রতিনিধিকে জিজ্ঞাসা করুন।
- পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলের ব্যবস্থা করুন।
- ফোনে কোম্পানির ঠিকানা, নিয়োগকর্তার নম্বর ও থাকার জায়গার লোকেশন সেভ করুন।
তৃতীয় দিন: চুক্তি ও কাজ বুঝে নেওয়া
- দেশে যে কাজ ও বেতনের কথা শুনেছিলেন, তার সঙ্গে প্রকৃত কাজ ও বেতন মিলিয়ে দেখুন।
- চুক্তির একটি কপি চান এবং পড়ে বুঝুন। সৌদি শ্রম আইনের সারসংক্ষেপ অনুযায়ী লিখিত চুক্তি বাধ্যতামূলক, যাতে কাজের পদ, বেতন, কাজের সময়, বাসস্থান, খাবার, চিকিৎসা বীমা ও বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতি থাকে।
- ইকামা প্রক্রিয়া কবে ও কীভাবে শুরু হবে, তা নিয়োগকর্তাকে জিজ্ঞাসা করুন। মনে রাখবেন, ইকামা তৃতীয় দিনেই হাতে আসার বিষয় নয়, এটি প্রক্রিয়ার একটি ধাপ।
চতুর্থ দিন: মেডিকেল পরীক্ষা ও বীমা
- সৌদি আরবে ইকামা পাওয়ার জন্য পৌঁছানোর পর অনুমোদিত কেন্দ্রে মেডিকেল পরীক্ষা করাতে হয়। এটি চিকিৎসা বীমারও পূর্বশর্ত।
- ভারতীয় দূতাবাসের প্রকাশিত সৌদি শ্রম আইনের সারসংক্ষেপ অনুযায়ী নিয়োগকর্তার জন্য কর্মীদের স্বাস্থ্য বীমা দেওয়া বাধ্যতামূলক এবং নিয়োগ-সংক্রান্ত খরচ, মেডিকেল পরীক্ষা ও ইকামার ফি নিয়োগকর্তাই বহন করে।
- তাই এসব খাতে কেউ আপনার কাছে টাকা চাইলে সতর্ক হোন এবং দূতাবাসের শ্রম উইংয়ে জানান।
- মেডিকেলের রসিদ ও রিপোর্টের কপি সংরক্ষণ করুন।
পঞ্চম দিন: টাকাপয়সা ও আর্থিক নিরাপত্তা
- স্থানীয় ব্যাংক হিসাব সাধারণত ইকামা হাতে আসার পর খোলা যায়। তাই প্রথম সপ্তাহে তাড়াহুড়ো করবেন না।
- নগদ টাকা নিরাপদ জায়গায় রাখুন এবং কারও কাছে বড় অঙ্কের টাকা জমা দেবেন না।
- দেশে টাকা পাঠাতে চাইলে শুধু বৈধ ব্যাংকিং পথে পাঠান। বিস্তারিত নিয়ম আছে বৈধ উপায়ে বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর সহজ নিয়ম ও প্রবাসীদের সুবিধা গাইডে।
- "ফ্রি ভিসা" বা "বেশি বেতনের" নামে কেউ টাকা চাইলে এড়িয়ে চলুন।
ষষ্ঠ দিন: কর্মক্ষেত্র ও পরিবেশের সঙ্গে পরিচিতি
- কোম্পানির এইচআর বা সুপারভাইজারের সঙ্গে পরিচিত হন এবং কাজের নিয়ম বুঝে নিন।
- সৌদি শ্রম আইনের সারসংক্ষেপ অনুযায়ী সাধারণত কাজের সময় দৈনিক ৮ ঘণ্টা ও সাপ্তাহিক ৪৮ ঘণ্টা, শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি (অন্য দিনও হতে পারে), এবং চুক্তি অনুযায়ী নিয়োগকর্তা বাসস্থান ও খাবার বা ভাতা দেবেন।
- পরীক্ষাকালীন সময় সাধারণত ৯০ দিনের বেশি হয় না, তবে লিখিত সম্মতিতে ১৮০ দিন পর্যন্ত বাড়ানো যায়। এই সময় চুক্তি বাতিল সহজ, তাই কাজের শর্ত বুঝে চলুন।
- ভাষার সমস্যা নিয়ে ঘাবড়াবেন না। বাংলাদেশের জন্য আরবি ভাষা বাধ্যতামূলক নয়, তবে দৈনন্দিন কয়েকটি শব্দ শিখে নিলে কাজ সহজ হয়।
সপ্তম দিন: জরুরি নম্বর সংগ্রহ ও নিরাপদ জীবনযাপন
- বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম উইংয়ের নম্বর, প্রবাসবন্ধু কল সেন্টার (১৬১৩৫ এবং বিদেশ থেকে +৮৮০ ৯৬১০ ১০২ ০৩০) ও স্থানীয় জরুরি নম্বর ফোনে সেভ করুন। সব নম্বর একসঙ্গে পাবেন প্রবাসে বিপদে আইনি সহায়তা: বাংলাদেশ দূতাবাস, শ্রম উইং ও জরুরি হটলাইন গাইডে।
- সৌদি আরবে থাকলে দেখুন সৌদি আরব প্রবাসীদের গাইড: যাওয়ার আগে যাচাই, বিপদে করণীয় ও দূতাবাসের নম্বর।
- আশপাশের দোকান, মসজিদ বা প্রার্থনার স্থান, ফার্মেসি ও যাতায়াতের পথ চিনে নিন।
- পরিবারকে আপনার পাসপোর্ট নম্বর, কোম্পানির নাম ও ঠিকানা, নিয়োগকর্তার ফোন নম্বর দিয়ে রাখুন।
কাগজপত্রের ডিজিটাল ব্যাকআপ: প্রথম সপ্তাহেই করে ফেলুন
প্রবাসে পাসপোর্ট, ভিসা বা চুক্তির কাগজ হারালে বা কারও হাতে আটকে গেলে সবচেয়ে বড় সমস্যা হয় প্রমাণ না থাকা। তাই প্রথম সপ্তাহেই একটি ডিজিটাল ব্যাকআপ তৈরি করে রাখুন।
- পাসপোর্টের ছবি-পাতা, ভিসা ও প্রবেশের সিলের স্পষ্ট ছবি তুলে রাখুন।
- চুক্তিপত্র, নিয়োগপত্র ও বিএমইটির ছাড়পত্র বা স্মার্ট কার্ডের ছবি রাখুন।
- ছবিগুলো নিজের ই-মেইলে পাঠিয়ে রাখুন এবং পরিবারের একজন বিশ্বস্ত সদস্যকেও পাঠান।
- পরে ইকামা, মেডিকেল রিপোর্ট ও বেতনের রসিদ পেলে একইভাবে যোগ করুন।
পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে কী করবেন, তা জানতে পড়ুন বিদেশে পাসপোর্ট হারালে করণীয় গাইডটি।
প্রথম মাসের টাকাপয়সা কীভাবে সামলাবেন?
নতুন প্রবাসীদের অনেকেই প্রথম মাসে টানাটানিতে পড়েন, কারণ বেতন সাধারণত মাস শেষে আসে এবং দেশে নেওয়া ঋণ বা পরিবারের চাহিদা তখনই মাথায় আসে। আগে থেকে একটি সহজ পরিকল্পনা রাখলে চাপ কমে।
- সঙ্গে আনা সামান্য নগদ টাকা প্রথম মাসের জরুরি খরচের জন্য আলাদা রাখুন।
- প্রথম বেতন কবে আসবে এবং কীভাবে (ব্যাংক বা নগদ) আসবে, তা নিয়োগকর্তার কাছে স্পষ্ট জেনে নিন।
- দেশে টাকা পাঠানোর জন্য তাড়াহুড়ো করবেন না। আগে নিজের থাকা-খাওয়ার খরচ বুঝে নিন।
- অচেনা কারও কাছ থেকে ধার নেবেন না এবং কাউকে টাকা ধার দেবেন না।
পরিবারের সঙ্গেও খোলাখুলি কথা বলুন, প্রথম মাসে বেশি টাকা পাঠানো সম্ভব না-ও হতে পারে। এতে অযথা চাপ ও ভুল বোঝাবুঝি এড়ানো যায়।
"৯০ দিনের ঘড়ি" মাথায় রাখুন
সৌদি আরবের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সূত্রে বলা আছে, নিয়োগকর্তাকে প্রবেশের ৯০ দিনের মধ্যে কর্মীর কাজের অনুমতি ও ইকামার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। তাই প্রথম সপ্তাহ থেকেই জেনে নিন, প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে কি না এবং কোন ধাপে আছে।
সন্দেহজনক হলে, যেমন নিয়োগকর্তা প্রশ্ন এড়িয়ে যান বা ইকামার কথা তোলাই বন্ধ করে দেন, তাহলে দেরি না করে আমাদের ইকামা ও হুরুব গাইড পড়ুন: ইকামা জটিলতা, হুরুব ও ফ্রি ভিসার প্রতারণা: প্রবাসীরা যেভাবে নিজেকে বাঁচাবেন। প্রয়োজনে দূতাবাসের শ্রম উইংয়ে জানান।
প্রথম সপ্তাহের লাল সংকেত
- যে কাজের কথা ছিল, সেই কাজ নেই, অথবা সম্পূর্ণ আলাদা কাজ দেওয়া হচ্ছে।
- চুক্তির কপি দেওয়া হচ্ছে না বা এমন ভাষায় চুক্তি, যা আপনি কিছুই বুঝতে পারছেন না।
- মেডিকেল বা ইকামার ফি আপনার কাছে চাওয়া হচ্ছে।
- থাকা বা খাওয়ার ব্যবস্থা চুক্তির সঙ্গে মিলছে না।
- নিয়োগকর্তা প্রথম মাসের বেতন নিয়ে স্পষ্ট কিছু বলছেন না। বকেয়া বেতনের ক্ষেত্রে করণীয় আছে প্রবাসীদের বকেয়া বেতন আদায় ও শ্রম অভিযোগের সঠিক নিয়ম গাইডে।
বিশেষ সতর্কতা: পাসপোর্ট, ওটিপি বা ব্যাংকিং তথ্য অচেনা কারও সঙ্গে শেয়ার করবেন না। "ইকামা করে দেব", "ভালো কাজ জোগাড় করে দেব" বলে যে দালাল টাকা চায়, তার থেকে সাবধান। স্থানীয় আইন ও সংস্কৃতি মেনে চলুন এবং কোনো বিপদে পড়লে দেরি না করে দূতাবাসে জানান।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
প্রবাসে গিয়ে প্রথম দিনে কী করা উচিত?
স্পনসর বা কোম্পানির প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ করুন, থাকার জায়গায় নিরাপদে পৌঁছান, পরিবারকে জানান, পৌঁছানোর তারিখ লিখে রাখুন এবং পাসপোর্টের কপি ও ছবি নিজের কাছে রাখুন।
ইকামা কত দিনে পাওয়া যায়?
সৌদি আরবে সূত্রভেদে নিয়োগকর্তাকে প্রবেশের ৯০ দিনের মধ্যে কাজের অনুমতি ও ইকামা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বলা হয়। প্রকৃত সময় মেডিকেল, বীমা ও অফিসের কাজের ওপর নির্ভর করে, তাই নিয়োগকর্তাকে নিয়মিত জিজ্ঞাসা করুন।
মেডিকেল পরীক্ষা ও ইকামার খরচ কে দেয়?
ভারতীয় দূতাবাসের প্রকাশিত সৌদি শ্রম আইনের সারসংক্ষেপ অনুযায়ী নিয়োগ খরচ, মেডিকেল পরীক্ষা, ইকামা ও নবায়ন ফি এবং বিলম্বজনিত জরিমানা নিয়োগকর্তা বহন করেন। কেউ আপনার কাছে এসব টাকা চাইলে দূতাবাসের শ্রম উইংয়ে জানান।
সিম কার্ড কীভাবে নেব?
আপনার পাসপোর্ট ও ভিসার কপি নিয়ে স্থানীয় দোকান বা অপারেটরের আউটলেটে যান। কিছু দেশে ইকামা না থাকলে নিবন্ধন সীমিত হতে পারে। তাই কোম্পানির প্রতিনিধির সঙ্গে আগে কথা বলুন।
ভাষা না জানলে কি সমস্যা হবে?
দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী গালফে চাকরির জন্য আরবি ভাষা বাধ্যতামূলক নয়, তবে ভাষা জানলে ভালো কাজ পাওয়া সহজ হয় এবং অভিযোগ জানানোর সক্ষমতা বাড়ে। প্রথম থেকেই দৈনন্দিন কিছু শব্দ শিখুন।
উপসংহার
প্রবাসের প্রথম সাতটি দিন ধৈর্য ও সতর্কতার পরীক্ষা। সঠিকভাবে শুরু করলে পরের মাসগুলো অনেক সহজ হয়ে যায়: ছবি ও কপি রাখুন, চুক্তি বুঝে নিন, ইকামার ৯০ দিনের হিসাব রাখুন এবং জরুরি নম্বরগুলো ফোনে সেভ করুন।
মনে রাখবেন, আপনি একা নন। দূতাবাসের শ্রম উইং, প্রবাসবন্ধু কল সেন্টার এবং পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ আপনার সবচেয়ে বড় ভরসা। সতর্ক থাকুন, নিয়ম মেনে চলুন এবং নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকুন।
তথ্যসূত্র
এই লেখা সাধারণ তথ্যের জন্য। সরকারি নিয়ম, ফি ও সেবা বদলাতে পারে; স্বাস্থ্য বা আইনি বিষয়ে সিদ্ধান্তের আগে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা অফিসিয়াল সূত্রে যাচাই করে নিন।

কোন মন্তব্য নেই: