বাসায় বসে প্রেগন্যান্সি কিট দিয়ে গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করবেন কিভাবে?

সাধারণত বেশির ভাগ মহিলা গর্ভবতী নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রচলিত ঘোরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকেন। বিশেষ করে যারা নতুন গর্ভবতী হতে চায় কিংবা মা হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে যাবেন, তারা প্রথমে উদ্বিগ্ন হয়ে যান। তিনি গর্ভবতী হয়েছেন কিনা তা নিয়েও চিন্তিত থাকেন গর্ভধারণের প্রথম দিকে। তাই বাসায় বসে প্রেগন্যান্সি কিট দিয়ে গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করবেন কিভাবে তা নিয়ে আজকে ইনফোটি শেয়ার করা হলো।

 

বাসায় বসে প্রেগন্যান্সি কিট দিয়ে গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করবেন কিভাবে?

মেয়েরা সাধারণভাবে তার শারীরিক ব্যপারে লাজুক স্বভাবের হয়ে থাকে। এ কারণেই  তার ব্যাক্তিগত নানা সমস্যার কথা কাউকে জানান না। এমনকি গুরুতর কিছু সমস্যাও তার লাইফ পার্টনারকেও জানাতে নারাজ। নিজে নিজেই এসব সমস্যা সমাধাণ করার চেষ্টা করে থাকেন। এটা মোটেও ঠিক নয়।

শারীরিক বা মানসিক যে কোন সমস্যার কথা লাইফ পার্টনারের সাথে আলোচনা করে সমাধান করা বুদ্ধিমানের কাজ। তাছাড়া সমস্যার কথা ডাক্তারকে বলতে আপনার সংকচ মনে হলেও লাইফ পার্টনার আপনাকে সহযোগিতা করতে পারবে।

 

গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন কেন?

একজন নারীর জন্য গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া খুবই জরুরী। কেননা গর্ভধারণের ফলে নারীর শরীরে বিভিন্ন রকম পরিবর্তন আসে। এই সময়টাতে শরীরের যত্ন না নিলে পেটের সন্তানের পাশাপাশি নিজেরও শরীরের ঝুকি অনেক বেড়ে যায়।

তাই গর্ভধারণের প্রথম দিকেই নিশ্চিত হয়ে ‍শরীরের যত্ন নিতে হবে। এছাড়াও সন্তান যাতে ভালভাবে দুনিয়ার মুখ দেখতে পারে সে জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ ডাক্তারের কাছ থেকে নিতে হবে। আপনার গাইনি ডাক্তারের সাথে এসময়ে একটু যোগাযোগ বেশি রাখতে হবে।

 

কিভাবে নিশ্চিত হবেন যে, আপনি গর্ভবতী?

নারী যখন গর্ভবতী হয়ে থাকেন তখন তার শরীরে নানা উপসর্গ দেখা দেয়।কারণ এ সময় তার শরীরে নানা রকম পরিবর্তন ঘটে থাকে। গর্ভধারণের সময় নারীর শরীরে কি কি উপসর্গ দেখা দেয় বা গর্ভধারণের লক্ষণগুলো কি? বিস্তারিত জানতে “গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ ও গর্ভধারণের প্রথম সপ্তাহে শরীরেযে সব উপসর্গ দেখা দেয়” ইনফোটি দেখুন।

সাধারণত নারীরা গর্ভবতী হয়ে গেলে তাদের মাসিক বা ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যায়। আপনার পিরিয়ড মিস হলে প্রেগন্যান্সি কিট দিয়ে বাসায় বসে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে পারেন যে গর্ভবতী হয়েছেন কিনা।

বাসায় পরীক্ষাটি সঠিক সময় এবং সঠিক পদ্ধতিতে করতে পারলে আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন যে আপনি গর্ভবতী হয়েছেন। পরীক্ষার কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতির কারণে ভুল রেজাল্ট আসতে পারে। তবে এর পরিমাণ খুবই নগন্য। এবিষয়ে বিস্তারিত জানতে “গর্ভাবস্তা বা গর্ভধারণ পরীক্ষার ও ইতিবাচক পরীক্ষার ফলাফলভুল হয় কেন?” ইনফোটি দেখুন।

 

প্রেগন্যান্সি কিট কোথায় পাওয়া যায় বা কোথায় থেকে সংগ্রহ করবেন?

বর্তমান বাজারে নানা ব্যান্ডের প্রেগন্যান্সি কিট পাওয়া যায়। ওষুধের দোকান কিংবা ফার্মিসিগুলোতে গর্ভাবস্থা পরীরক্ষা করার এই কিটগুলো ক্রয় করতে পারবেন।

প্রেগন্যান্সি কিট ক্রয় করার সময় অবশ্যই এর মেয়াদ আছে কিনা দেখে নিবেন। মেয়াদ উত্তীর্ণ কিট দিয়ে পরীক্ষা করলে ভুল রেজাল্ট পেতে পারেন।

 

কিভাবে পরীক্ষা করবেন আপনার গর্ভাবস্থা?

আপনি যখন প্রেগন্যান্সি কিট ক্রয় করে আনবেন, তখন এর সাথে এটি কিভাবে ব্যবহার করবেন তার নির্দেশনাও পেয়ে যাবেন।

ব্যহারের আগে নির্দেশনা ভাল করে পড়ুন। তারপর আপনার মুত্র নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করুন। আপনার মুত্রের সাথে প্রেগন্যান্সি হরমোনের উপস্থিতি আছে কিনা তা এই কিট দিয়ে সহজেই পরীক্ষা করা যায়। তবে পরীক্ষা করার আগে দেখে নিবে কিটটি ত্রুটিপূর্ণ কিনা।

মুত্রের সাথে অন্য কোন অপদ্রব্য যেন না থাকে সে দিকে খেয়াল রাখবেন। অপদ্রব্যের কারণে পরীক্ষাের রেজাল্ট ভুল আসতে পারে।


আরো জানুন:

কোন কোন সময় সহবাস করলে আপনি গর্ভবতী হবেন না?

গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে কিভাবে জানবেন?

আকর্ষণীয় ত্বক কিংবা সুস্থ ত্বকের জন্য কি করবেন?

 

Disclaimer: এই ইনফোটি সাধারণ প্রকৃতির এবং শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে উপলভ্য, স্বাস্থ্য সেবা বা ডাক্তারের পরমর্শের বিকল্প হিসাবে কোন অবস্থাতেই বিবেচিত হইবে না। আপনার শারীরিক যে কোন সমস্যার জন্য জাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

কোন মন্তব্য নেই:

Blogger দ্বারা পরিচালিত.